Gono television | বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল। - Gono television is the Bangladesh Government Approved 24/7 News Based TV Channel and Most Reliable News Source and Leading 24/7 News Based TV Channel in Bangladesh, It also the Most Popular News Media for Bangaldesh and Bengali Audience worlwide since 2016.

সংবাদ শিরোনামঃ
জুলাই সনদ ইস্যুতে উদার, শক্তিশালী মানবাধিকার আইন করার পরামর্শ স্পিকারের রোনালদো নাকি মদ্রিচ, কাকে বিদায় জানাবে বিশ্বকাপ সম্পূর্ণ সুস্থ না হওয়া পর্যন্ত ডেঙ্গু রোগীকে ছাড়পত্র নয়: স্বাস্থ্যমন্ত্রী ১৭-১৮ বছরেও পাকা হলো না শুকুরখোলা গ্রামের একমাত্র সড়ক, কাদা-পানিতে দুর্ভোগে ৮০-১০০ পরিবারের মানুষ কসবায় ভুয়া প্রবেশপত্রে এইচএসসি পরীক্ষার চেষ্টা, দুজনকে ৪০ হাজার টাকা জরিমানা দ্বিতীয় বিয়ে করায় স্বামীকে হত্যার পর ৬ টুকরো, স্ত্রীকে মৃত্যুদণ্ড এইচএসসির প্রথম পরীক্ষায় অনুপস্থিত ২৪,৭৮৪ জন, বহিষ্কার ৭ অবৈধ দোকানের দখলে ঐতিহ্যবাহী নীলফামারীর বড় মাঠ, সংকুচিত হচ্ছেন বড় ক্রীড়াঙ্গন নড়াইলে গাছে বেঁধে নির্যাতন প্রতিবন্ধী যুবকের মৃত্যু কৌশলে পরিবর্তন, অনুশীলন শেষে মায়ামির পথে আর্জেন্টিনা

ভেনেজুয়েলায় শক্তিশালী ভূমিকম্পে স্ত্রী ও দুই সন্তানকে হারিয়েছেন আর্জেন্টাইন ফুটবলার লুকাস ত্রেহো । ৭৪ ঘণ্টার টানা অনুসন্ধানের পর উদ্ধারকারীরা ধ্বংসস্তূপ থেকে তাদের মরদেহ উদ্ধার করেন। বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। খবর গালফ নিউজের।

 

৩৮ বছর বয়সী ত্রেহো বুধবার (২৪ জুন) দেশটিতে আঘাত হানা জোড়া ভূমিকম্পে প্লায়া গ্রান্দেতে তাদের অবস্থানরত অ্যাপার্টমেন্ট ভবন ধসে পড়ার পর থেকে স্ত্রী ইয়ানিনা মারানেল্লা এবং দুই সন্তান অ্যারন ও আইনহোয়ার খোঁজে মরিয়া হয়ে অনুসন্ধান চালাচ্ছিলেন।

 

ডিফেন্ডার ত্রেহো তখন নিজের ক্লাবের হয়ে লিগ ম্যাচের প্রস্তুতির জন্য রাজধানী কারাকাসে অবস্থান করছিলেন। পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ার পর তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ইনস্টাগ্রামে সাহায্যের আবেদন জানান।

 

তিনি লিখেছিলেন, প্লায়া গ্রান্দেতে আমাদের ভবনটি ধসে পড়েছে। আমার পরিবারের কোনো খবর জানি না। দয়া করে তাদের জন্য প্রার্থনা করুন এবং কেউ তাদের দেখে থাকলে এই বার্তাটি শেয়ার করুন। আমি বিশ্বাস করতে চাই, তারা সেখানে ছিল না।

 

গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, শনিবার (২৮ জুন) গভীর রাতে উদ্ধারকর্মীরা ধ্বংসস্তূপ থেকে তার স্ত্রী ও দুই সন্তানের মরদেহ উদ্ধার করেন।

 

ত্রেহোর ক্লাব দেপোর্তিভো লা গুয়ারা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বিবৃতিতে তাদের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে। ক্লাবটি জানায়, লুকাস ত্রেহোর স্ত্রী ইয়ানিনা মারানেল্লা এবং সন্তান অ্যারন ও আইনহোয়া ত্রেহোর মর্মান্তিক মৃত্যুতে আমরা গভীর শোক প্রকাশ করছি। তাদের আত্মার শান্তি কামনা করছি এবং লুকাস ও তার পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানাচ্ছি।

 

ত্রেহোর আরেকটি ক্লাব মারিতিমো দে লা গুয়ারাও সমবেদনা জানিয়ে জানায়, ৭৪ ঘণ্টার অনুসন্ধান শেষে তার পরিবারের সদস্যদের মৃত অবস্থায় পাওয়া গেছে।

 

এদিকে, আর্জেন্টাইন গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়, অনুসন্ধান অভিযানে সহায়তা করতে ত্রেহোর বাবা ও ভাই ভেনেজুয়েলায় যান।

 

পরিবারের মরদেহ উদ্ধারের কয়েক ঘণ্টা আগেও ত্রেহো স্ত্রী ও সন্তানদের একটি ছবি সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করেছিলেন। তখনও তাদের জীবিত উদ্ধারের আশা ছিল। চলতি বছরের শুরুতে স্বামীর জন্মদিনে ইয়ানিনা এক বার্তায় লিখেছিলেন, পরিবার হিসেবে তোমাকে পাওয়া আমাদের জন্য আশীর্বাদ। তোমাকে পাশে পেলে সবকিছুই সহজ এবং আরও সুন্দর হয়ে ওঠে।

 

এদিকে, ৭.২ ও ৭.৫ মাত্রার বিরল জোড়া ভূমিকম্পের পর ভেনেজুয়াজুড়ে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞের প্রভাব মোকাবিলায় কাজ চলছে। জাতিসংঘের অভিবাসন সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, এ দুর্যোগে প্রায় ৬৭ লাখ ৬০ হাজার মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারেন। এখন পর্যন্ত প্রায় ১,৫০০ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। নিখোঁজদের সন্ধানে এখনও উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

ভেনেজুয়েলার ভূমিকম্পে স্ত্রী ও দুই সন্তান হারালেন আর্জেন্টাইন ফুটবলার লুকাস ত্রেহো

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী সংসদ সদস্যের শপথের দিন জুলাই সনদ বাস্তবায়নে সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথও নিয়েছিল জামায়াতে ইসলামী-এনসিপির নেতৃত্বাধীন বিরোধী দল। কিন্তু প্রচলিত আইন ও সাংবিধানিক ধারা মেনে এ ধরনের শপথ নেয়নি সরকারি দল বিএনপি, সমমনা দল ও স্বতন্ত্র সংসদ সদস্যরা।

 

সংসদের প্রথম অধিবেশনে অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা ১৩৩ টি অধ্যাদেশ উত্থাপিত হয়। তবে বিরোধীদের সংস্কার পরিষদ গঠনের প্রস্তাবের পরিবর্তে গঠন করা হয় বিশেষ কমিটি। প্রতিবাদে ওয়াক আউট করে বিরোধী দল।

 

এছাড়া, প্রবল আপত্তির মুখেও পাস হয় মানবাধিকার, সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় ও বিচারক নিয়োগ রহিতকরণ বিল। বাতিল হয় গুম অধ্যাদেশ।

 

সংসদের পাশাপাশি রাজপথেও এ নিয়ে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছে বিরোধী দল। তবে এ নিয়ে সরকার ও বিরোধী দলের মতপার্থক্য থাকলেও এর সমাধান সংসদে হওয়া উচিত বলে মনে করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ।

 

তার মতে, আগামী অধিবেশনও জুলাই ইস্যুতে উত্তপ্ত থাকবে। দুই দলই সনদের বাস্তবায়ন চায়; কিন্তু উচ্চকক্ষ, মানবাধিকার, বিচার বিভাগ নিয়ে মতভেদ বেশি। এক্ষেত্রে সরকারকে উদার হওয়ার পরামর্শ স্পিকারের।

 

হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেছেন, জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করতে হলে আইনের মাধ্যমে করতে হবে। সংবিধানে সংশোধনী আনতে হবে। যেটি কেবল জাতীয় সংসদেই করা সম্ভব। এই ব্যাপারে সরকারি দল ও বিরোধী দলের মধ্যে বোঝাপড়া হলে ভালো। জুলাই সনদে যতটুকু ছাড় দেওয়া যায়, ক্ষমতাসীন দলের সেটি দেওয়া উচিত। বিরোধী দলেরও বুঝতে হবে, সংখ্যাগরিষ্ঠতার কারণে সরকার যাতে তাদের কার্যক্রম নির্বিঘ্নে চালিয়ে যেতে পারে।

 

বিচার বিভাগের স্বাধীনতা, গুম, মানবাধিকার আইন সংশোধনেরও আহ্বান জানিয়েছেন স্পিকার। তিনি বলেন, কোনো দল তো স্থায়ীভাবে সরকারি বা বিরোধী দল না। এখন যদি মানবাধিকারের ক্ষেত্রে সরকার উদ্যোগী না হয়, তাহলে ভবিষ্যতে যখন বিরোধী দলে পড়বে, তখন এটার মাসুল তাদেরকেও দিতে হবে। এটা মাথায় রেখেই ভালোভাবে মানবাধিকার আইন প্রণয়ন করতে হবে, যা অতীতের চেয়ে আরও ভালো একটি আইন।

 

জুলাই সনদ নিয়ে দ্বন্ধের সুযোগে আওয়ামী লীগের ফেরা এবং নতুন কোনও ষড়যন্ত্র যেন মাথাচাড়া দিতে না পারে, সেই বিষয়েও সতর্ক করছেন অভিজ্ঞ এই পার্লামেন্টারিয়ান ও রাজনীতিবিদ।

 

‘বাংলাদেশকে তছনছ করার জন্য যারা প্রতিদিনই ছক কষছে, তাদের অপচেষ্টাকে দূর করার জন্য একসময় মিলিতভাবে উদ্যোগ নিতে হবে, যেন সরকারি দল ও বিরোধী দল এই ব্যাপারে ঐক্যমত হয়ে মাফিয়া প্রত্যাবর্তনের বিরুদ্ধে লড়াই করবে। সুতরাং এই দুই দলের মধ্যে আরও সুসম্পর্ক থাকা উচিত’— যোগ করেন তিনি।

 

স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, জাতীয় স্বার্থে ঐকমত্যের বিকল্প নেই। দুই দলের সমঝোতার মাধ্যমে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন হলে শান্তিতে থাকবে মানুষ।

জুলাই সনদ ইস্যুতে উদার, শক্তিশালী মানবাধিকার আইন করার পরামর্শ স্পিকারের

ফুটবলে প্রতিদ্বন্দ্বিতার কথা উঠলেই সবার আগে আসে লিওনেল মেসি ও ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর নাম। জাতীয় দল কিংবা বিশ্বকাপ মঞ্চে আর্জেন্টিনা-ব্রাজিল দ্বৈরথও বরাবরই আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকে। তবে এবার বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে অপেক্ষা করছে ভিন্ন এক আবেগের লড়াই– রোনালদো বনাম লুকা মদ্রিচ।

 

আগামীকাল শুক্রবার (৩ জুলাই) বাংলাদেশ সময় ভোর ৫টায় টরন্টোতে মুখোমুখি হবে এই দুই তারকা।

 

বিশ্বকাপের রাউন্ড অব ৩২-এ পর্তুগালের মুখোমুখি হতে যাচ্ছে ক্রোয়েশিয়া। এটি হতে পারে ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম সেরা দুই তারকার শেষ বিশ্বকাপ দ্বৈরথ।

 

ক্লাব ফুটবলে একসময় একই ড্রেসিংরুম ভাগাভাগি করেছেন রোনালদো ও মদ্রিচ। রিয়াল মাদ্রিদের জার্সিতে চ্যাম্পিয়নস লিগ, ক্লাব বিশ্বকাপ, লা লিগাসহ ইউরোপিয়ান ফুটবলের প্রায় সব বড় ট্রফিই উঠেছে তাদের হাতে। মাঠে একজন ছিলেন গোলের কারিগর, অন্যজন প্লেমেকার বা মাঝমাঠের নিয়ন্ত্রক।

 

তবে এই দুই কিংবদন্তির ক্যারিয়ারে একটি বড় অপূর্ণতা রয়ে গেছে বিশ্বকাপ ট্রফি ছুঁয়ে দেখার স্বপ্ন। বয়সের বিবেচনায় এটিই হতে পারে দুজনের শেষ বিশ্বকাপ (যদিও আনুষ্ঠানিকভাবে অবসরের কথা কেউই বলেননি)। তাই এই ম্যাচ শুধু নকআউট পর্বের একটি লড়াই নয়, দুই কিংবদন্তির স্বপ্ন বাঁচিয়ে রাখারও চ্যালেঞ্জ।

 

ম্যাচ শেষে একজন এগিয়ে যাবেন বিশ্বকাপ ট্রফি জয়ের স্বপ্ন নিয়ে। আরেকজনকে হয়তো শেষবারের মতো অলিখিতভাবেই বিদায় জানানো হবে বিশ্বকাপ মঞ্চ থেকে।

 

তাই নিশ্চিত বলা যায়, ফুটবলপ্রেমীরা শুধু দুদলের লড়াইই দেখবে না বরং তাদের চোখ থাকবে রোনালদো ও মদ্রিচের শেষ বিশ্বকাপ অধ্যায়ের দিকেই।

 

রোনালদো নাকি মদ্রিচ, কাকে বিদায় জানাবে বিশ্বকাপ

জ্বর কমে গেলেও সম্পূর্ণ সুস্থতা নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত কোনো ডেঙ্গু রোগীকে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র না দেওয়ার নির্দেশনা দিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) ঢাকা মেডিকেল কলেজের প্যাথলজি বিভাগে আধুনিক মাইক্রোস্কোপ ও ল্যাবরেটরি যন্ত্রপাতি হস্তান্তর অনুষ্ঠানে তিনি এ নির্দেশনা দেন।

 

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে সরকার গত দুই মাস ধরে দেশব্যাপী পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করছে। পাশাপাশি চিকিৎসকদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে এবং রোগীদের চিকিৎসায় সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

 

তিনি জানান, এডিস মশার লার্ভা ধ্বংসে নতুন প্রযুক্তি ব্যবহারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ লক্ষ্যে বিশেষ ধরনের মেডিক্যাল ট্যাবলেট সংগ্রহ করা হচ্ছে, যা জমে থাকা পানিতে ব্যবহার করলে লার্ভা দ্রুত ধ্বংস হবে।

 

ডেঙ্গু রোগীদের চিকিৎসায় বিশেষ সতর্কতার ওপর গুরুত্ব দিয়ে মন্ত্রী বলেন, প্লাজমা লিকেজের কারণে অনেক রোগীর মৃত্যু হয়। এ ঝুঁকি মোকাবিলায় বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের সমন্বয়ে একটি দৈনিক চিকিৎসা প্রটোকল তৈরি করা হয়েছে, যা চিকিৎসকদের মোবাইল ফোন ও ওয়েবসাইটের মাধ্যমে সরবরাহ করা হবে।

 

এ সময় তিনি জানান, দেশের চিকিৎসা শিক্ষা আধুনিকায়নে কাজ চলছে। ঢাকা মেডিকেল কলেজের প্যাথলজি বিভাগে সর্বাধুনিক মাইক্রোস্কোপ সংযোজনের ফলে এখন থেকে আরও দ্রুত ও নির্ভুলভাবে ক্যানসার শনাক্ত করা সম্ভব হবে।

সম্পূর্ণ সুস্থ না হওয়া পর্যন্ত ডেঙ্গু রোগীকে ছাড়পত্র নয়: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

১৭-১৮ বছরেও পাকা হলো না শুকুরখোলা গ্রামের একমাত্র সড়ক, কাদা-পানিতে দুর্ভোগে ৮০-১০০ পরিবারের মানুষ

 

যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলার ১১ নম্বর বাঁকড়া ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের শুকুরখোলা গ্রামের প্রায় ৮০ থেকে ১০০টি পরিবারের একমাত্র চলাচলের সড়কটি দীর্ঘ ১৭-১৮ বছরেও পাকা না হওয়ায় চরম দুর্ভোগে পড়েছেন এলাকাবাসী। সামান্য বৃষ্টিতেই সড়কটি কাদা ও পানিতে তলিয়ে যায়। ফলে শিক্ষার্থী, কৃষক, চাকরিজীবী, নারী, শিশু ও বয়স্কসহ সব শ্রেণি-পেশার মানুষের চলাচল মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।

 

সম্প্রতি সরেজমিনে এলাকাটি পরিদর্শন করে দেখা যায়, পুরো সড়কজুড়ে বড় বড় গর্ত, কাদা ও জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। কোথাও হাঁটুসমান কাদা, কোথাও জমে থাকা পানির কারণে হেঁটে চলাচল করাও অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। মোটরসাইকেল, ভ্যান, অ্যাম্বুলেন্সসহ জরুরি যানবাহনও প্রায়ই এই সড়ক ব্যবহার করতে পারে না। বর্ষা মৌসুমে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করে।

 

স্থানীয়দের অভিযোগ, গত ১৭-১৮ বছরে এলাকায় একটি পাকা সড়কও নির্মাণ করা হয়নি। বিভিন্ন সময় জনপ্রতিনিধি ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরে একাধিকবার আবেদন জানানো হলেও কার্যকর কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। নির্বাচনের সময় উন্নয়নের নানা প্রতিশ্রুতি দেওয়া হলেও বাস্তবে তার প্রতিফলন ঘটেনি।

 

আমাদের এলাকায় অনেক রাজনৈতিক নেতা ও জনপ্রতিনিধির বসবাস রয়েছে। কিন্তু এলাকার উন্নয়নে তাদের দৃশ্যমান কোনো ভূমিকা আমরা দেখতে পাইনি। বছরের পর বছর ধরে একই দুর্ভোগের মধ্যে দিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে।”

 

গোলাম রাসুল

তিনি আরও বলেন, “বর্তমান সরকারের প্রতি আমাদের পূর্ণ আস্থা রয়েছে। আমরা বিশ্বাস করি, জনপ্রতিনিধিদের আন্তরিক উদ্যোগে শুকুরখোলা গ্রামের দীর্ঘদিনের এই দুর্ভোগের অবসান হবে। আমরা সরকারের কাছে বিলাসী কোনো প্রকল্প চাই না; শুধু একটি টেকসই পাকা সড়ক চাই, যাতে সাধারণ মানুষ নিরাপদে চলাচল করতে পারে।”

 

মো. গোলাম রসুল বলেন, “বর্তমানে আমাদের উপজেলায় জাতীয় সংসদের দুইজন মাননীয় সংসদ সদস্য রয়েছেন। সংরক্ষিত মহিলা আসন-১৪-এর সংসদ সদস্য মোছা. সাবিরা সুলতানা মুন্নি এবং যশোর-২ আসনের সংসদ সদস্য ড. মোশলে উদ্দীন ফরিদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। তারা বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের মাধ্যমে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন বলে আমরা আশাবাদী।”

 

এলাকাবাসীর দাবি, এটি কোনো নতুন সড়ক নয়; বহু বছর ধরে ব্যবহৃত একটি গুরুত্বপূর্ণ গ্রামীণ যোগাযোগপথ। প্রতিদিন শতাধিক মানুষ এই সড়ক দিয়ে যাতায়াত করেন। শিক্ষার্থীরা স্কুল-কলেজে যায়, কৃষকরা কৃষিপণ্য বাজারে নিয়ে যান এবং সাধারণ মানুষ চিকিৎসাসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় কাজে এই পথ ব্যবহার করেন। কিন্তু দীর্ঘদিন সংস্কার না হওয়ায় সড়কটি এখন কার্যত চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে।

 

স্থানীয়দের প্রত্যাশা, সংশ্লিষ্ট প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিরা দ্রুত উদ্যোগ নিয়ে শুকুরখোলা গ্রামের এই গুরুত্বপূর্ণ সড়কটি টেকসইভাবে পাকা নির্মাণ করবেন। এতে একদিকে যেমন দীর্ঘদিনের জনদুর্ভোগের অবসান ঘটবে, অন্যদিকে সরকারের চলমান গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়নের সুফলও এই এলাকার সাধারণ মানুষ ভোগ করতে পারবেন।

১৭-১৮ বছরেও পাকা হলো না শুকুরখোলা গ্রামের একমাত্র সড়ক, কাদা-পানিতে দুর্ভোগে ৮০-১০০ পরিবারের মানুষ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহার করে ভুয়া এডমিট কার্ড বানিয়ে এইচএসসি পরীক্ষা দিতে গিয়ে এক ভুয়া পরীক্ষার্থী ও তার সহযোগীকে আটকের পর ৪০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমান আদালত। বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) কসবা পৌরশহরের টিআলী কলেজ কেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটে। কসবা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. ছামিউল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

 

জরিমানা দেওয়া দুজন হলেন, কসবা মহিলা কলেজের শিক্ষার্থী তাসফিয়া জান্নাত (১৮) এবং তার সহযোগী ইনজামুল হক (১৯)।

 

ভ্রাম্যমান আদালত জানায়, বৃহস্পতিবার টিআলী কলেজে এইচএসসি পরীক্ষা কেন্দ্রে প্রবেশের সময় ভুয়া এডমিট কার্ডধারী এক পরীক্ষার্থীকে দায়িত্বরত শিক্ষকদের সন্দেহ হয়। এ সময় শিক্ষার্থী ও তার সহযোগীকে আটক করা হয়। পরে যাচাই-বাছাই শেষে প্রবেশপত্র ভুয়া বলে নিশ্চিত হন কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও তফাজ্জল আলী ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ মো. আবুল কালাম আজাদ।

 

এ সময় কসবা উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট তানজিল কবিরের ভ্রাম্যমান আদালত ভুয়া পরীক্ষার্থী ও তার সহযোগীকে পৃথকভাবে ২০ হাজার টাকা করে মোট ৪০ হাজার টাকা জরিমানা করেন। অনাদায়ে ৩ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ডেরও আদেশ দেওয়া হয়।

 

এ বিষয়ে কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও অধ্যক্ষ মো. আবুল কালাম আজাদ বলেন, প্রবেশপত্র যাচাইয়ের সময় কোড নম্বর ও পরীক্ষার বিষয় মিল না থাকায় আমরা বিষয়টি নিশ্চিত হই। পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে অবহিত করা হয়।

 

এ বিষয়ে কসবা উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. ছামিউল ইসলাম বলেন, এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে এডমিট কার্ড জাল করা একটি ফৌজদারি অপরাধ। পরীক্ষার মতো গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় এ ধরনের প্রতারণা ক্ষমার অযোগ্য। ভবিষ্যতে এ ধরনের কাজে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

কসবায় ভুয়া প্রবেশপত্রে এইচএসসি পরীক্ষার চেষ্টা, দুজনকে ৪০ হাজার টাকা জরিমানা

পাঁচ বছর আগে ঢাকার মহাখালী এলাকায় দ্বিতীয় বিয়ে করায় স্বামীকে হত্যার পর মরদেহ ৬ টুকরো করার দায়ে স্ত্রী ফাতেমা বেগম ওরফে শিল্পীকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

 

আজ বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) ঢাকার ১৬তম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ নাজমুন নাহার নিপু এ রায় দেন।

 

২০২১ সালে ঢাকার মহাখালী এলাকায় চাঞ্চল্যকর এ হত্যাকাণ্ডটি ঘটে। এই ঘটনায় তখন বেশ আলোচনাও হয়। অভিযোগ অনুযায়ী, দ্বিতীয় বিয়ে করাকে কেন্দ্র করে স্বামীকে হত্যা করেন স্ত্রী ফাতেমা বেগম ওরফে শিল্পী। পরে হত্যার ঘটনা গোপন করতে মরদেহ ৬ টুকরো করে বিভিন্ন স্থানে ফেলে দেওয়া হয়। মরদেহের ছয় টুকরার মধ্যে মূল দেহটি পড়ে ছিল মহাখালীর আমতলী সড়কে। দুই হাত ও দুই পা পুলিশ উদ্ধার করে মহাখালীর এনা বাস কাউন্টারের সামনের সড়ক থেকে। আর মরদেহের মাথা উদ্ধার করা হয় বনানী-১১ নম্বরের লেক থেকে। পরে প্রথম স্ত্রী ফাতেমা বেগম ওরফে শিল্পীকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

 

মামলার তদন্ত শেষে পুলিশ আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে। সাক্ষ্য-প্রমাণ ও যুক্তিতর্ক শেষে আদালত অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আসামি ফাতেমা বেগম ওরফে শিল্পীকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেন।

 

রাষ্ট্রপক্ষ বলছে, উপস্থাপিত সাক্ষ্য-প্রমাণ ও পারিপার্শ্বিক আলামতের ভিত্তিতে আসামির বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে।

দ্বিতীয় বিয়ে করায় স্বামীকে হত্যার পর ৬ টুকরো, স্ত্রীকে মৃত্যুদণ্ড

২০২৬ সালের উচ্চ মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষার বাংলা বিষয়ের পরীক্ষায় সারাদেশে ২৪ হাজার ৭৮৪ জন পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিলেন। একইসঙ্গে অসদুপায় অবলম্বনের দায়ে ৭ জন পরীক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি।

 

বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানান।

 

প্রথম দিনের পরীক্ষায় ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের অধীনে বাংলা (আবশ্যিক) প্রথম পত্র পরীক্ষায় নিবন্ধিত ৮ লাখ ৫৬ হাজার ৯৭ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৮ লাখ ৩৮ হাজার ৮৬৪ জন অংশ নেন। অনুপস্থিত ছিলেন ১৭ হাজার ২৩৩ জন, যা মোট পরীক্ষার্থীর ২ দশমিক ০১ শতাংশ।

 

বোর্ডভিত্তিক অনুপস্থিত পরীক্ষার্থীর সংখ্যা হলো— ঢাকা বোর্ডে ৩ হাজার ৯৭১ জন, রাজশাহী বোর্ডে ২ হাজার ৪৬৭ জন, কুমিল্লা বোর্ডে ১ হাজার ৭৯৫ জন, যশোর বোর্ডে ২ হাজার ৭৮ জন, চট্টগ্রাম বোর্ডে ১ হাজার ৩৪০ জন, সিলেট বোর্ডে ১ হাজার ১২৭ জন, বরিশাল বোর্ডে ১ হাজার ৩৪৬ জন, দিনাজপুর বোর্ডে ১ হাজার ৯৩৭ জন এবং ময়মনসিংহ বোর্ডে ১ হাজার ১৮২ জন।

 

অসদুপায়ের দায়ে ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের মধ্যে কুমিল্লা বোর্ডে ১ জন, যশোর বোর্ডে ২ জন, দিনাজপুর বোর্ডে ১ জন এবং ময়মনসিংহ বোর্ডে ১ জনসহ মোট ৫ জন পরীক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়েছে। তবে কোনো পরিদর্শককে বহিষ্কার করা হয়নি।

 

অন্যদিকে, মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে কুরআন মাজিদ পরীক্ষায় ৮০ হাজার ৬৫৩ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেন। এ বোর্ডে ৪ হাজার ৪৭৮ জন পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিলেন এবং অসদুপায়ের দায়ে ১ জনকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

 

এদিকে, কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে বাংলা-২ পরীক্ষায় অংশ নেন ৮০ হাজার ৬০৩ জন পরীক্ষার্থী। এ বোর্ডে অনুপস্থিত ছিলেন ৩ হাজার ৭৩ জন এবং অসদুপায়ের দায়ে ১ জন পরীক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

 

এছাড়া ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে দেশের বাইরেও ৮টি কেন্দ্রে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

 

প্রসঙ্গত, চলতি বছর সারাদেশে সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ১ হাজার ৬২০টি কেন্দ্রে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এছাড়া মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ৪৬০টি এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ৬১১টি কেন্দ্রে পরীক্ষা নেওয়া হচ্ছে।

এইচএসসির প্রথম পরীক্ষায় অনুপস্থিত ২৪,৭৮৪ জন, বহিষ্কার ৭

অবৈধ দোকানের দখলে ঐতিহ্যবাহী নীলফামারীর বড় মাঠ, সংকুচিত হচ্ছেন বড় ক্রীড়াঙ্গন

মাইদুল ইসলাম: (জেলা প্রতিনিধি নীলফামারী)

এক সময় জেলার

ক্রীড়াচর্চার প্রাণকেন্দ্র ছিল নীলফামারী শহরের ঐতিহ্যবাহী বড় মাঠ। ভোর থেকে রাত পর্যন্ত এখানে হাঁটাহাঁটি ক্রিকেট ফুটবল, ভলিবল কাবাডি ও বিভিন্ন

ক্রীড়া আয়োজনের মধ্যে মুখর থাকত পুরো এলাকা। কিন্তু এখন সেই মাঠের একাংশ গড়ে উঠেছে শতাধিক অবৈধ দোকান। ফলে দিন দিন হারিয়ে যাচ্ছে মাঠের উন্মুক্ত পরিবেশ , সংকুচিত হচ্ছে খেলাধুলার পরিসর। সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, মাঠের একপাশ জুড়ে সারিবদ্ধভাবে বসানো হয়েছে বিভিন্ন অস্থায়ী দোকান চা, ফাস্টফুড,

পান- সিগারেটসহ নানা ধরনের ব্যবসা চলছে সেখানে। দোকানগুলোর কারণে মাঠের উল্লেখযোগ্য অংশ দখল হয়ে গেছে। সেখানে একসময় ভলিবল ও কাবাডি খেলা হত, সেখানে এখন আর খেলাধুলার সুযোগ নেই। দুটি ক্রিকেট মাঠের মধ্যে একটি কার্যত ব্যবহারের অযোগ্য হয়ে পড়েছে। বিকেলে মাঠে অনুশীলনে আসা খেলোয়ারদের মধ্যে দেখা যায় হতাশা। একটি মাঠ ক্রিকেট পিচে একাধিক দলকে অনুশীলন করতে

হওয়ায় সৃষ্টি হয় ভিড় ও ভিড় ও সময় সংকট অনেকেই অনুশীলন না করে ফিরে যাচ্ছেন। স্থানীয়দের অভিযোগ, অবৈধ দোকান গুলোর কারণে প্রতিদিন মাঠে জমছে প্লাস্টিক, খাবারের উচ্ছিষ্ট ও নানা ধরনের ময়লা ও আবর্জনা। এতে মাঠের সৌন্দর্য নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি দর্শনার্থীদের চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি হয়। দীর্ঘদিন ধরে এভাবে দখল চললেও কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। সাবেক ক্রিকেট খেলোয়ার আব্দুস সালাম বাবলা বলেন,’এই মাঠ থেকেই জেলার অনেক খেলোয়াড় উঠে এসেছে। এখন মাঠের বড় একটি অংশ অবৈধ দোকানের দখলে। এতে খেলাধুলার পরিবেশ নষ্ট হয়েছে। ক্রীড়াঙ্গনের স্বার্থে দ্রুত এসব দোকান উচ্ছেদ করা দরকার।” ক্রিকেট খেলোয়ার সোহাগ আলী বলেন, আগে দুটি ক্রিকেট পিচ ব্যবহার করা যেত। এখন একটি কার্যত দখলে চলে গেছে। কোন টুর্নামেন্ট চললে অনুশীলনের জন্য আর জায়গা থাকে না। মাঠ দখলমুক্ত হলে খেলোয়াড়রা স্বাভাবিকভাবে অনুশীলন করতে পারবে।”আরেক খেলোয়াড় নাজমুস সাকিব

জুন বলেন,”বড় মাঠ শুধু খেলোয়াড়দের নয় পুরো জেলার মানুষের সম্পদ। অবৈধ দোকান উচ্ছেদ করা হলে মাঠের পরিবেশ ফিরে আসবে এবং নতুন প্রজন্ম খেলাধুলার সুযোগ পাবে।’এ বিষয়ে জেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য আবু মোহাম্মদ সোয়েম বলেন,”অবৈধ দোকান উচ্ছেদের বিষয়টি নিয়ে জেলা প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। প্রথমে দোকানিদের নোটিশ দিয়ে স্বেচ্ছায় সরে যাওয়ার জন্য সময় দেওয়া হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তারা স্থান ত্যাগ না করলে আইনানুক ব্যবস্থা নিয়ে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হবে।”জেলা ক্রীড়াপ্রেমী ও সচেতন নাগরিকদের প্রত্যাশা, নীলফামারীর ঐতিহ্যবাহী বড় মাঠকে অবৈধ দখলমুক্ত করে আবারও খেলাধুলা ও বিনোদনের উন্মুক্ত পরিবেশ ফিরিয়ে আনা হবে। কারণ একটি মাঠ শুধু খেলাধুলার স্থান নয়, এটি একটি জেলার সুস্থ প্রজন্ম গড়ে তোলার অন্যতম ভিত্তি।

অবৈধ দোকানের দখলে ঐতিহ্যবাহী নীলফামারীর বড় মাঠ, সংকুচিত হচ্ছেন বড় ক্রীড়াঙ্গন

স্টাফ রিপোর্টার

তানিন পিয়াস চৌধুরী

তাং:০২/০৭/২০২৬

 

হেডলাইন:নড়াইলে গাছে বেঁধে নির্যাতন প্রতিবন্ধী যুবকের মৃত্যু।

 

নড়াইল সদর উপজেলায় চোর সন্দেহে গাছে বেঁধে নির্যাতন করা সেই মানসিক প্রতিবন্ধী যুবক আনোয়ার হোসেন (৩২) খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন।

 

বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) সকালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় খুলনাতে তিনি মারা যান।

নড়াইল সদর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) অজয় কুমার কুন্ডু বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

 

আনোয়ার উপজেলার বাঁশগ্রাম ইউনিয়নের বাঁশগ্রামের মৃত কাওসার মোল্যার ছেলে।

 

মামলার এজাহার ও পরিবারের সদস্যদের ভাষ্য অনুযায়ী, আনোয়ার মানসিক প্রতিবন্ধী। গত ২৪ জুন সকালে তিনি বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর আর ফেরেননি। পরদিন সকালে পরিবারের সদস্যরা নড়াইল জেলা হাসপাতালে গিয়ে তাকে গুরুতর আহত অবস্থায় চিকিৎসাধীন দেখতে পান।

 

মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, উপজেলার গোবরা মালোপাড়া এলাকার প্রসেনজিৎ বিশ্বাস, সৌরভ বিশ্বাস, অপূর্ব বিশ্বাস, আকাশ বিশ্বাস ও হৃদয় বিশ্বাসসহ কয়েকজন আনোয়ারকে চুরির অভিযোগে ধরে নিয়ে যান। পরে তাকে একটি গাছের সঙ্গে বেঁধে রাতভর মারধর করা হয়। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয় এক ইউপি সদস্যের মাধ্যমে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে তাকে উদ্ধার করে নড়াইল জেলা হাসপাতালে ভর্তি করেন। পরে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়।

 

নড়াইল থেকে

তানিন পিয়াস চৌধুরী

গন টেলিভিশন

নড়াইলে গাছে বেঁধে নির্যাতন প্রতিবন্ধী যুবকের মৃত্যু

বিশ্বকাপের নকআউট পর্বের লড়াই সামনে রেখে শেষ মুহূর্তে ভ্রমণসূচিতে পরিবর্তন এনেছে আর্জেন্টিনা। মূল পরিকল্পনা বদলে বুধবার কানসাসে শেষ অনুশীলন সেরে বিকেলেই মায়ামির উদ্দেশে রওনা হয়েছে লিওনেল স্কালোনির দল। শুক্রবার শেষ ৩২-এর ম্যাচে হার্ড রক স্টেডিয়ামে তাদের প্রতিপক্ষ কেপ ভার্দে।

 

আর্জেন্টিনা সময় দুপুর ১টায় অনুষ্ঠিত অনুশীলনটি ছিল পুরোপুরি বন্ধ দরজার আড়ালে। নতুন ভেন্যুতে যাওয়ার আগে এটিই ছিল দলের শেষ সেশন, যেখানে সম্ভাব্য একাদশ চূড়ান্ত করার সুযোগ পান স্কালোনি। স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৬টায় কানসাস সিটি থেকে মায়ামির উদ্দেশে উড়াল দেওয়ার কথা থাকলেও, ফ্লাইটে বিলম্ব হওয়ায় নির্ধারিত সময়ের এক ঘণ্টারও বেশি পরে যাত্রা করে দলটি।

 

প্রাথমিক সূচি অনুযায়ী, ম্যাচের আগের দিন মায়ামিতে যাওয়ার কথা ছিল আর্জেন্টিনার। তবে শেষ পর্যন্ত কানসাসেই আরও একটি অনুশীলন করার সিদ্ধান্ত নেয় কোচিং স্টাফ। টুর্নামেন্টজুড়ে অনুসরণ করা রুটিন বজায় রাখতেই এই পরিবর্তন আনা হয়েছে। এর ফলে ফুটবল প্রস্তুতি শেষ করেই কেবল ভেন্যু পরিবর্তন করেছে বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।

 

বৃহস্পতিবার মায়ামিতে শেষ অনুশীলন করবে স্কালোনির দল। এরপর শুক্রবার হার্ড রক স্টেডিয়ামে মাঠে নামবে আর্জেন্টিনা। এই স্টেডিয়ামটি দলের জন্য বিশেষ স্মৃতিবহ, কারণ এখানেই তারা অতীতে গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক শিরোপা জয়ের আনন্দ উদযাপন করেছিল।

 

একাদশে তিনটি ধোঁয়াশা

 

শুক্রবারের ম্যাচের আগে আর্জেন্টিনার সম্ভাব্য একাদশ নিয়ে এখনো তিনটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত বাকি রয়েছে। মঙ্গলবারের অনুশীলনে এ বিষয়ে কোনো ইঙ্গিত দেননি স্কালোনি। সংবাদমাধ্যমের জন্য উন্মুক্ত সময়ে সম্ভাব্য একাদশের খেলোয়াড়দের সঙ্গে বিকল্পদেরও একই দলে রেখে অনুশীলন করান তিনি।

 

বাম-ব্যাকে লড়াই হচ্ছে নিকোলাম তাগলিয়াফিকো ও ফকুন্দো মেদিনার মধ্যে। সেন্টার-ব্যাকে ইনজুরি কাটিয়ে ক্রিশ্চিয়ানো রোমেরো ফিরতে পারবেন কি না, সেটিই বড় প্রশ্ন। তিনি পুরোপুরি ফিট না হলে আবারও একাদশে থাকবেন নিকোলাস ওতামেনদি।

 

আক্রমণভাগে লিওনেল মেসির সঙ্গী কে হবেন, তা নিয়েও সিদ্ধান্ত হয়নি। এই জায়গায় লড়াই চলছে লাওতারো মার্তিনেজ ও হুলিয়ান আলভারেজের মধ্যে। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে লাউতারোই কিছুটা এগিয়ে রয়েছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

 

অন্যদিকে, কোচিং স্টাফ যদি মনে করে রোমেরো পুরোপুরি সুস্থ, তাহলে টটেনহ্যামের এই ডিফেন্ডার একাদশে ফিরবেন। একইভাবে ইনজুরি কাটিয়ে ফেরার পর টালিয়াফিকোরও শুরুর একাদশে থাকার স

ম্ভাবনা উজ্জ্বল।

কৌশলে পরিবর্তন, অনুশীলন শেষে মায়ামির পথে আর্জেন্টিনা

র‌্যাবের চৌকস অভিযানে জীপসহ প্রায় ১১ হাজার ইয়াবার চালান আটক

জামালপুর হামলা পাল্টা হামলার মধ্য দিয়ে জেলার সানন্দবাড়ী তে থমথমে অবস্থা বিরাজমান।

খেলাধুলা

ফুটবলে প্রতিদ্বন্দ্বিতার কথা উঠলেই সবার আগে আসে লিওনেল মেসি ও ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর নাম। জাতীয় দল কিংবা বিশ্বকাপ মঞ্চে আর্জেন্টিনা-ব্রাজিল দ্বৈরথও বরাবরই আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকে। তবে এবার বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে অপেক্ষা করছে ভিন্ন এক আবেগের লড়াই– রোনালদো বনাম লুকা মদ্রিচ।

 

আগামীকাল শুক্রবার (৩ জুলাই) বাংলাদেশ সময় ভোর ৫টায় টরন্টোতে মুখোমুখি হবে এই দুই তারকা।

 

বিশ্বকাপের রাউন্ড অব ৩২-এ পর্তুগালের মুখোমুখি হতে যাচ্ছে ক্রোয়েশিয়া। এটি হতে পারে ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম সেরা দুই তারকার শেষ বিশ্বকাপ দ্বৈরথ।

 

ক্লাব ফুটবলে একসময় একই ড্রেসিংরুম ভাগাভাগি করেছেন রোনালদো ও মদ্রিচ। রিয়াল মাদ্রিদের জার্সিতে চ্যাম্পিয়নস লিগ, ক্লাব বিশ্বকাপ, লা লিগাসহ ইউরোপিয়ান ফুটবলের প্রায় সব বড় ট্রফিই উঠেছে তাদের হাতে। মাঠে একজন ছিলেন গোলের কারিগর, অন্যজন প্লেমেকার বা মাঝমাঠের নিয়ন্ত্রক।

 

তবে এই দুই কিংবদন্তির ক্যারিয়ারে একটি বড় অপূর্ণতা রয়ে গেছে বিশ্বকাপ ট্রফি ছুঁয়ে দেখার স্বপ্ন। বয়সের বিবেচনায় এটিই হতে পারে দুজনের শেষ বিশ্বকাপ (যদিও আনুষ্ঠানিকভাবে অবসরের কথা কেউই বলেননি)। তাই এই ম্যাচ শুধু নকআউট পর্বের একটি লড়াই নয়, দুই কিংবদন্তির স্বপ্ন বাঁচিয়ে রাখারও চ্যালেঞ্জ।

 

ম্যাচ শেষে একজন এগিয়ে যাবেন বিশ্বকাপ ট্রফি জয়ের স্বপ্ন নিয়ে। আরেকজনকে হয়তো শেষবারের মতো অলিখিতভাবেই বিদায় জানানো হবে বিশ্বকাপ মঞ্চ থেকে।

 

তাই নিশ্চিত বলা যায়, ফুটবলপ্রেমীরা শুধু দুদলের লড়াইই দেখবে না বরং তাদের চোখ থাকবে রোনালদো ও মদ্রিচের শেষ বিশ্বকাপ অধ্যায়ের দিকেই।

 

রোনালদো নাকি মদ্রিচ, কাকে বিদায় জানাবে বিশ্বকাপ

বিশ্বকাপের নকআউট পর্বের লড়াই সামনে রেখে শেষ মুহূর্তে ভ্রমণসূচিতে পরিবর্তন এনেছে আর্জেন্টিনা। মূল পরিকল্পনা বদলে বুধবার কানসাসে শেষ অনুশীলন সেরে বিকেলেই মায়ামির উদ্দেশে রওনা হয়েছে লিওনেল স্কালোনির দল। শুক্রবার শেষ ৩২-এর ম্যাচে হার্ড রক স্টেডিয়ামে তাদের প্রতিপক্ষ কেপ ভার্দে।

 

আর্জেন্টিনা সময় দুপুর ১টায় অনুষ্ঠিত অনুশীলনটি ছিল পুরোপুরি বন্ধ দরজার আড়ালে। নতুন ভেন্যুতে যাওয়ার আগে এটিই ছিল দলের শেষ সেশন, যেখানে সম্ভাব্য একাদশ চূড়ান্ত করার সুযোগ পান স্কালোনি। স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৬টায় কানসাস সিটি থেকে মায়ামির উদ্দেশে উড়াল দেওয়ার কথা থাকলেও, ফ্লাইটে বিলম্ব হওয়ায় নির্ধারিত সময়ের এক ঘণ্টারও বেশি পরে যাত্রা করে দলটি।

 

প্রাথমিক সূচি অনুযায়ী, ম্যাচের আগের দিন মায়ামিতে যাওয়ার কথা ছিল আর্জেন্টিনার। তবে শেষ পর্যন্ত কানসাসেই আরও একটি অনুশীলন করার সিদ্ধান্ত নেয় কোচিং স্টাফ। টুর্নামেন্টজুড়ে অনুসরণ করা রুটিন বজায় রাখতেই এই পরিবর্তন আনা হয়েছে। এর ফলে ফুটবল প্রস্তুতি শেষ করেই কেবল ভেন্যু পরিবর্তন করেছে বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।

 

বৃহস্পতিবার মায়ামিতে শেষ অনুশীলন করবে স্কালোনির দল। এরপর শুক্রবার হার্ড রক স্টেডিয়ামে মাঠে নামবে আর্জেন্টিনা। এই স্টেডিয়ামটি দলের জন্য বিশেষ স্মৃতিবহ, কারণ এখানেই তারা অতীতে গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক শিরোপা জয়ের আনন্দ উদযাপন করেছিল।

 

একাদশে তিনটি ধোঁয়াশা

 

শুক্রবারের ম্যাচের আগে আর্জেন্টিনার সম্ভাব্য একাদশ নিয়ে এখনো তিনটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত বাকি রয়েছে। মঙ্গলবারের অনুশীলনে এ বিষয়ে কোনো ইঙ্গিত দেননি স্কালোনি। সংবাদমাধ্যমের জন্য উন্মুক্ত সময়ে সম্ভাব্য একাদশের খেলোয়াড়দের সঙ্গে বিকল্পদেরও একই দলে রেখে অনুশীলন করান তিনি।

 

বাম-ব্যাকে লড়াই হচ্ছে নিকোলাম তাগলিয়াফিকো ও ফকুন্দো মেদিনার মধ্যে। সেন্টার-ব্যাকে ইনজুরি কাটিয়ে ক্রিশ্চিয়ানো রোমেরো ফিরতে পারবেন কি না, সেটিই বড় প্রশ্ন। তিনি পুরোপুরি ফিট না হলে আবারও একাদশে থাকবেন নিকোলাস ওতামেনদি।

 

আক্রমণভাগে লিওনেল মেসির সঙ্গী কে হবেন, তা নিয়েও সিদ্ধান্ত হয়নি। এই জায়গায় লড়াই চলছে লাওতারো মার্তিনেজ ও হুলিয়ান আলভারেজের মধ্যে। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে লাউতারোই কিছুটা এগিয়ে রয়েছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

 

অন্যদিকে, কোচিং স্টাফ যদি মনে করে রোমেরো পুরোপুরি সুস্থ, তাহলে টটেনহ্যামের এই ডিফেন্ডার একাদশে ফিরবেন। একইভাবে ইনজুরি কাটিয়ে ফেরার পর টালিয়াফিকোরও শুরুর একাদশে থাকার স

ম্ভাবনা উজ্জ্বল।

কৌশলে পরিবর্তন, অনুশীলন শেষে মায়ামির পথে আর্জেন্টিনা

ইতিহাস বলছে, নরওয়ের বিপক্ষে এখনো কোনো ম্যাচ জিততে পারেনি ব্রাজিল। তবে অতীতের সেই পরিসংখ্যানকে সামনে এনে বাড়তি আত্মবিশ্বাস দেখাতে রাজি নন নরওয়ের তারকা স্ট্রাইকার আরলিং হালান্ড। বরং তার মতে, বর্তমান ব্রাজিলকে হারানো মোটেও সহজ নয়।

 

আগামী ৫ জুলাই বিশ্বকাপের শেষ ষোলোতে মুখোমুখি হবে ব্রাজিল ও নরওয়ে। ম্যাচকে সামনে রেখে সংবাদ সম্মেলনে প্রতিপক্ষ সম্পর্কে প্রশ্ন করা হলে বাস্তবতাকেই গুরুত্ব দেন ম্যানচেস্টার সিটির এই গোলমেশিন। ব্রাজিলকে হারানোর সম্ভাবনা সম্পর্কে হালান্ডের স্পষ্ট জবাব, “সম্ভাবনা খুবই ক্ষীণ।”

 

দুই দলের মুখোমুখি লড়াইয়ের ইতিহাস অবশ্য নরওয়ের পক্ষেই কথা বলে। ১৯৮৮ সালে প্রথম প্রীতি ম্যাচে দেখা হওয়ার পর ১৯৯৭ সালের আরেকটি প্রীতি ম্যাচ এবং ১৯৯৮ সালের বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে ব্রাজিলকে হারিয়েছিল নরওয়ে। বিশেষ করে ফ্রান্স বিশ্বকাপের সেই ২-১ গোলের জয় আজও দেশটির ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম স্মরণীয় অধ্যায়। সর্বশেষ ২০০৬ সালের প্রীতি ম্যাচটি ১-১ গোলে ড্র হয়। ফলে চার দেখায় দুটি জয় ও দুটি ড্র নিয়ে এখনো ব্রাজিলের বিপক্ষে অপরাজিত নরওয়ে।

 

তবে সেই পরিসংখ্যানকে খুব বেশি গুরুত্ব দিতে নারাজ হালান্ড। তার মতে, বর্তমানের ব্রাজিল আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে শক্তিশালী এবং তাদের বিপক্ষে কঠিন পরীক্ষাই অপেক্ষা করছে।

 

হালান্ড বলেন, “আমরা শেষ ষোলোতে উঠেছি। এখান থেকে প্রতিটি প্রতিপক্ষই দুর্দান্ত। তাই সামনে পথটা মোটেও সহজ নয়। পরের ধাপে যাওয়া খুব কঠিন হবে। আমরা পারব কি না, সেটাও নিশ্চিত নই। তবে আমরা ভালোভাবে প্রস্তুতি নিয়েছি এবং সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নিয়েই মাঠে নামব।”

 

১৯৯৮ সালের পর এই প্রথম বিশ্বকাপের মূল পর্বে খেলছে নরওয়ে। দীর্ঘ ২৮ বছরের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে শুধু বিশ্বকাপে ফেরা নয়, এবার জায়গা করে নিয়েছে শেষ ষোলোতেও। তাই এই অর্জনকেই সবচেয়ে বড় সাফল্য হিসেবে দেখছেন দলের অধিনায়ক হালান্ড।

 

আবেগঘন কণ্ঠে তিনি বলেন, “এটা আমাদের জন্য ইতিহাস। অনুভূতিটা সত্যিই অবিশ্বাস্য। ২৮ বছর পর আমরা আবার বিশ্বকাপে খেলছি, গ্রুপ পর্ব পেরিয়ে এখন নকআউটে উঠেছি। এবার নিউইয়র্কে ব্রাজিলের মুখোমুখি হতে যাচ্ছি। এখন থেকে যা-ই অর্জন হবে, সেটাই আমাদের জন্য বাড়তি প্রাপ্তি।”

নরওয়ের পক্ষে ব্রাজিলকে হারানো সম্ভব কি না প্রশ্নে সোজাসাপ্টা উত্তর হালান্ডের

২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের ‘রাউন্ড অব ৩২’-এর নকআউট মঞ্চে বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনার মুখোমুখি হতে যাচ্ছে এবারের আসরের সবচেয়ে বড় চমক কেপ ভার্দে। কাগজে-কলমে লিওনেল স্কালোনির দল এই ম্যাচে শতভাগ ফেভারিট হলেও, মাঠের লড়াই শুরুর আগেই এক অবিশ্বাস্য ও অদ্ভুত ভবিষ্যদ্বাণী করে পুরো ফুটবল বিশ্বকে তোলপাড় করে দিয়েছেন দূরপ্রাচ্যের দেশ ইস্ট তিমুরের প্রেসিডেন্ট হোসে মানুয়েল রামোস-হোর্তা।

 

আর্জেন্টিনা বা কেপ ভার্দে কোনো দেশের রাষ্ট্রপ্রধান না হয়েও আফ্রিকান দলটির প্রতি এক অন্ধ বিশ্বাস, অটল আস্থা ও কিছু অদ্ভুত বৈজ্ঞানিক ও আধ্যাত্মিক যুক্তি দাঁড় করিয়ে ভাইরাল হয়েছেন এই নোবেলজয়ী রাষ্ট্রপ্রধান। তার সোজাসাপ্টা দাবি, এই নকআউট ম্যাচেই চলতি বিশ্বকাপে লিওনেল মেসি তার প্রথম পরাজয়ের স্বাদ পেতে যাচ্ছেন এবং বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টাইনরা কোনোভাবেই রুখতে পারবে না কেপ ভার্দেকে।

 

খেলোয়াড়দের খাদ্যাভ্যাস থেকে শুরু করে ভৌগোলিক প্রতিকূলতা কেপ ভার্দে কেন জিতবে, তার ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে খুঁটিনাটি কোনো কিছুই বাদ দেননি তিমুরিজ প্রেসিডেন্ট রামোস-হোর্তা। তিনি বলেন, কঠোর খাদ্যাভ্যাসের কারণে কেপ ভার্দিয়ানদের এক অতুলনীয় শারীরিক ও আধ্যাত্মিক গঠন রয়েছে। তাদের এই বিশেষ ডায়েটে থাকে কাচুপা, যা মূলত ভুট্টা, শিম, মাংস এবং অন্যান্য অনেক প্রোটিনের এক জাদুকরী মিশ্রণ।

 

এছাড়া রুক্ষ প্রকৃতির প্রতিকূলতার মধ্য দিয়ে লড়াই করে তাদের মধ্যে এক অসাধারণ সহনশীলতা গড়ে উঠেছে। শুধু শারীরিক গঠন বা পুষ্টিগুণ দিয়েই নিজের যুক্তি শেষ করেননি তিনি, টেনে এনেছেন তাদের অনন্য সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় পরিচয়ও। তার মতে, কেপ ভার্দিয়ানরা খুব ধার্মিক। ক্যাথলিজম ও আফ্রিকান আধ্যাত্মিক প্রথার সমন্বয় থেকে তাদের এই বিশ্বাস গড়ে উঠেছে। তাই সব ঈশ্বরের আশীর্বাদ এই দলটির সঙ্গে আছে।

 

বক্তব্যের শুরু থেকেই কেপ ভার্দের পক্ষে ওকালতি করা এই প্রেসিডেন্ট নিজের অবস্থান পরিষ্কার করে আরও যোগ করেন, কেপ ভার্দে ইতোমধ্যেই জিতে গেছে। এবারের বিশ্বকাপে অবশ্য তিন ম্যাচ খেলে এখন পর্যন্ত হারেনি কেপ ভার্দে। স্পেন, উরুগুয়ে আর সৌদি আরবের মতো কঠিন গ্রুপে পড়েও তিন তিনটি লড়াকু ড্র নিয়ে শেষ ৩২-এ উঠে এসে ইতোমধ্যেই ইতিহাস গড়েছে আফ্রিকার এই পুচকে দলটি। তবে এবার সামনে ফুটবল কিংবদন্তি লিওনেল মেসি ও ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা। বাংলাদেশ সময় আগামী শনিবার ভোর ৪টায় শুরু হবে এই রোমাঞ্চকর মাঠের যুদ্ধ

কেপ ভার্দের বিপক্ষে পরাজয়ের মুখ দেখবে মেসি : হোসে মানুয়েল রামোস-হোর্তা

২০২৬ বিশ্বকাপের শেষ ষোলোর ম্যাচে ব্রাজিলের বিপক্ষে লড়াইকে কঠিন বলেই মনে করছেন নরওয়ের তারকা স্ট্রাইকার আর্লিং হালান্ড। নিজের দলকে এগিয়ে রাখার বদলে ব্রাজিলকেই এই ম্যাচের ফেবারিট হিসেবে দেখছেন তিনি। একই সঙ্গে স্বীকার করেছেন, পরের ধাপে ওঠার সম্ভাবনা নরওয়ের খুব বেশি নেই।

 

আগামী রবিবার যুক্তরাষ্ট্রের নিউ জার্সিতে বিশ্বকাপের শেষ ষোলোর ম্যাচে মুখোমুখি হবে ব্রাজিল ও নরওয়ে। আইভরি কোস্টকে ২-১ গোলে হারিয়ে নকআউট পর্ব নিশ্চিত করার পর ফিফাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ব্রাজিল ম্যাচ নিয়ে নিজের ভাবনা তুলে ধরেন হালান্ড।

 

সাক্ষাৎকারে তাকে জিজ্ঞেস করা হয়, ব্রাজিলের বিপক্ষে নরওয়ের সম্ভাবনা কতটা। জবাবে ম্যানচেস্টার সিটির এই স্ট্রাইকার সংক্ষেপে বলেন, ‘খুবই কম।’

 

ব্রাজিলের বিপক্ষে ম্যাচ নিয়ে কথা বলতে গিয়ে হালান্ড আরও বলেন, ‘শেষ ষোলোতে ব্রাজিলের বিপক্ষে খেলতে হবে। আমাদের সেই চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতেই হবে, তাই না?’

 

যদিও ইতিহাস নরওয়ের পক্ষেই রয়েছে। কারণ, এ পর্যন্ত ব্রাজিল কখনোই নরওয়েকে হারাতে পারেনি। তবে অতীতের পরিসংখ্যান নয়, বর্তমান বাস্তবতাকেই বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন হালান্ড।

 

আইভরি কোস্টকে বিদায় করার পর ডালাস স্টেডিয়ামে উৎসবে মেতে ওঠেন নরওয়ের সমর্থকেরা। গ্যালারিজুড়ে শুরু হয় উদযাপন। পরে খেলোয়াড়েরাও সেই আনন্দে যোগ দেন। মিডফিল্ডার মার্টিন ওদেগারের বাজানো ঢোলের তালে মাঠে বসে ঐতিহ্যবাহী ‘ভাইকিং রোয়িং’ উদযাপন করেন তারা।

 

সমর্থকদের উচ্ছ্বাস নিয়ে হালান্ড বলেন, ‘অবশ্যই নরওয়ের মানুষ এখন দারুণ উচ্ছ্বসিত। আমাদের দল এবং পুরো দেশের এই ঐক্য আমাদের পারফরম্যান্স আরও ভালো করতে সাহায্য করে।’

 

তবে নকআউট পর্ব নিয়ে কোনো বাড়তি আত্মবিশ্বাস দেখাতে চাননি তিনি।

 

হালান্ড বলেন, ‘এখন আমরা শেষ ষোলোতে খেলব। সেখানে দারুণ সব দল আছে এবং কাজটা সহজ হবে না। পরের ধাপে ওঠা কঠিন হবে। সহজ হবে না। আমরা পারব কি না, সেটাও জানি না। আমরা খুব ভালো প্রস্তুতি নিয়েছি এবং এখনও পুরোপুরি প্রস্তুত আছি।’

 

বর্তমান সময়ে নরওয়ের ফুটবলের সবচেয়ে বড় তারকা হালান্ড। বিশ্বের অন্যতম সেরা গোলদাতাদের একজন তিনি। ইউরোপিয়ান বাছাইপর্বে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করে ২৮ বছর পর নরওয়েকে আবার বিশ্বকাপে ফিরিয়ে আনার অন্যতম নায়কও ছিলেন এই স্ট্রাইকার।

 

১৯৯৮ সালের পর এবারই প্রথম বিশ্বকাপে খেলছে নরওয়ে। চলতি আসরেও দুর্দান্ত ছন্দে আছেন হালান্ড। এখন পর্যন্ত পাঁচটি গোল করে তিনি দলের আক্রমণভাগের সবচেয়ে বড় ভরসা হয়ে উঠেছেন।

শেষ ষোলো সহজ হবে না – আমরা পারব কি না, সেটাও জানি

২০২৬ বিশ্বকাপের রাউন্ড অব থার্টি টু-এর ম্যাচে ইকুয়েডরের বিপক্ষে ২-০তে এগিয়ে থেকে প্রথমার্ধ শেষ করেছে মেক্সিকো। বুধবার (১ জুলাই) বাংলাদেশ সময় সকাল ৭টায় মেক্সিকো-ইকুয়েডর ম্যাচটি শুরু হওয়ার কথা থাকলেও বৈরী আবহাওয়ায় ১ ঘণ্টা দেরিতে শুরু হয়।

 

ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক খেলতে থাকে স্বাগতিক মেক্সিকো। ম্যাচের ২২ মিনিটে হুলিয়ান কুইনোনসের গোলে এগিয়ে যায় স্বাগতিকরা। তার করা বুলেট গতির শট ইকুয়েডরের গোলরক্ষকের চোখের সামনে দিয়ে জালে জড়ায়।

 

এরপর, ম্যাচের ৩১ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন মেক্সিকোর ফরোয়ার্ড রাউল হিমেনেজ। এদিকে, ইকুয়েডরও কয়েকটি আক্রমণ চালিয়ে মেক্সিকোর গোল মুখে, যদিও তা সাফল্যের মুখ দেখেনি।

 

শেষ পর্যন্ত ২-০ গোলের লিড নিয়ে প্রথমার্ধ শেষ করে বিরতিতে যায় স্বাগতিকরা।

২-০তে এগিয়ে থেকে প্রথমার্ধ শেষ করলো মেক্সিকো

বিস্তারিত....

বিনোদন

আজ ২৫শে বৈশাখ। বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬৫ তম আবির্ভাব দিবস। ১২৬৮ বঙ্গাব্দের ২৫ শে বৈশাখ, কলকাতার জোড়াসাঁকো ঠাকুরবাড়িতে জন্ম বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের উৎকর্ষের অন্যতম এই নায়কের। তিনি অনন্য সব সৃষ্টি গল্প, কবিতা, উপন্যাস, ছোটগল্প ও অসংখ্য গানের মধ্য দিয়ে বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃতিকে পৌঁছে দিয়েছেন বিশ্বের কাছে।

 

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের মা সারদাসুন্দরী দেবী এবং বাবা ব্রাহ্ম ধর্মগুরু দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর। তিনি কবিতা লেখা শুরু করেন আট বছর বয়সে। ১৮৯১ সাল থেকে বাবার আদেশে নদিয়া, পাবনা, রাজশাহী ও ওড়িশার জমিদারি তদারকি শুরু করেন। কুষ্টিয়ার শিলাইদহের কুঠিবাড়িতে তিনি দীর্ঘসময় অতিবাহিত করেন। ১৯০১ সালে সপরিবারে চলে আসেন বীরভূমের বোলপুর শহরের উপকণ্ঠে শান্তিনিকেতনে। তার জীবদ্দশায় এবং মৃত্যুর পর প্রকাশিত হয়েছে ৫২টি কাব্যগ্রন্থ, ৩৮টি নাটক, ১৩টি উপন্যাস, ৩৬টি প্রবন্ধ এবং অন্যান্য গদ্য সংকলন। নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে আজ নোবেল বিজয়ী এই সহিত্য প্রতিভাকে স্মরণ করবে তার অগণিত ভক্ত।

 

বিটিভিতে সকাল ৯টায় থাকছে বিশেষ শিশুতোষ অনুষ্ঠান। সকাল ১০টা ৫ মিনিটে প্রচারিত হবে রবীন্দ্রসংগীতের অনুষ্ঠান ‘গীতবিতান’। সন্ধ্যা ৬টায় থাকছে বিশেষ কবিতা আবৃত্তির অনুষ্ঠান। রাত ৯টায় থাকছে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গল্প অবলম্বনে নাটক ‘সম্পত্তি সমর্পণ’। রাত ১০টায় সংবাদের পর প্রচারিত হবে বিশেষ রবীন্দ্রসংগীতের অনুষ্ঠান। অনুষ্ঠানে কবির বিভিন্ন পর্যায়ের জনপ্রিয় ৯টি গান পরিবেশন করবেন একঝাঁক রবীন্দ্রসংগীতশিল্পী। রাত ১১টায় প্রচারিত হবে ‘চিত্রাঙ্গদা’।

 

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সাহিত্যজগৎ ছিল নানা বর্ণ, মানসিকতা ও চেতনায় ভরপুর। তাইতো, নিঃসঙ্গতার প্রতিচ্ছবি চারুলতা, সামাজিক বেড়াজাল ভেঙে আত্মসচেতন হয়ে ওঠা বিনোদিনী কিংবা গোরা উপন্যাসের স্বদেশপ্রেম ও জাতিসত্তার পরিচয়ে জর্জরিত পুরুষের মধ্যে আজও পাঠক খুঁজে ফেরে নিজেদের। বাংলার মাটিতে যেমন তাঁর কদর, তেমনি বিশ্ব দরবারেও সমানভাবে ছড়িয়ে আছে তার দীপ্তি। সাহিত্যে অবদানের জন্য ১৯১৩ সালে নবজাগরণের এই পুরোধাকে ভূষিত করা হয় নোবেল পুরস্কারে। দিনটি উদযাপনে দেশের বিভিন্ন স্থানে আয়োজন করা হয়েছে নানা আয়োজন।

বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬৫তম জন্মজয়ন্তী আজ

প্রতিবেদন: ওমর ফারুক

আজ ৩ মে বিশ্বজুড়ে পালিত হচ্ছে বিশ্ব গণমাধ্যম দিবস। গণমাধ্যমের স্বাধীনতা, দায়বদ্ধতা এবং সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার গুরুত্ব তুলে ধরতেই প্রতি বছর এই দিনটি পালন করা হয়।

১৯৯৩ সালে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ আনুষ্ঠানিকভাবে ৩ মে-কে বিশ্ব গণমাধ্যম স্বাধীনতা দিবস হিসেবে ঘোষণা করে। এর আগে ১৯৯১ সালে নামিবিয়ার উইন্ডহুকে গৃহীত উইন্ডহুক ঘোষণা-এর মাধ্যমে স্বাধীন ও বহুমুখী গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানানো হয়, যা পরবর্তীতে এই দিবস ঘোষণার ভিত্তি তৈরি করে।

বর্তমান সময়ে গণমাধ্যম সমাজের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে সত্য ও নিরপেক্ষ তথ্য মানুষের কাছে পৌঁছে দিচ্ছে। নানা চ্যালেঞ্জের মধ্যেও সাংবাদিকরা পেশাগত দায়িত্ব পালন করে গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে অবদান রাখছেন।

বিশ্ব গণমাধ্যম দিবস উপলক্ষে গণ টেলিভিশন-এর পক্ষ থেকে দেশের সকল সাংবাদিক, গণমাধ্যমকর্মী ও দর্শকদের জানানো হয়েছে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনের মাধ্যমে সমাজের কল্যাণে কাজ করে যাওয়ার প্রত্যয় পুনর্ব্যক্ত করেছে প্রতিষ্ঠানটি।

আজ বিশ্ব গণমাধ্যম দিবস

প্রতিবেদনঃ ওমর ফারুক

যারা বিবাহিত, তাদের তুলনায় অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্কদের ক্যানসার হওয়ার ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি। যুক্তরাষ্ট্রের মায়ামি বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন এক গবেষণায় এমন চমকপ্রদ তথ্য উঠে এসেছে।

পরিসংখ্যান অনুযায়ী, অবিবাহিত পুরুষদের ক্যানসারের ঝুঁকি বিবাহিতদের তুলনায় প্রায় ৭০ শতাংশ বেশি।

গবেষণায় দেখা গেছে, যারা কখনো বিয়ে করেননি, তাদের মধ্যে ক্যানসারে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি তুলনামূলকভাবে বেশি।

 

 

২০১৫ থেকে ২০২২ সালের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের ১২টি অঙ্গরাজ্যের ৪০ লাখের বেশি মানুষের তথ্য বিশ্লেষণ করে এই ফল পাওয়া গেছে। গবেষণায় বলা হয়েছে, প্রায় সব ধরনের প্রধান ক্যানসারের ক্ষেত্রেই অবিবাহিতদের ঝুঁকি বেশি দেখা গেছে।

 

পরিসংখ্যান অনুযায়ী, অবিবাহিত পুরুষদের ক্যানসারের ঝুঁকি বিবাহিতদের তুলনায় প্রায় ৭০ শতাংশ বেশি। নারীদের ক্ষেত্রে এই ঝুঁকি আরও বেশি, প্রায় ৮৫ শতাংশ পর্যন্ত।

 

গবেষণায় আরও দেখা গেছে, অবিবাহিত পুরুষদের মধ্যে মলদ্বারের ক্যানসারের হার বিবাহিতদের তুলনায় প্রায় পাঁচ গুণ বেশি। অন্যদিকে অবিবাহিত নারীদের ক্ষেত্রে জরায়ুমুখের ক্যানসারের হার প্রায় তিন গুণ বেশি।

গবেষকদের মতে, বিয়ে অনেক সময় মানুষের জীবনযাপনকে প্রভাবিত করে। খাদ্যাভ্যাস, স্বাস্থ্যসচেতনতা এবং নিয়মিত চিকিৎসা পরীক্ষার মতো বিষয়গুলো এতে যুক্ত থাকে। ফলে এটি পরোক্ষভাবে স্বাস্থ্যের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে।

 

তবে বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন, এর মানে এই নয় যে বিয়ে করলেই ক্যানসার থেকে সুরক্ষা পাওয়া যাবে। বরং এটি একটি সামাজিক ও আচরণগত ইঙ্গিত মাত্র।

 

গবেষকরা আরও বলেছেন, যারা অবিবাহিত, তাদের উচিত স্বাস্থ্যঝুঁকির বিষয়ে আরও সতর্ক থাকা। নিয়মিত পরীক্ষা করানো এবং স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন বজায় রাখে।

 

অবিবাহিতদের ক্যানসারের ঝুঁকি বেশি, বলছে গবেষণা

বিস্তারিত....

মতামত

আগামীকাল থেকে শুরু হচ্ছে এইচএসসি পরীক্ষা: পরীক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানিয়েছেন সাভার থানা বিএনপি সভাপতি সাইফুদ্দিন সাইফুল।

 

রাকিবুল ইসলাম রঞ্জু:

আগামীকাল থেকে শুরু হতে যাওয়া উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমানের পরীক্ষার সকল পরীক্ষার্থীদের আন্তরিক অভিনন্দন, শুভেচ্ছা ও শুভকামনা জানিয়েছেন সাভার থানা বিএনপির সভাপতি ও বিশিষ্ট সমাজসেবক সাইফুদ্দিন সাইফুল।

 

আজ এক শুভেচ্ছা বার্তায় তিনি পরীক্ষার্থীদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ ও সাফল্য কামনা করেন।

 

শুভেচ্ছা বার্তায় সাইফুদ্দিন সাইফুল বলেন, “এইচএসসি পরীক্ষা প্রতিটি শিক্ষার্থীর জীবনের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। এটি তাদের ভবিষ্যৎ উচ্চশিক্ষা ও ক্যারিয়ার গড়ার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করে। আমি আশা করি, আমাদের সাভারসহ সারা দেশের শিক্ষার্থীরা অত্যন্ত ধৈর্য, মেধা ও মনোযোগের সাথে পরীক্ষায় অংশ নিয়ে নিজেদের মেধার সর্বোচ্চ স্বাক্ষর রাখবে।”

 

তিনি আরও বলেন, “শিক্ষার্থীরাই আমাদের আগামী দিনের দেশ গড়ার কারিগর। তাদের এই পথচলায় শিক্ষক ও অভিভাবকদের অবদান অনস্বীকার্য। আমি সকল পরীক্ষার্থীর সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু ও পরীক্ষায় আশানুরূপ সাফল্য কামনা করছি। আল্লাহ যেন তাদের মনের আশা পূরণ করেন এবং তারা যেন দেশ ও জাতির কল্যাণে নিয়োজিত হতে পারে।”

 

একই সাথে তিনি পরীক্ষা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা, শিক্ষক ও অভিভাবকদের প্রতি পরীক্ষার্থীরা যাতে সুষ্ঠু, সুন্দর ও নকলমুক্ত পরিবেশে পরীক্ষা দিতে পারে, তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।

এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানিয়েছেন সাভার থানা বিএনপি সভাপতি সাইফুদ্দিন সাইফুল

নাগরিক সমস্যার সমাধানে শুধু সরকারের ওপর নির্ভর না করে সবাইকে দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।

 

বুধবার (১ জুলাই) রাজধানীর শেওরাপাড়ায় ডেঙ্গু প্রতিরোধ, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও নাগরিক সমস্যা সমাধান অভিযান শেষে তিনি এ কথা বলেন।

 

জামায়াত আমির বলেন, পানি, গ্যাস ও জলাবদ্ধতার মতো অনেক সমস্যার পেছনে নাগরিকদের অসচেতনতাও দায়ী। নিজের গার্বেজটা ড্রেনে নিয়ে আমরা ফেলে দিই। সরকার তো প্রতিদিন ড্রেন পরিষ্কার করবে না। সরকার পরিষ্কার করে দেবে, নাগরিকদের সেটা রক্ষা করতে হবে।

 

এসময় বর্জ্য ড্রেনে ফেলে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি করা থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান তিনি।

 

বিদ্যুৎ সংকট নিরসনে সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করছে উল্লেখ করে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, সরকার, বিরোধী দল ও সাধারণ মানুষের সম্মিলিত উদ্যোগেই এসব সমস্যার দ্রুত সমাধান সম্ভব। একই সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নয়নে পুলিশকে সহযোগিতা এবং পরিবার থেকেই সন্তানদের চলাফেরা ও সঙ্গী সম্পর্কে সচেতন থাকার পরামর্শ দেন তিনি। এসময় স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেন, ইতোপূর্বে উনার (ডা. শফিকুর রহমান) মতো দূরদর্শী নেতা সংসদে ছিল কি না, আমার জানা নেই। নিজ এলাকার দায়িত্বও তিনি প্রধানমন্ত্রীর হাতে তুলে দিয়েছেন।

শুধু সরকারের ওপর নির্ভর করবেন না: জামায়াত আমির

ইসলামী ব্যাংক ইসলাম নয়, মির্জা ফখরুল ইসলামও ইসলাম নয়, আবার জামায়াতে ইসলামও ইসলাম নয়। সবকিছুতে এভাবে ইসলামের দোহাই দেওয়া ঠিক নয়’’ বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমদ।

 

আজ মঙ্গলবার (০৯ জুন) জাতীয় সংসদে বাজেট অধিবেশনে বিরোধীদলের সংসদ সদস্যদের সমালোচনার জবাবে এ মন্তব্য করেন তিনি।

 

ইসলামী ব্যাংকের শীর্ষ পদে সাম্প্রতিক রদবদল, গ্রাহক বিক্ষোভ এবং সাবেক এমডির পদত্যাগ নিয়ে আজ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমদের বিরুদ্ধে বক্তব্য দেন বিরোধীদলের এমপিরা।

 

পরে বিরোধীদলকে উদ্দেশ্য করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘‘চেয়ারম্যান থেকে শুরু করে বোর্ড অব ডিরেক্টরের সবাইকে ব্যাংক কোম্পানি আইন অনুযায়ী বাংলাদেশ ব্যাংক অব্যাহতি দিতে পারে। এ বিষয়ে যদি কোনো প্রশ্ন তুলতে হয়, তবে আইন পরিবর্তন করে আসতে হবে।’’

 

অভিযোগ করে সালাউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘ব্যাংকে বিশৃঙ্খলা তৈরির উদ্দেশ্যে একটি মহল পর্দার আড়ালে থেকে ‘‘গ্রাহক’’ সেজে আন্দোলন করাচ্ছে। বিরোধীদল বিরোধীদলের ভূমিকা পালন করুক, তাতে আপত্তি নেই। কিন্তু বারে বারে এভাবে পর্দার আড়ালে ও পর্দার বাইরে প্রচারণা চালিয়ে মানুষকে বিভ্রান্ত করবেন না।’

 

সংসদকে আশ্বস্ত করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘‘ইসলামী ব্যাংকের বৈধ শেয়ারহোল্ডারদের শেয়ার যথাযথভাবে হস্তান্তর করা হবে। এছাড়া, নাবিল গ্রুপসহ যারা ব্যাংক থেকে টাকা নিয়ে আর ফেরত দেয়নি, তাদের প্রত্যেকের বিরুদ্ধে সুষ্ঠু তদন্ত করা হবে। একই সঙ্গে, বিগত সময়ে নিয়ম না মেনে ব্যাংকটিতে যে ৯ হাজার কর্মীকে চাকরিচ্যুত করা হয়েছিল, সেই বিষয়টিও তদন্তের আওতায় আনা হবে বলে জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।’’

 

এর আগে জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমানও মন্তব্য করেছিলেন, ‘‘একটি নতুন ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান পদে অযোগ্য ব্যক্তিকে বসানো হয়েছে।’’

 

সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে অংশ নিয়ে বিরোধীদলের উপনেতা আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের ইসলামী ব্যাংকের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে সরকারের তীব্র সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, ‘‘বিগত সরকারের আমলে ২৬টি ভুয়া কোম্পানি গঠন করে ইসলামী ব্যাংক থেকে ১ লাখ ২৫ হাজার কোটি টাকা সরিয়ে নিয়েছিল এস আলম গ্রুপ। আর এখন বর্তমান সরকার ব্যাংকটিতে কিছু বিতর্কিত লোককে বসিয়েছে। এর মাধ্যমে জনগণের টাকা পুনরায় লুটপাট হবে, এটা অত্যন্ত পরিষ্কার।’’

 

আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের প্রশ্ন তোলেন, ‘‘কোন কারণে একজন দুর্নীতিগ্রস্ত ব্যক্তিকে চেয়ারম্যান করা হলো এবং কোন কারণে আগের এমডিকে পদত্যাগ করতে বাধ্য করা হলো? ইসলামী ব্যাংককে যদি স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় চলতে না দেয়া হয়, তবে দেশে বড় ধরনের বিশৃঙ্খলা তৈরি হবে।’’

ইসলামী ব্যাংক ইসলাম নয়, মির্জা ফখরুলও ইসলাম নয়, জামায়াতও ইসলাম নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

 

সরকারের কোষাগারের টাকায় ঢাকার দুই সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক নির্বাচনী প্রচারণা চালাচ্ছেন বলে অভিযোগ করেছেন এনসিপির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।

 

আজ মঙ্গলবার (৯ জুন) বিকেলে রাজধানীর নাখালপাড়ার হোসেন আলী উচ্চ বিদ্যালয়ে বৃক্ষ বিতরণ কর্মসূচি শেষে এ অভিযোগ করেন তিনি।

 

এনসিপির মুখপাত্র বলেন, এনসিপির পক্ষ থেকে ৫ দফা দাবি দেওয়া হয়েছে। তারা চেয়ারে বসে নির্বাচন করতে পারবেন না। তারা লাখ লাখ পোস্টার লাগিয়ে নগরকে দূষিত করছেন। আবাসিক এলাকা, এমনকি মেট্রো স্টেশনেও গরুর হাট বসানো হয়েছে। এই অব্যবস্থাপনাই প্রমাণ করে তারা মেয়র হওয়ার যোগ্য নন।

 

আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেন, বিভিন্ন জায়গায় আওয়ামী লীগের (কার্যক্রম নিষিদ্ধ দল) মিছিল হচ্ছে। যা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও মন্ত্রণালয়ের ব্যর্থতা, কারণ আওয়ামী লীগের সকল কার্যক্রম নিষিদ্ধ আছে।

 

এদিকে, স্থানীয় নির্বাচনে এনসিপি এককভাবে অংশ নেওয়ার সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নিচ্ছে উল্লেখ করে আসিফ মাহমুদ জানান, জোটগতভাবে নির্বাচনে যাবে কি না তা তফসিলের পর দলগুলোর সাথে বসে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

সরকারি টাকায় ভোটের প্রচারণা চালাচ্ছেন ঢাকার দুই সিটি প্রশাসক: আসিফ মাহমুদ

৮ লাখ ৩৯ হাজার ৫০৫ কোটি টাকার ‘ছায়া বাজেট প্রস্তাবনা’ ‍দিয়েছে বিরোধী দল বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। এই বাজেটে সামগ্রিক ঘাটতি রয়েছে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৫৭৯ কোটি টাকা।

 

মঙ্গলবার (৬ জুন) রাজধানীর মগবাজারে জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে ‘ছায়া বাজেট প্রস্তাবনা’ উপস্থাপন করেন দলের আমির ডা. শফিকুর রহমান।

 

এ সময় তিনি বলেন, নির্বাচনের ফলাফল মেনে নিয়েই সংসদে গিয়েছিলাম। দুটি ভোট একসঙ্গে অনুষ্ঠিত হয়েছিল। কিন্তু তারা একটি শপথ নিলেন, আরেকটি নিলেন না। গণভোটকে তারা অস্বীকার করলেন। রাজনৈতিক ব্যক্তিরা যদি এভাবেই জনগণকে ধোঁকা দেয় তাহলে রাজনৈতিক দলের ওপর মানুষের আস্থা থাকবে কীভাবে?

 

জামায়াতের আমির বলেন, দুই-তৃতীয়াংশের জোরে সরকার আমাদের দাবি অগ্রাহ্য করে জনগণকে অপমান করেছে। গণভোটের রায় ব্যর্থ হওয়ার দলিল কোথাও নেই। এবারই প্রথম বিপত্তি ঘটলো। আমরা যে আশঙ্কা করেছিলাম, এখন তা স্পষ্ট হয়ে উঠেছে সমাজে। আর্থিক, রাজনৈতিক, প্রাতিষ্ঠানিক, সাংবাদিক সমস্ত জায়গায় আজকে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ স্পষ্ট। সমাজের অপরাধী লোকদের গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় বসিয়ে দেয়া হচ্ছে।

 

তিনি বলেন, আমরা বাজেট কোনো দলের জন্য দিচ্ছি না, এই বাজেট ১৮ বা ২০ কোটি মানুষের। আমরা যে প্রস্তাবনা জনগণের সামনে পেশ করবো এটার শর্ত আছে। সততা, স্বচ্ছতা আর জবাবদিহিতা থাকলে এটা অর্জন করা সম্ভব। কিন্তু সততা, স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা আর একাউন্টটিবিলিটি না থাকলে যে বাজেট সরকার দেবে সেটা বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে না।

 

ডা. শফিকুর রহমান আরও বলেন, আমাদের ফ্রিস্কাল ইয়ার জুলাই টু জুন। জুন মাস সাধারণত দেশ বর্ষা-খরা-সাইক্লোনে আক্রান্ত হয়। আমরা লক্ষ্য করি এডিপির একটা বিশাল অংশ শেষের দুই মাসে তাড়াহুড়ো করা বাস্তবায়নের চেষ্টা করা হয়। এটি বাস্তবায়ন নয়, এটি হচ্ছে গণ লুটপাট। এর সুফল জনগণ পায় না। আমরা সংসদে প্রস্তাব দেব, আমাদের ফ্রিস্কাল ইয়ার ক্যালেন্ডার ইয়ারের সঙ্গে মিলিয়ে করা হোক। তাহলে বর্ষার পানিতে আমাদের টাকাগুলা ধুয়ে মুছে সাফ হয়ে যাবে না।

৮ লাখ ৩৯ হাজার ৫০৫ কোটি টাকার ‘ছায়া বাজেট প্রস্তাবনা’ ‍দিয়েছে বিরোধী দল বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী

বিস্তারিত....

সারাবাংলা

১৭-১৮ বছরেও পাকা হলো না শুকুরখোলা গ্রামের একমাত্র সড়ক, কাদা-পানিতে দুর্ভোগে ৮০-১০০ পরিবারের মানুষ

 

যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলার ১১ নম্বর বাঁকড়া ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের শুকুরখোলা গ্রামের প্রায় ৮০ থেকে ১০০টি পরিবারের একমাত্র চলাচলের সড়কটি দীর্ঘ ১৭-১৮ বছরেও পাকা না হওয়ায় চরম দুর্ভোগে পড়েছেন এলাকাবাসী। সামান্য বৃষ্টিতেই সড়কটি কাদা ও পানিতে তলিয়ে যায়। ফলে শিক্ষার্থী, কৃষক, চাকরিজীবী, নারী, শিশু ও বয়স্কসহ সব শ্রেণি-পেশার মানুষের চলাচল মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।

 

সম্প্রতি সরেজমিনে এলাকাটি পরিদর্শন করে দেখা যায়, পুরো সড়কজুড়ে বড় বড় গর্ত, কাদা ও জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। কোথাও হাঁটুসমান কাদা, কোথাও জমে থাকা পানির কারণে হেঁটে চলাচল করাও অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। মোটরসাইকেল, ভ্যান, অ্যাম্বুলেন্সসহ জরুরি যানবাহনও প্রায়ই এই সড়ক ব্যবহার করতে পারে না। বর্ষা মৌসুমে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করে।

 

স্থানীয়দের অভিযোগ, গত ১৭-১৮ বছরে এলাকায় একটি পাকা সড়কও নির্মাণ করা হয়নি। বিভিন্ন সময় জনপ্রতিনিধি ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরে একাধিকবার আবেদন জানানো হলেও কার্যকর কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। নির্বাচনের সময় উন্নয়নের নানা প্রতিশ্রুতি দেওয়া হলেও বাস্তবে তার প্রতিফলন ঘটেনি।

 

আমাদের এলাকায় অনেক রাজনৈতিক নেতা ও জনপ্রতিনিধির বসবাস রয়েছে। কিন্তু এলাকার উন্নয়নে তাদের দৃশ্যমান কোনো ভূমিকা আমরা দেখতে পাইনি। বছরের পর বছর ধরে একই দুর্ভোগের মধ্যে দিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে।”

 

গোলাম রাসুল

তিনি আরও বলেন, “বর্তমান সরকারের প্রতি আমাদের পূর্ণ আস্থা রয়েছে। আমরা বিশ্বাস করি, জনপ্রতিনিধিদের আন্তরিক উদ্যোগে শুকুরখোলা গ্রামের দীর্ঘদিনের এই দুর্ভোগের অবসান হবে। আমরা সরকারের কাছে বিলাসী কোনো প্রকল্প চাই না; শুধু একটি টেকসই পাকা সড়ক চাই, যাতে সাধারণ মানুষ নিরাপদে চলাচল করতে পারে।”

 

মো. গোলাম রসুল বলেন, “বর্তমানে আমাদের উপজেলায় জাতীয় সংসদের দুইজন মাননীয় সংসদ সদস্য রয়েছেন। সংরক্ষিত মহিলা আসন-১৪-এর সংসদ সদস্য মোছা. সাবিরা সুলতানা মুন্নি এবং যশোর-২ আসনের সংসদ সদস্য ড. মোশলে উদ্দীন ফরিদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। তারা বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের মাধ্যমে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন বলে আমরা আশাবাদী।”

 

এলাকাবাসীর দাবি, এটি কোনো নতুন সড়ক নয়; বহু বছর ধরে ব্যবহৃত একটি গুরুত্বপূর্ণ গ্রামীণ যোগাযোগপথ। প্রতিদিন শতাধিক মানুষ এই সড়ক দিয়ে যাতায়াত করেন। শিক্ষার্থীরা স্কুল-কলেজে যায়, কৃষকরা কৃষিপণ্য বাজারে নিয়ে যান এবং সাধারণ মানুষ চিকিৎসাসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় কাজে এই পথ ব্যবহার করেন। কিন্তু দীর্ঘদিন সংস্কার না হওয়ায় সড়কটি এখন কার্যত চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে।

 

স্থানীয়দের প্রত্যাশা, সংশ্লিষ্ট প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিরা দ্রুত উদ্যোগ নিয়ে শুকুরখোলা গ্রামের এই গুরুত্বপূর্ণ সড়কটি টেকসইভাবে পাকা নির্মাণ করবেন। এতে একদিকে যেমন দীর্ঘদিনের জনদুর্ভোগের অবসান ঘটবে, অন্যদিকে সরকারের চলমান গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়নের সুফলও এই এলাকার সাধারণ মানুষ ভোগ করতে পারবেন।

১৭-১৮ বছরেও পাকা হলো না শুকুরখোলা গ্রামের একমাত্র সড়ক, কাদা-পানিতে দুর্ভোগে ৮০-১০০ পরিবারের মানুষ

অবৈধ দোকানের দখলে ঐতিহ্যবাহী নীলফামারীর বড় মাঠ, সংকুচিত হচ্ছেন বড় ক্রীড়াঙ্গন

মাইদুল ইসলাম: (জেলা প্রতিনিধি নীলফামারী)

এক সময় জেলার

ক্রীড়াচর্চার প্রাণকেন্দ্র ছিল নীলফামারী শহরের ঐতিহ্যবাহী বড় মাঠ। ভোর থেকে রাত পর্যন্ত এখানে হাঁটাহাঁটি ক্রিকেট ফুটবল, ভলিবল কাবাডি ও বিভিন্ন

ক্রীড়া আয়োজনের মধ্যে মুখর থাকত পুরো এলাকা। কিন্তু এখন সেই মাঠের একাংশ গড়ে উঠেছে শতাধিক অবৈধ দোকান। ফলে দিন দিন হারিয়ে যাচ্ছে মাঠের উন্মুক্ত পরিবেশ , সংকুচিত হচ্ছে খেলাধুলার পরিসর। সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, মাঠের একপাশ জুড়ে সারিবদ্ধভাবে বসানো হয়েছে বিভিন্ন অস্থায়ী দোকান চা, ফাস্টফুড,

পান- সিগারেটসহ নানা ধরনের ব্যবসা চলছে সেখানে। দোকানগুলোর কারণে মাঠের উল্লেখযোগ্য অংশ দখল হয়ে গেছে। সেখানে একসময় ভলিবল ও কাবাডি খেলা হত, সেখানে এখন আর খেলাধুলার সুযোগ নেই। দুটি ক্রিকেট মাঠের মধ্যে একটি কার্যত ব্যবহারের অযোগ্য হয়ে পড়েছে। বিকেলে মাঠে অনুশীলনে আসা খেলোয়ারদের মধ্যে দেখা যায় হতাশা। একটি মাঠ ক্রিকেট পিচে একাধিক দলকে অনুশীলন করতে

হওয়ায় সৃষ্টি হয় ভিড় ও ভিড় ও সময় সংকট অনেকেই অনুশীলন না করে ফিরে যাচ্ছেন। স্থানীয়দের অভিযোগ, অবৈধ দোকান গুলোর কারণে প্রতিদিন মাঠে জমছে প্লাস্টিক, খাবারের উচ্ছিষ্ট ও নানা ধরনের ময়লা ও আবর্জনা। এতে মাঠের সৌন্দর্য নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি দর্শনার্থীদের চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি হয়। দীর্ঘদিন ধরে এভাবে দখল চললেও কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। সাবেক ক্রিকেট খেলোয়ার আব্দুস সালাম বাবলা বলেন,’এই মাঠ থেকেই জেলার অনেক খেলোয়াড় উঠে এসেছে। এখন মাঠের বড় একটি অংশ অবৈধ দোকানের দখলে। এতে খেলাধুলার পরিবেশ নষ্ট হয়েছে। ক্রীড়াঙ্গনের স্বার্থে দ্রুত এসব দোকান উচ্ছেদ করা দরকার।” ক্রিকেট খেলোয়ার সোহাগ আলী বলেন, আগে দুটি ক্রিকেট পিচ ব্যবহার করা যেত। এখন একটি কার্যত দখলে চলে গেছে। কোন টুর্নামেন্ট চললে অনুশীলনের জন্য আর জায়গা থাকে না। মাঠ দখলমুক্ত হলে খেলোয়াড়রা স্বাভাবিকভাবে অনুশীলন করতে পারবে।”আরেক খেলোয়াড় নাজমুস সাকিব

জুন বলেন,”বড় মাঠ শুধু খেলোয়াড়দের নয় পুরো জেলার মানুষের সম্পদ। অবৈধ দোকান উচ্ছেদ করা হলে মাঠের পরিবেশ ফিরে আসবে এবং নতুন প্রজন্ম খেলাধুলার সুযোগ পাবে।’এ বিষয়ে জেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য আবু মোহাম্মদ সোয়েম বলেন,”অবৈধ দোকান উচ্ছেদের বিষয়টি নিয়ে জেলা প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। প্রথমে দোকানিদের নোটিশ দিয়ে স্বেচ্ছায় সরে যাওয়ার জন্য সময় দেওয়া হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তারা স্থান ত্যাগ না করলে আইনানুক ব্যবস্থা নিয়ে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হবে।”জেলা ক্রীড়াপ্রেমী ও সচেতন নাগরিকদের প্রত্যাশা, নীলফামারীর ঐতিহ্যবাহী বড় মাঠকে অবৈধ দখলমুক্ত করে আবারও খেলাধুলা ও বিনোদনের উন্মুক্ত পরিবেশ ফিরিয়ে আনা হবে। কারণ একটি মাঠ শুধু খেলাধুলার স্থান নয়, এটি একটি জেলার সুস্থ প্রজন্ম গড়ে তোলার অন্যতম ভিত্তি।

অবৈধ দোকানের দখলে ঐতিহ্যবাহী নীলফামারীর বড় মাঠ, সংকুচিত হচ্ছেন বড় ক্রীড়াঙ্গন

স্টাফ রিপোর্টার

তানিন পিয়াস চৌধুরী

তাং:০২/০৭/২০২৬

 

হেডলাইন:নড়াইলে গাছে বেঁধে নির্যাতন প্রতিবন্ধী যুবকের মৃত্যু।

 

নড়াইল সদর উপজেলায় চোর সন্দেহে গাছে বেঁধে নির্যাতন করা সেই মানসিক প্রতিবন্ধী যুবক আনোয়ার হোসেন (৩২) খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন।

 

বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) সকালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় খুলনাতে তিনি মারা যান।

নড়াইল সদর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) অজয় কুমার কুন্ডু বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

 

আনোয়ার উপজেলার বাঁশগ্রাম ইউনিয়নের বাঁশগ্রামের মৃত কাওসার মোল্যার ছেলে।

 

মামলার এজাহার ও পরিবারের সদস্যদের ভাষ্য অনুযায়ী, আনোয়ার মানসিক প্রতিবন্ধী। গত ২৪ জুন সকালে তিনি বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর আর ফেরেননি। পরদিন সকালে পরিবারের সদস্যরা নড়াইল জেলা হাসপাতালে গিয়ে তাকে গুরুতর আহত অবস্থায় চিকিৎসাধীন দেখতে পান।

 

মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, উপজেলার গোবরা মালোপাড়া এলাকার প্রসেনজিৎ বিশ্বাস, সৌরভ বিশ্বাস, অপূর্ব বিশ্বাস, আকাশ বিশ্বাস ও হৃদয় বিশ্বাসসহ কয়েকজন আনোয়ারকে চুরির অভিযোগে ধরে নিয়ে যান। পরে তাকে একটি গাছের সঙ্গে বেঁধে রাতভর মারধর করা হয়। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয় এক ইউপি সদস্যের মাধ্যমে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে তাকে উদ্ধার করে নড়াইল জেলা হাসপাতালে ভর্তি করেন। পরে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়।

 

নড়াইল থেকে

তানিন পিয়াস চৌধুরী

গন টেলিভিশন

নড়াইলে গাছে বেঁধে নির্যাতন প্রতিবন্ধী যুবকের মৃত্যু

বিস্তারিত....

Top