Gono television | বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল। - Gono television is the Bangladesh Government Approved 24/7 News Based TV Channel and Most Reliable News Source and Leading 24/7 News Based TV Channel in Bangladesh, It also the Most Popular News Media for Bangaldesh and Bengali Audience worlwide since 2016.

সংবাদ শিরোনামঃ
৩৪ তলায় কিনেছিলেন ফ্ল্যাট, পরে ক্রেতা জানলেন ভবনই ৩২ তলা ইসলামী ব্যাংক ইসলাম নয়, মির্জা ফখরুলও ইসলাম নয়, জামায়াতও ইসলাম নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান খুরশিদ আলমের পতত্যাগের দাবিতে আজ নীলফামারীতে অবস্থান কর্মসূচি  কাশিমপুরে অপহরণ মামলায় স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা আটক ডাকাতির পর মা-মেয়েকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ সরকারি টাকায় ভোটের প্রচারণা চালাচ্ছেন ঢাকার দুই সিটি প্রশাসক: আসিফ মাহমুদ কালিগঞ্জ ও আশাশুনি থানা পরিদর্শনে পুলিশ সুপার, সেবার মানোন্নয়নে দিলেন নির্দেশনা সব উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ১০১ শয্যায় উন্নীত করবে সরকার ছবি তোলাকে কেন্দ্র করে হামলা, ১১ দিন পর পলিটেকনিক শিক্ষার্থীর মৃত্যু স্ত্রীকে শ্বাসরোধ করে হত্যার অভিযোগ ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে

সস্তায় ফ্ল্যাট কেনার স্বপ্ন শেষ পর্যন্ত এক চীনা নাগরিকের জন্য দুঃস্বপ্নে পরিণত হয়েছে। ২০১৩ সালে এক ব্যক্তি চীনে বহুতল ভবনের ৩৪তম তলায় ফ্ল্যাট কিনেছিলেন। কিন্তু কয়েক বছর পর জানতে পারেন, ভবনটিতে আছেই মাত্র ৩২টি তলা। অর্থাৎ যে ফ্ল্যাটের জন্য বিপুল পরিমাণ অর্থ পরিশোধ করেছিলেন ওই ব্যক্তি, বাস্তবে সেটির কোনও অস্তিত্বই নেই। এক দশকের বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও তিনি এখনও ফ্ল্যাট পাননি, ফেরত পাননি অর্থও।

 

 

সংবাদমাধ্যম সাউথ চায়না মর্নিং পোস্টের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শেন পদবির ওই ব্যক্তি ২০১৩ সালে চীনের শানসি প্রদেশের শি’আনের কাছাকাছি একটি গ্রামে ফ্ল্যাটটি কিনেছিলেন। কয়েক বছর পর তিনি জানতে পারেন, তিনি তথাকথিত ‘গ্রে মার্কেট’ আবাসন প্রতারণার শিকার হয়েছেন।

 

 

শেন ৯০ বর্গমিটার আয়তনের একটি ফ্ল্যাট কিনেছিলেন এবং সেটি ভবনের ৩৪তম তলায় থাকার কথা। প্রতি বর্গমিটারের দাম ছিল ২ হাজার ৬৪৬ ইউয়ান, যা ওই এলাকার গড় বাজারদরের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ। বাংলাদেশি মুদ্রায় ফ্ল্যাটটির মূল্য ছিল প্রায় ৪৮ লাখ টাকা। এত কম দামের কারণ ছিল প্রকল্পটির তথাকথিত ‘সীমিত সম্পত্তি অধিকার’ বা ‘লিমিটেড প্রোপার্টি রাইটস’ মর্যাদা।

 

অর্থাৎ এটি এমন এক ধরনের আবাসন ব্যবস্থা, যা রাষ্ট্রীয় নগর জমির পরিবর্তে গ্রামীণ সমষ্টিগত মালিকানাধীন জমিতে অবৈধভাবে নির্মাণ করা হয়। এসব প্রকল্প সাধারণত প্রয়োজনীয় সরকারি অনুমোদন ছাড়াই নির্মিত হয় এবং নিয়মিত আবাসন প্রকল্পের মতো আইনি সুরক্ষা পায় না। এগুলো আইনিভাবে পুনরায় বিক্রি করাও যায় না এবং চীনের সম্পত্তি আইনে তা স্বীকৃতও নয়। তবে কম দামের কারণে অনেক ক্রেতা এখনও এসব প্রকল্পে আগ্রহ দেখান।

 

 

২০১৩ সালে শেন ১ লাখ ১৭ হাজার ৭০০ ইউয়ান ডাউন পেমেন্ট হিসেবে পরিশোধ করেন। তার দাবি, প্রকল্পের নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ক্রেতাদের আশ্বস্ত করেছিল যে পরে প্রয়োজনীয় অনুমোদন ও সনদ সংগ্রহ করা হবে। কিন্তু এ ধরনের প্রকল্পে সাধারণত সেই আইনি নথি পাওয়া সম্ভব হয় না।

 

 

ফ্ল্যাটটি ২০১৫ সালে বুঝিয়ে দেয়ার কথা ছিল। তবে নির্মাণকাজে বিলম্ব হওয়ায় সময়সীমা পিছিয়ে যায়। ২০১৭ সালে নির্মাতা প্রতিষ্ঠান শেনকে জানায়, নির্মিত ভবনটিতে মাত্র ৩২টি তলা রয়েছে। ফলে তিনি যে ফ্ল্যাট কিনেছিলেন, সেটি বাস্তবে নেই।

 

প্রথমে কোম্পানিটি তাকে ৩২তম তলায় বিকল্প একটি ফ্ল্যাট দেয়ার প্রস্তাব দেয়। কিন্তু তখন তিনি বাকি অর্থ পরিশোধ করতে পারেননি। দুই মাস পর সেই ফ্ল্যাটও অন্য এক ক্রেতার কাছে বিক্রি করে দেয়া হয়। অন্যদিকে ফ্ল্যাট না পেয়ে শেন অর্থ ফেরতের দাবি জানান। তখন নির্মাতা প্রতিষ্ঠান জানায়, তারা আর্থিক সংকটে রয়েছে এবং পুরো অর্থ ফেরত দিতে পারবে না।

 

 

২০২০ সালে তিনি ২০ হাজার ইউয়ান এবং ২০২২ সালে আরও ৫০ হাজার ইউয়ান ফেরত পান। এরপর নির্মাতা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সব ধরনের যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যায়। পরে তিনি বিষয়টি সালিসি প্রক্রিয়ায় নিয়ে যান। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ নির্মাতা প্রতিষ্ঠানকে তার ডাউন পেমেন্টের বাকি ৪৭ হাজার ৭০০ ইউয়ান ফেরত দেয়ার নির্দেশ দেয়। এর সঙ্গে ২৭ হাজার ইউয়ান সুদও পরিশোধ করতে বলা হয়।

 

 

রায়ে আরও বলা হয়, নির্ধারিত অর্থ পরিশোধ না করলে অতিরিক্ত ৪৭ হাজার ইউয়ান ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। তবে চলতি বছরের মে মাস পর্যন্ত শেন ওই বকেয়া অর্থ পাননি।

 

মূলত ফ্ল্যাট কেনার এক দশকেরও বেশি সময় পরও শেন এখনও থাকার জায়গা পাননি এবং সম্পূর্ণ অর্থও ফেরত পাননি। ঘটনাটি চীনে আবারও কম দামের কিন্তু আইনি সুরক্ষাবিহীন আবাসন প্রকল্পে বিনিয়োগের ঝুঁকির বিষয়টি সামনে নিয়ে এসেছে।

৩৪ তলায় কিনেছিলেন ফ্ল্যাট, পরে ক্রেতা জানলেন ভবনই ৩২ তলা

সস্তায় ফ্ল্যাট কেনার স্বপ্ন শেষ পর্যন্ত এক চীনা নাগরিকের জন্য দুঃস্বপ্নে পরিণত হয়েছে। ২০১৩ সালে এক ব্যক্তি চীনে বহুতল ভবনের ৩৪তম তলায় ফ্ল্যাট কিনেছিলেন। কিন্তু কয়েক বছর পর জানতে পারেন, ভবনটিতে আছেই মাত্র ৩২টি তলা। অর্থাৎ যে ফ্ল্যাটের জন্য বিপুল পরিমাণ অর্থ পরিশোধ করেছিলেন ওই ব্যক্তি, বাস্তবে সেটির কোনও অস্তিত্বই নেই। এক দশকের বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও তিনি এখনও ফ্ল্যাট পাননি, ফেরত পাননি অর্থও।

 

 

সংবাদমাধ্যম সাউথ চায়না মর্নিং পোস্টের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শেন পদবির ওই ব্যক্তি ২০১৩ সালে চীনের শানসি প্রদেশের শি’আনের কাছাকাছি একটি গ্রামে ফ্ল্যাটটি কিনেছিলেন। কয়েক বছর পর তিনি জানতে পারেন, তিনি তথাকথিত ‘গ্রে মার্কেট’ আবাসন প্রতারণার শিকার হয়েছেন।

 

 

শেন ৯০ বর্গমিটার আয়তনের একটি ফ্ল্যাট কিনেছিলেন এবং সেটি ভবনের ৩৪তম তলায় থাকার কথা। প্রতি বর্গমিটারের দাম ছিল ২ হাজার ৬৪৬ ইউয়ান, যা ওই এলাকার গড় বাজারদরের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ। বাংলাদেশি মুদ্রায় ফ্ল্যাটটির মূল্য ছিল প্রায় ৪৮ লাখ টাকা। এত কম দামের কারণ ছিল প্রকল্পটির তথাকথিত ‘সীমিত সম্পত্তি অধিকার’ বা ‘লিমিটেড প্রোপার্টি রাইটস’ মর্যাদা।

 

অর্থাৎ এটি এমন এক ধরনের আবাসন ব্যবস্থা, যা রাষ্ট্রীয় নগর জমির পরিবর্তে গ্রামীণ সমষ্টিগত মালিকানাধীন জমিতে অবৈধভাবে নির্মাণ করা হয়। এসব প্রকল্প সাধারণত প্রয়োজনীয় সরকারি অনুমোদন ছাড়াই নির্মিত হয় এবং নিয়মিত আবাসন প্রকল্পের মতো আইনি সুরক্ষা পায় না। এগুলো আইনিভাবে পুনরায় বিক্রি করাও যায় না এবং চীনের সম্পত্তি আইনে তা স্বীকৃতও নয়। তবে কম দামের কারণে অনেক ক্রেতা এখনও এসব প্রকল্পে আগ্রহ দেখান।

 

 

২০১৩ সালে শেন ১ লাখ ১৭ হাজার ৭০০ ইউয়ান ডাউন পেমেন্ট হিসেবে পরিশোধ করেন। তার দাবি, প্রকল্পের নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ক্রেতাদের আশ্বস্ত করেছিল যে পরে প্রয়োজনীয় অনুমোদন ও সনদ সংগ্রহ করা হবে। কিন্তু এ ধরনের প্রকল্পে সাধারণত সেই আইনি নথি পাওয়া সম্ভব হয় না।

 

 

ফ্ল্যাটটি ২০১৫ সালে বুঝিয়ে দেয়ার কথা ছিল। তবে নির্মাণকাজে বিলম্ব হওয়ায় সময়সীমা পিছিয়ে যায়। ২০১৭ সালে নির্মাতা প্রতিষ্ঠান শেনকে জানায়, নির্মিত ভবনটিতে মাত্র ৩২টি তলা রয়েছে। ফলে তিনি যে ফ্ল্যাট কিনেছিলেন, সেটি বাস্তবে নেই।

 

প্রথমে কোম্পানিটি তাকে ৩২তম তলায় বিকল্প একটি ফ্ল্যাট দেয়ার প্রস্তাব দেয়। কিন্তু তখন তিনি বাকি অর্থ পরিশোধ করতে পারেননি। দুই মাস পর সেই ফ্ল্যাটও অন্য এক ক্রেতার কাছে বিক্রি করে দেয়া হয়। অন্যদিকে ফ্ল্যাট না পেয়ে শেন অর্থ ফেরতের দাবি জানান। তখন নির্মাতা প্রতিষ্ঠান জানায়, তারা আর্থিক সংকটে রয়েছে এবং পুরো অর্থ ফেরত দিতে পারবে না।

 

 

২০২০ সালে তিনি ২০ হাজার ইউয়ান এবং ২০২২ সালে আরও ৫০ হাজার ইউয়ান ফেরত পান। এরপর নির্মাতা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সব ধরনের যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যায়। পরে তিনি বিষয়টি সালিসি প্রক্রিয়ায় নিয়ে যান। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ নির্মাতা প্রতিষ্ঠানকে তার ডাউন পেমেন্টের বাকি ৪৭ হাজার ৭০০ ইউয়ান ফেরত দেয়ার নির্দেশ দেয়। এর সঙ্গে ২৭ হাজার ইউয়ান সুদও পরিশোধ করতে বলা হয়।

 

 

রায়ে আরও বলা হয়, নির্ধারিত অর্থ পরিশোধ না করলে অতিরিক্ত ৪৭ হাজার ইউয়ান ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। তবে চলতি বছরের মে মাস পর্যন্ত শেন ওই বকেয়া অর্থ পাননি।

 

মূলত ফ্ল্যাট কেনার এক দশকেরও বেশি সময় পরও শেন এখনও থাকার জায়গা পাননি এবং সম্পূর্ণ অর্থও ফেরত পাননি। ঘটনাটি চীনে আবারও কম দামের কিন্তু আইনি সুরক্ষাবিহীন আবাসন প্রকল্পে বিনিয়োগের ঝুঁকির বিষয়টি সামনে নিয়ে এসেছে।

৩৪ তলায় কিনেছিলেন ফ্ল্যাট, পরে ক্রেতা জানলেন ভবনই ৩২ তলা

ইসলামী ব্যাংক ইসলাম নয়, মির্জা ফখরুল ইসলামও ইসলাম নয়, আবার জামায়াতে ইসলামও ইসলাম নয়। সবকিছুতে এভাবে ইসলামের দোহাই দেওয়া ঠিক নয়’’ বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমদ।

 

আজ মঙ্গলবার (০৯ জুন) জাতীয় সংসদে বাজেট অধিবেশনে বিরোধীদলের সংসদ সদস্যদের সমালোচনার জবাবে এ মন্তব্য করেন তিনি।

 

ইসলামী ব্যাংকের শীর্ষ পদে সাম্প্রতিক রদবদল, গ্রাহক বিক্ষোভ এবং সাবেক এমডির পদত্যাগ নিয়ে আজ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমদের বিরুদ্ধে বক্তব্য দেন বিরোধীদলের এমপিরা।

 

পরে বিরোধীদলকে উদ্দেশ্য করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘‘চেয়ারম্যান থেকে শুরু করে বোর্ড অব ডিরেক্টরের সবাইকে ব্যাংক কোম্পানি আইন অনুযায়ী বাংলাদেশ ব্যাংক অব্যাহতি দিতে পারে। এ বিষয়ে যদি কোনো প্রশ্ন তুলতে হয়, তবে আইন পরিবর্তন করে আসতে হবে।’’

 

অভিযোগ করে সালাউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘ব্যাংকে বিশৃঙ্খলা তৈরির উদ্দেশ্যে একটি মহল পর্দার আড়ালে থেকে ‘‘গ্রাহক’’ সেজে আন্দোলন করাচ্ছে। বিরোধীদল বিরোধীদলের ভূমিকা পালন করুক, তাতে আপত্তি নেই। কিন্তু বারে বারে এভাবে পর্দার আড়ালে ও পর্দার বাইরে প্রচারণা চালিয়ে মানুষকে বিভ্রান্ত করবেন না।’

 

সংসদকে আশ্বস্ত করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘‘ইসলামী ব্যাংকের বৈধ শেয়ারহোল্ডারদের শেয়ার যথাযথভাবে হস্তান্তর করা হবে। এছাড়া, নাবিল গ্রুপসহ যারা ব্যাংক থেকে টাকা নিয়ে আর ফেরত দেয়নি, তাদের প্রত্যেকের বিরুদ্ধে সুষ্ঠু তদন্ত করা হবে। একই সঙ্গে, বিগত সময়ে নিয়ম না মেনে ব্যাংকটিতে যে ৯ হাজার কর্মীকে চাকরিচ্যুত করা হয়েছিল, সেই বিষয়টিও তদন্তের আওতায় আনা হবে বলে জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।’’

 

এর আগে জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমানও মন্তব্য করেছিলেন, ‘‘একটি নতুন ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান পদে অযোগ্য ব্যক্তিকে বসানো হয়েছে।’’

 

সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে অংশ নিয়ে বিরোধীদলের উপনেতা আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের ইসলামী ব্যাংকের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে সরকারের তীব্র সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, ‘‘বিগত সরকারের আমলে ২৬টি ভুয়া কোম্পানি গঠন করে ইসলামী ব্যাংক থেকে ১ লাখ ২৫ হাজার কোটি টাকা সরিয়ে নিয়েছিল এস আলম গ্রুপ। আর এখন বর্তমান সরকার ব্যাংকটিতে কিছু বিতর্কিত লোককে বসিয়েছে। এর মাধ্যমে জনগণের টাকা পুনরায় লুটপাট হবে, এটা অত্যন্ত পরিষ্কার।’’

 

আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের প্রশ্ন তোলেন, ‘‘কোন কারণে একজন দুর্নীতিগ্রস্ত ব্যক্তিকে চেয়ারম্যান করা হলো এবং কোন কারণে আগের এমডিকে পদত্যাগ করতে বাধ্য করা হলো? ইসলামী ব্যাংককে যদি স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় চলতে না দেয়া হয়, তবে দেশে বড় ধরনের বিশৃঙ্খলা তৈরি হবে।’’

ইসলামী ব্যাংক ইসলাম নয়, মির্জা ফখরুলও ইসলাম নয়, জামায়াতও ইসলাম নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান খুরশিদ আলমের পতত্যাগের দাবিতে আজ নীলফামারীতে অবস্থান কর্মসূচি

 

মাইদুল ইসলাম: (জেলা প্রতিনিধি নীলফামারী)

ইসলামী ব্যাংকের সদস্য নিয়োগপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মোঃ খুরশিদ আলমের অপসারণ ও গ্রাহকদের উপর পুলিশ হামলার প্রতিবাদে নীলফামারীতে অবস্থান কর্মসূচি পালিত হয়েছে। আজ মঙ্গলবার

(৯ জুন) সকাল ১১ টায় ইসলামী ব্যাংক সচেতন গ্রাহক ফোরাম নীলফামারী জেলা শাখার উদ্যোগে ঘন্টা ব্যাপী এই কর্মসূচি পালিত হয়। এসময় ইসলামী ব্যাংক সচেতন গ্রাহক ফোরাম নীলফামারী জেলা শাখার সদস্য ময়নুল ইসলামের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন সচেতন গ্রাহক ফোরামের যুগ্ন আহবায়ক নূর মোহাম্মদ সিদ্দিকী, সদস্য সচিব আরিফ আল মামুন, সদস্য মাওলানা নাজমুল হুদা, নূর মোহাম্মদ প্রমুখ। বক্তারা বলেন ইসলামী ব্যাংকের

শতশত গ্রাহক মরতে রাজি আছে, কিন্তু ব্যাংক লুটেরাদের হাতে গ্রাহকদের আমানত তুলে দিতে রাজি নয়। অবিলম্বে ইসলামী ব্যাংক থেকে ফ্যাসিবাদের দোসর খুরশিদ আলমের চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ বাতিল করতে হবে। তা না হলে ইসলামী ব্যাংকের কোটি কোটি গ্রাহক রাজপথে দুর্বার আন্দোলন গড়ে তুলবে। ইসলামী ব্যাংক নীলফামারী শাখা কার্যালয়ের সামনে অনুষ্ঠিত অবস্থান কর্মসূচিতে ইসলামী ব্যাংকের গ্রাহক ছাড়াও বিভিন্ন শ্রেণী পেশার বিপুল সংখ্যক মানুষ অংশ নেয়।

ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান খুরশিদ আলমের পতত্যাগের দাবিতে আজ নীলফামারীতে অবস্থান কর্মসূচি 

কাশিমপুরে অপহরণ মামলায় স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা আটক।

 

মোঃ সাহাজুদ্দিন সরকার, ক্রাইম রিপোর্টার গাজীপুর ।

 

গাজীপুর মহানগরীর কাশিমপুর বাগবাড়ি এলাকার আলোচিত মতিন অপহরণের ঘটনায় ৩ নং ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবকদল নেতা এস.কে রানা ওরফে সোহেল রানাকে আটক করছে থানা পুলিশ।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ২৭ মার্চ দুপুরের দিকে মহানগরীর সুরাবাড়ি এলাকা থেকে মতিন নামের এক ব্যক্তিকে অপহরণ করে একটি সাদা প্রাইভেটকার যোগে সারদাগঞ্জ এলাকায় অবস্থান করে অপহরণ চক্রটি। পরে চক্রর সদস্যরা অপহৃত মতিনকে মুক্তির বিনিময়ে তার পরিবারের কাছে ১০ লক্ষ টাকা দাবি করে মুঠোফোনে ফোন দেয়।

এসময় অপর এক মামলার আসামীকে আটকের উদ্দেশ্যে কাশিমপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোল্লা মোঃ খালিদ হোসেন একই এলাকায় গেলে নির্জন স্থানে প্রাইভেটকার ও অপহরণকারীদের দেখে সন্দেহ হলে তাদেরকে ধাওয়া দেয়। পরে অপহৃত ব্যক্তিকে উদ্ধার করে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তিনি জানান, অপহরণকারী চক্রটি ১০ লক্ষ টাকা মুক্তিপণের বিনিময়ে তাকে ছেড়ে দিবে বলে পরিবারকে দ্রুত টাকা পাঠানোর জন্য চাপ দেয়। কিন্তু থানা পুলিশের দ্রুত তৎপরতায় তাদের পরিকল্পনা ভেস্তে যায়।

এ বিষয়ে কাশিমপুর থানায় একটি অপহরণ মামলা দায়ের হলে এজাহারভুক্ত আসামী ৩ নং ওয়ার্ড বিএনপির ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক বিল্লাল দেওয়ানকে আটক করে। বর্তমানে তিনি জামিনে রয়েছেন বলেও জানা যায়।

সোমবার (৮ জুন) একই ঘটনায় ৩নং ওয়ার্ড বিএনপির সদস্য ও স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা এস.কে রানা ওরফে সোহেল রানাকে হাতীমারার বর্ষাডাঙা এলাকা থেকে আটক করা হয়।

এ বিষয়ে কাশিমপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোল্লা মোঃ খালিদ হোসেন জানান, অপহরণের ঘটনায় স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা সোহেল রানা সহ অপর দুটি মামলায় আরও দুইজন আসামীকে আটক করে আজ বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

কাশিমপুরে অপহরণ মামলায় স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা আটক

কক্সবাজারের নবগঠিত মাতামুহুরী উপজেলায় এক চাকরিজীবীর বাড়িতে জানালার গ্রিল কেটে ডাকাতির পর গৃহকর্তার স্ত্রী ও তার দশম শ্রেণির মেয়েকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের জঘন্য অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও স্থানীয় জনতার যৌথ অভিযানে জড়িত সন্দেহে ছয়জনকে আটক করেছে পুলিশ।

 

গত সোমবার (৮ জুন) রাত আড়াইটার দিকে উপজেলার পূর্ব বড়ভেওলা ইউনিয়নের সিকদারপাড়া ডলনিরঘোনা এলাকায় এই লোমহর্ষক ঘটনা ঘটে।

 

স্থানীয় বাসিন্দা ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গভীর রাতে ৮ থেকে ১০ জনের একটি সশস্ত্র ডাকাতদল জানালার গ্রিল কেটে ওই বাড়িতে প্রবেশ করে। ডাকাতরা প্রথমে নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকারসহ মূল্যবান মালামাল লুট করে। এরপর ঘরে থাকা মা ও তার স্কুলপড়ুয়া মেয়েকে আটকে রেখে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করে পালিয়ে যায়।

 

পরে স্বজনরা তাদের উদ্ধার করে প্রথমে চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে তাদের শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়।

 

ভুক্তভোগী স্কুলছাত্রীর মামা জানান— আমার বোন ও ভাগ্নিকে পাশবিক অত্যাচার করেছে ডাকাতদল। বর্তমানে ভাগ্নির অবস্থা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে চিকিৎসকরা তাকে নিবিড় পর্যবেক্ষণে (আইসিইউ) রেখে চিকিৎসা দিচ্ছেন।

 

ঘটনার পর চকরিয়া সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার অভিজিৎ দাশসহ পুলিশের একাধিক টিম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। মঙ্গলবার ভোর থেকে সকাল পর্যন্ত পুরো এলাকা ঘিরে রেখে অভিযান চালিয়ে ৬ জনকে আটক করা হয়।

 

আটকরা হলেন, মাতামুহুরী উপজেলার ডলুনিঘোনা এলাকার রেজাউল করিম (৩৬), তোফাজ্জল হোসেন ওরফে বাবু (২৩) ও তাঁর ভাই কেফায়েত হোসেন ওরফে পুইত্যা (২৭), মোহাম্মদ তানজিদ (২৪), সাহারবিল ইউনিয়নের কদ্দাছড়া এলাকার মেহেদী হাসান (২৪) এবং কোরালখালী এলাকার মোহাম্মদ তারেক (২৬)।

 

চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনির হোসেন এবং মাতামুহুরী পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের পরিদর্শক মো. মাসুদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, ঘটনার তদন্তের পাশাপাশি জড়িত অন্য আসামিদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

 

এদিকে একই রাতে ১টার দিকে উপজেলার কদ্দার ছড়া এলাকায় এক প্রবাসীর বাড়িতেও হানা দেয় ডাকাত দল। সেখান থেকে প্রায় ১০ লাখ টাকার স্বর্ণালংকার, নগদ অর্থ ও মূল্যবান সামগ্রী লুট করে নিয়ে যাওয়া হয়।

 

এর আগে ঈদুল আজহার আগের দিন অলির বাপের পাড়ায় জনৈক চিকিৎসকের বাড়িতে চুরি এবং পরে পুলিশ পরিচয়ে ডাকাতির চেষ্টার ঘটনা ঘটে।

 

এলাকাবাসীর অভিযোগ, এলাকায় একটি সংঘবদ্ধ ‘গ্রিল-কাটা’ ডাকাত চক্র তীব্রভাবে সক্রিয় হয়ে উঠেছে। একের পর এক চুরি, ডাকাতি ও সর্বশেষ পাশবিক ধর্ষণের এই ঘটনায় পুরো উপজেলার সাধারণ মানুষের মধ্যে চরম আতঙ্ক ও তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়রা অবিলম্বে এই চক্রের মূল হোতাদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

ডাকাতির পর মা-মেয়েকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ

 

সরকারের কোষাগারের টাকায় ঢাকার দুই সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক নির্বাচনী প্রচারণা চালাচ্ছেন বলে অভিযোগ করেছেন এনসিপির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।

 

আজ মঙ্গলবার (৯ জুন) বিকেলে রাজধানীর নাখালপাড়ার হোসেন আলী উচ্চ বিদ্যালয়ে বৃক্ষ বিতরণ কর্মসূচি শেষে এ অভিযোগ করেন তিনি।

 

এনসিপির মুখপাত্র বলেন, এনসিপির পক্ষ থেকে ৫ দফা দাবি দেওয়া হয়েছে। তারা চেয়ারে বসে নির্বাচন করতে পারবেন না। তারা লাখ লাখ পোস্টার লাগিয়ে নগরকে দূষিত করছেন। আবাসিক এলাকা, এমনকি মেট্রো স্টেশনেও গরুর হাট বসানো হয়েছে। এই অব্যবস্থাপনাই প্রমাণ করে তারা মেয়র হওয়ার যোগ্য নন।

 

আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেন, বিভিন্ন জায়গায় আওয়ামী লীগের (কার্যক্রম নিষিদ্ধ দল) মিছিল হচ্ছে। যা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও মন্ত্রণালয়ের ব্যর্থতা, কারণ আওয়ামী লীগের সকল কার্যক্রম নিষিদ্ধ আছে।

 

এদিকে, স্থানীয় নির্বাচনে এনসিপি এককভাবে অংশ নেওয়ার সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নিচ্ছে উল্লেখ করে আসিফ মাহমুদ জানান, জোটগতভাবে নির্বাচনে যাবে কি না তা তফসিলের পর দলগুলোর সাথে বসে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

সরকারি টাকায় ভোটের প্রচারণা চালাচ্ছেন ঢাকার দুই সিটি প্রশাসক: আসিফ মাহমুদ

কালিগঞ্জ ও আশাশুনি থানা পরিদর্শনে পুলিশ সুপার, সেবার মানোন্নয়নে দিলেন নির্দেশনা

 

মোঃ তুহিন হোসেন সাতক্ষীরা জেলা প্রতিনিধি:

 

সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ ও আশাশুনি থানা পরিদর্শন করেছেন জেলার পুলিশ সুপার আবু সালেহ মোঃ আশরাফুল আলম। মঙ্গলবার (৯ জুন) তিনি দুটি থানার সার্বিক কার্যক্রম পরিদর্শন করেন এবং পুলিশ সদস্যদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, পরিদর্শনকালে পুলিশ সুপার থানার বিভিন্ন শাখার দাপ্তরিক কার্যক্রম, নথিপত্র ও রেজিস্টার পর্যালোচনা করেন। তিনি আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, জনসেবার মান বৃদ্ধি এবং থানার প্রশাসনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল করার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দেন।

এ সময় তিনি থানায় কর্মরত কর্মকর্তা ও সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। পুলিশ সদস্যদের পেশাগত দক্ষতা, শৃঙ্খলা ও দায়িত্বশীলতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি তাদের মনোবল বৃদ্ধিতে বিভিন্ন দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য দেন।

পুলিশ সুপার বলেন, জনগণের আস্থা অর্জন এবং সেবার মান উন্নয়নে পুলিশ সদস্যদের আন্তরিকতা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে হবে। একই সঙ্গে অপরাধ দমন ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সর্বোচ্চ সতর্কতা বজায় রাখার আহ্বান জানান তিনি।

পরিদর্শনকালে কালিগঞ্জ ও আশাশুনি থানার বিভিন্ন পদমর্যাদার পুলিশ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। কর্মকর্তারা জানান, পুলিশ সুপারের এ ধরনের পরিদর্শন মাঠপর্যায়ের সদস্যদের কাজে আরও উৎসাহিত করবে এবং থানার কার্যক্রমকে গতিশীল করতে সহায়ক ভূমিকা রাখবে।

কালিগঞ্জ ও আশাশুনি থানা পরিদর্শনে পুলিশ সুপার, সেবার মানোন্নয়নে দিলেন নির্দেশনা

দেশের তৃণমূল পর্যায়ে মানসম্মত চিকিৎসা পৌঁছে দিতে বিদ্যমান সব ৩১ ও ৫০ শয্যাবিশিষ্ট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে ১০১ শয্যায় উন্নীত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

 

মঙ্গলবার (৯ জুন) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের (পিআইডি) সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত সাপ্তাহিক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।

 

স্বাস্থ্য খাতসহ সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের বিগত সপ্তাহের মাঠপর্যায়ের গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতির বিবরণ তুলে ধরেন তিনি।

 

সংবাদ ব্রিফিংয়ে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা জানান, বর্তমানে সারা দেশে মাত্র ৮টি উপজেলায় ১০০ শয্যার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স চালু রয়েছে। জনগণের স্বাস্থ্যসেবার পরিধি ও মান বাড়াতে এর বাইরে থাকা দেশের বাকি সব ৩১ শয্যা ও ৫০ শয্যার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে ১০১ শয্যায় উন্নীত করার কাজ হাতে নিয়েছে সরকার।

 

তিনি জানান, জনগণের দোরগোড়ায় দ্রুত জরুরি স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে দেশীয় প্রযুক্তিতে বিদ্যুৎচালিত অ্যাম্বুলেন্স তৈরির উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) কারিগরি সহায়তায় এই অ্যাম্বুলেন্সগুলো তৈরি করা হবে। গত ৬ জুন প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় সংশ্লিষ্টদের নিয়ে অনুষ্ঠিত এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে প্রাথমিকভাবে একটি উপজেলাকে মডেল হিসেবে ধরে এই প্রকল্পের কাজ শুরুর পরিকল্পনা ও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

 

দেশের ডেঙ্গু রোগজনিত পরিস্থিতির কথা চিন্তা করে ‘ডেঙ্গুর ক্লিনিক্যাল ম্যানেজমেন্ট জাতীয় প্রশিক্ষণ কার্যক্রম’-এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়েছে। গত ৭ জুন বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আগত চিকিৎসকদের নিয়ে প্রথম পর্যায়ের প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়। ঢাকার বাইরে দেশের বাকি সাতটি বিভাগে এবং সবগুলো জেলায় পর্যায়ক্রমে এ ধরনের বিশেষ প্রশিক্ষণ কর্মশালার আয়োজন করা হবে।

 

ব্রিফিংয়ে উপদেষ্টা জানান, পারমাণবিক বিদ্যুতের যুগে প্রবেশের প্রস্তুতি হিসেবে দেশের গ্রিড ব্যবস্থা আধুনিকায়নের সমীক্ষা চলছে। ভোক্তা পর্যায়ে ১২ কেজি এলপিজির দাম কমিয়ে ১ হাজার ৮৮৫ টাকা করা হয়েছে। লাইফ লাইন ও প্রথম ধাপের গ্রাহকদের জন্য বিদ্যুতের বর্ধিত মূল্যহার স্থগিত রেখে পূর্বের দাম বহাল রাখা হয়েছে।

 

উপদেষ্টা জানান, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের কারিকুলামে কর্মমুখী শিক্ষার অন্তর্ভুক্তির লক্ষ্যে ১২ হাজার শিক্ষকের প্রশিক্ষণ কর্মসূচি উদ্বোধন করা হয়েছে। প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবলে দেশের ২২ লাখের বেশি শিক্ষার্থী অংশ নিয়েছে। সারা দেশে ১ হাজার ১০০টি কেন্দ্রের মাধ্যমে ওএমএস কর্মসূচিতে ভর্তুকি মূল্যে খাদ্যপণ্য বিক্রি চলছে। বর্তমানে সরকারি গুদামে ১৮ লাখ ৭৪ হাজার মেট্রিক টনের বেশি খাদ্যশস্য মজুত রয়েছে। এছাড়া দেশীয় খামারিদের উৎপাদিত পশু দিয়েই এবারের ঈদুল আজহার শতভাগ চাহিদা পূরণ হয়েছে।

সব উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ১০১ শয্যায় উন্নীত করবে সরকার

তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সংঘবদ্ধ যুবকদের হামলায় গুরুতর আহত হওয়ার ১১ দিন পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছে শেরপুর সরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের কম্পিউটার টেকনোলজি বিভাগের দ্বিতীয় পর্বের প্রথম শিফটের শিক্ষার্থী আল মুহতাছিম সাইফ (১৭)। সোমবার (৯ জুন) সকালে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

 

নিহত সাইফ শহরের দমদমা কালীগঞ্জ মহল্লার আব্দুল মালেকের ছেলে।

 

পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, ঈদুল আজহার পরদিন ২৯ মে বিকেল চারটার দিকে শেরপুর শহরের তাতালপুর বিএম রোড এলাকায় অবস্থান করছিলেন সাইফ। এ সময় নাঈম মিয়া (১৯), পাপ্পু (২০), স্বপন (২১) ও আরমান (২০) নামের কয়েকজন যুবক সেখানে ছবি তোলার জন্য তাকে স্থান ত্যাগ করতে বলেন। সাইফ এতে রাজি না হলে তাদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি শুরু হয়।

 

একপর্যায়ে ওই যুবকরা সাইফকে মারধর করেন। পরে মোবাইল ফোনে আরও ১০-১৫ জনকে ডেকে এনে দেশি অস্ত্র দিয়ে হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। হামলাকারীরা সাইফকে মারধরের পাশাপাশি রাস্তার পাশে জমে থাকা পানিতে চুবিয়ে হত্যার চেষ্টা করে বলেও মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।

 

সাইফের চিৎকার শুনে স্থানীয় লোকজন ঘটনাস্থলে ছুটে এলে হামলাকারীরা পালিয়ে যান। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় সাইফকে উদ্ধার করে প্রথমে শেরপুর জেলা সদর হাসপাতালে এবং পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে কয়েকদিন চিকিৎসাধীন থাকার পর সোমবার সকালে তার মৃত্যু হয়।

 

এ ঘটনায় গত ৬ জুন সাইফের মা রেবেকা সুলতানা বাদী হয়ে ১৫ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা আরও ১০ থেকে ১৫ জনকে আসামি করে শেরপুর সদর থানায় হত্যাচেষ্টার মামলা করেন।

 

শেরপুর সদর থানার ওসি সোহেল রানা বলেন, আহত শিক্ষার্থী চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। মৃত্যুর ঘটনায় মামলাটি এখন হত্যা মামলায় রূপান্তরের প্রক্রিয়া চলমান। জড়িতদের গ্রেপ্তারে পুলিশ অভিযান অব্যাহত রেখেছে।

ছবি তোলাকে কেন্দ্র করে হামলা, ১১ দিন পর পলিটেকনিক শিক্ষার্থীর মৃত্যু

 

সাভারের ছায়াবিথি এলাকার একটি তিনতলা ভবনের দ্বিতীয় তলার তালাবদ্ধ ফ্ল্যাট থেকে রিয়া মনি (১৯) নামে এক তরুণীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার (৮ জুন) বিকেলে সাভার মডেল থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ফ্ল্যাটের তালা ভেঙে মরদেহ উদ্ধার করে। নিহত রিয়া মনি পৌর ছাত্রদলের সহ-সাধারণ সম্পাদক রনি ইসলামের স্ত্রী।

 

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়। নিহত রিয়া মনি নোয়াখালী জেলার মাইজদী থানার রৌফ চৌধুরীর মেয়ে।

 

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সাভারের ছায়াবিথি এলাকার ওই ফ্ল্যাটে রনি ইসলাম ও তার স্ত্রী রিয়া মনি ভাড়া থাকতেন। গত কিছুদিন ধরে তাদের মধ্যে পারিবারিক কলহ চলছিল। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, রিয়াকে হত্যার পর ফ্ল্যাটে তালা লাগিয়ে রনি ইসলাম পালিয়ে যান।

 

নিহতের মামা সাদ্দাম হোসেন অভিযোগ করে বলেন, রনি ইসলাম সম্প্রতি পৌর ছাত্রদলের সহ সাধারণ সম্পাদক পদ পাওয়ার পর থেকে রিয়ার ওপর মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন চালিয়ে আসছিলেন। পারিবারিক বিরোধের জেরে তিনি রিয়াকে শ্বাসরোধ বা অন্য কোনোভাবে হত্যা করে ঘরে তালা লাগিয়ে পালিয়ে গেছেন বলে তাদের দাবি।

 

তিনি জানান, ঘটনার পর রনি তার মাকে ফোনে বিষয়টি জানানোর পর ঘটনাটি প্রকাশ পায়। এরপর থেকে তার মোবাইল ফোন বন্ধ রয়েছে এবং তিনি আত্মগোপনে আছেন।

 

নিহতের নানি জাহানারা বেগম জানান, রিয়ার বাবা ও মা দুজনেই প্রবাসে থাকেন। তাদের মেয়েকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ করে তিনি দোষীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।

 

এ বিষয়ে সাভার মডেল থানার উপ পরিদর্শক রমজান আলী বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তালা ভেঙে মরদেহ উদ্ধার করে। সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি শেষে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

স্ত্রীকে শ্বাসরোধ করে হত্যার অভিযোগ ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে

র‌্যাবের চৌকস অভিযানে জীপসহ প্রায় ১১ হাজার ইয়াবার চালান আটক

জামালপুর হামলা পাল্টা হামলার মধ্য দিয়ে জেলার সানন্দবাড়ী তে থমথমে অবস্থা বিরাজমান।

খেলাধুলা

বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিসিবির সভাপতি হলেন তামিম

ব্রাজিলের প্রতি অগাধ ভালোবাসা এবং সমর্থকদের উৎসাহিত করতে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নিয়েছেন রাজবাড়ী জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য অ্যাডভোকেট গোলাম মোস্তফা। তিনি ঘোষণা দিয়েছে, বিশ্বকাপ চলাকালীন ব্রাজিল সমর্থকদের অর্ধেক ফি’তে আইনি সহায়তা প্রদান করবেন।

 

অ্যাডভোকেট গোলাম মোস্তফা রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দি উপজেলার নারুয়া ইউনিয়নের শোলাবাড়িয়া গ্রামের বাসিন্দা। তার এমন ‘এক্সক্লুসিভ অফারে’ স্থানীয় ব্রাজিল সমর্থকদের মধ্যে দেখা দিয়েছে বাড়তি উৎসাহ-উদ্দীপনা।

 

রাজবাড়ীর রাকিবুল ইসলাম রনি ও মোহাম্মদ সজিবসহ একাধিক ব্রাজিল সমর্থক বলেন, ব্রাজিল দলকে যারা ভালোবাসে, তারা ছাড় দিতে জানে। আইনজীবী গোলাম মোস্তফার এই উদ্যোগ তারই প্রমাণ। তবে মাঠের খেলায় আমাদের দলের খেলোয়াড়রা কোনো ছাড় দেয় না। এবারও ব্রাজিল বিশ্বকাপ জিতে নিজেদের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করবে।

 

এ বিষয়ে অ্যাডভোকেট গোলাম মোস্তফা বলেন, ফুটবল আমার প্রিয় খেলা। ছোটবেলা থেকেই ফুটবলের প্রতি আমার বিশেষ আগ্রহ। জ্ঞান হওয়ার পর পেলে, রোনালদো, রোনালদিনহোসহ ব্রাজিলের কিংবদন্তি খেলোয়াড়দের খেলা দেখে মুগ্ধ হই। ১৯৯৮ সাল থেকে আমি ব্রাজিল দলের সমর্থক।

 

তিনি আরও বলেন, ব্রাজিল দলের খেলোয়াড়দের মধ্যে যে নান্দনিকতা ও দক্ষতা রয়েছে তা অন্য দলের খেলোয়াড়দের মধ্যে খুব কমই দেখা যায়। আমি বিশ্বাস করি এবারের বিশ্বকাপে ব্রাজিলই চ্যাম্পিয়ন হবে। আর আমি যেহেতু একজন আইনজীবী তাই বিশ্বকাপ চলাকালীন আমার কাছে কোনো ব্রাজিল সমর্থক মক্কেল এলে তাকে অর্ধেক ফি-তে আইনি সহায়তা দেব।

 

মক্কেল ব্রাজিলের সমর্থক কিনা তা কীভাবে নির্ধারণ করবেন এমন প্রশ্নের জবাবে অ্যাডভোকেট গোলাম মোস্তফা বলেন, আমি ব্রাজিল দলকে মন থেকে ভালোবাসি। সমর্থকদের বাড়তি উৎসাহ দিতেই এই ঘোষণা। আর কে কোন দলের সমর্থক কথা বললেই অনেকটা বোঝা যায়। যাচাই-বাছাই করেই এই সুবিধা দেওয়া হবে বলে আশ্বস্ত করেন এই ব্রাজিল সমর্থক আইনজীবী।

ব্রাজিল সমর্থকদের অর্ধেক ফি’তে আইনি সহায়তা দেওয়ার ঘোষণা রাজবাড়ীর আইনজীবীর

সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচে আজ মুখোমুখি পাকিস্তান ও অস্ট্রেলিয়া

 

রাকিবুল ইসলাম রঞ্জু:

 

লাহোরের ঐতিহাসিক গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে আজ বিকাল ৫টা ৩০ মিনিটে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ম্যাচে মুখোমুখি হবে স্বাগতিক পাকিস্তান ও সফরকারী অস্ট্রেলিয়া। প্রথম দুই ম্যাচ শেষে সিরিজ ১-১ সমতায় থাকায় আজকের ম্যাচটি কার্যত অলিখিত ফাইনালে পরিণত হয়েছে। যে দল জিতবে, ট্রফিও উঠবে তাদের হাতেই।

 

সিরিজের প্রথম ম্যাচে দুর্দান্ত ক্রিকেট খেলে দাপুটে জয় তুলে নিয়েছিল পাকিস্তান। তবে দ্বিতীয় ম্যাচে শক্তভাবে ঘুরে দাঁড়িয়ে সিরিজে সমতা ফেরায় অস্ট্রেলিয়া। ব্যাটিং ও বোলিং—দুই বিভাগেই সমন্বিত পারফরম্যান্স দেখিয়ে স্বাগতিকদের হারিয়ে দেয় তারা।

ফলে আজকের ম্যাচে দুই দলের সামনেই সমান সুযোগ। পাকিস্তান চাইবে নিজেদের কন্ডিশন, ঘরের মাঠের সুবিধা এবং দর্শকদের সমর্থন কাজে লাগিয়ে সিরিজ নিজেদের করে নিতে। অন্যদিকে অস্ট্রেলিয়ার লক্ষ্য থাকবে দ্বিতীয় ম্যাচের আত্মবিশ্বাস ধরে রেখে শিরোপা জয়ের মিশন সফল করা।

লাহোরের উইকেট কিছুটা মন্থর হওয়ার সম্ভাবনা থাকায় স্পিনারদের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। পাশাপাশি দুই দলের টপ অর্ডার ব্যাটারদেরও ধৈর্য ও দায়িত্বশীলতার বড় পরীক্ষা দিতে হবে।

সিরিজের ভাগ্য নির্ধারণী এই ম্যাচে স্নায়ুচাপ সামলে কোন দল শেষ হাসি হাসে, সেটাই এখন দেখার অপেক্ষা।

সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচে আজ মুখোমুখি পাকিস্তান ও অস্ট্রেলিয়া

স্কীপ রাইজিং স্টারস গোল্ড কাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের,, আর এইচ ফুটবল একাদশের জয়

 

 

মোঃ সাইদুল ইসলাম হেলাল

নওগাঁ প্রতিনিধিঃ

নওগাঁ সদর উপজেলা হাঁসাইগাড়ী ইউনিয়ন কাটখৈরে অনুষ্ঠিত হলো বহুল প্রতীক্ষিত রাইজিং স্টারস গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৬।

ঈদের ছুটির আমেজে গ্রামের সকল স্তরের মানুষের মাঝে এ খেলাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা যায়। খেলা শুরুর আগেই মাঠটি দর্শকদের উপস্থিতিতে কানায় কানায় পরিপূর্ণ হয়ে ওঠে।

 

খেলার প্রথমার্ধ থেকেই দুই দলই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলা শুরু করে। মাঠের চারপাশ থেকে দর্শকদের তুমুল করতালি আর স্লোগানে মুখরিত হয়ে ওঠে পুরো এলাকা।

 

জমজমাট এই ফুটবল আসরে মুখোমুখি হয় সূযমুখি ফুটবল একাদশ ও আর. এইচ ফুটবল একাদশ

রোমাঞ্চকর লড়াই শেষে ১-০ গোলের ব্যবধানে বিজয় অর্জন করেছে আর এইচ ফুটবল একাদশ।

 

০১ জুন ২০২৬, সোমবার বিকেল ৫ টায় কাটখৈর ভূতলিয়া ফুটবল মাঠ প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হয় রাইজিং স্টার গোল্ড কাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৬ এর গুরুত্বপূর্ণ ফাইনাল ম্যাচ।

 

ম্যাচের শুরু থেকেই উভয় দল আক্রমণাত্মক ফুটবল উপহার দেয় দর্শকদের। মাঠজুড়ে ছিল তুমুল উত্তেজনা, প্রতিটি মুহূর্তে দর্শকরা উপভোগ করেছেন রুদ্ধশ্বাস লড়াই। তবে নির্ধারিত সময়ের এক গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে আর এই ফুটবল একাদশ খেলোয়াড়দের দুর্দান্ত সমন্বয়ে আসে ম্যাচের একমাত্র গোল।

এই গোলেই সূর্যমুখী ফুটবল একাদশকে ১-০ ব্যবধানে পরাজিত করে বিজয় ছিনিয়ে নেয় আর এস ফুটবল একাদশ ।

 

টুর্নামেন্টে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, মোঃ জালাল হোসেন শাহানা সাবেক চেয়ারম্যান, হাঁসাইগাড়ী ইউনিয়ন পরিষদ, সভাপতি হাঁসাইগাড়ী ইউনিয়ন বিএনপি, সহ সভাপতি নওগাঁ সদর উপজেলা বিএনপি। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বিএনপির অন্যান্য সংগঠনের সহযোগী রাজনৈতিক বৃন্দ,সামাজিক ও ক্রীড়া ব্যক্তিত্ব।

খেলার পুরো সময় জুড়ে মাঠে ছিল উৎসবমুখর পরিবেশ। স্থানীয় ক্রীড়াপ্রেমীদের ব্যাপক উপস্থিতি টুর্নামেন্টকে আরও প্রাণবন্ত করে তোলে।

 

পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি বলেন, এই ধরণের প্রীতি ম্যাচ গ্রামীণ জনপদে ঈদের আনন্দকে আরও বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়। যুবসমাজকে মাদক, মোবাইলে জুয়া আসক্তি থেকে দূরে রাখতে এবং সমাজের সকল বয়সের মানুষের মধ্যে মেলবন্ধন তৈরিতে এই আয়োজন সত্যিই প্রশংসনীয়।

 

স্থানীয় ক্রীড়াঙ্গনের উন্নয়ন এবং তরুণদের খেলাধুলার প্রতি আগ্রহ বাড়াতে এ ধরনের আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে বলে মনে করছেন রাইজিং স্টারস গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের আয়োজক ও দর্শকরা।

স্কীপ রাইজিং স্টারস গোল্ড কাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের,, আর এইচ ফুটবল একাদশের জয়

ফুটবল বিশ্বকাপ শুরু হতে আর মাত্র ১০দিন বাকি। সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী ১১ জুন মাঠে গড়াবে ফিফা বিশ্বকাপ। ফুটবল বিশ্বকাপ ভারতে সরাসরি দেখাবে জি এন্টারটেইনমেন্ট।

ডেস্ক রিপোর্টঃ মোঃ ওমর ফারুক

বাংলাদেশে বিশ্বকাপ দেখা নিয়ে এখনো কাটেনি অনিশ্চয়তা।

 

সোমবার জি এন্টারটেইনমেন্ট কর্তৃপক্ষ আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়েছে, তারা ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপ এবং ২০৩৪ সাল পর্যন্ত আরও ৩৮টি ফিফা ইভেন্ট সম্প্রচারের স্বত্ব পেয়েছে। চুক্তির আর্থিক শর্তাবলী প্রকাশ করেনি প্রতিষ্ঠানটি। তবে ভারতীয় গণমাধ্যমের দাবি, এই চুক্তির মূল্য ৩০ থেকে ৩৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের মধ্যে হতে পারে। এতে ভারতজুড়ে বেশ স্বল্পমূল্যেই ফুটবল বিশ্বকাপ দেখার সুযোগ পাচ্ছেন ক্রীড়াপ্রেমীরা।

 

রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ফিফা প্রাথমিকভাবে ভারতের প্যাকেজটির জন্য ১০০ মিলিয়ন ডলার চেয়েছিল। পরে তাদের চাওয়া দাম কমিয়ে ৬০ মিলিয়ন ডলারে নামিয়ে আনে। এর আগে গত ১৫ মে চীনের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম ‘সিএমজি’ প্রায় ৬০ মিলিয়ন ডলারে ২০২৬ বিশ্বকাপের একচেটিয়া স্বত্ব কিনে নেয়।

 

ভারত ও চীনে সম্প্রচার স্বত্ব চূড়ান্ত হলেও বাংলাদেশের দর্শকরা এখনো জানেন না তারা কোথায় দেখবেন বিশ্বকাপ। বাংলাদেশে ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের সম্প্রচার স্বত্বের জন্য ১ কোটি ২৩ লাখ মার্কিন ডলার (প্রায় ১৫০ কোটি ৯৮ লাখ টাকা) দাবি করেছে ফিফার সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলো। এর সঙ্গে কর, অগ্রিম আয়কর ও ভ্যাট যুক্ত হলে মোট ব্যয়ের পরিমাণ প্রায় ২০০ কোটি টাকায় গিয়ে পৌঁছাতে পারে।

 

বিপুল পরিমাণ এই অর্থের কারণে রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম বিটিভি কিংবা দেশের অন্য কোনো বেসরকারি স্যাটেলাইট চ্যানেল এখন পর্যন্ত এই চুক্তিতে সম্মত হতে পারেনি। মূলত এই আকাশচুম্বী আর্থিক চাহিদার কারণেই বাংলাদেশে বিশ্বকাপ সম্প্রচার নিয়ে তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তা।

 

তথ্য ও যোগাযোগ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, ব্যয় সংকোচন করে দেশে বিশ্বকাপ সম্প্রচারের চেষ্টা এখনো চলমান রয়েছে। আজ বিষয়টি নিয়ে পুনরায় আলোচনা শুরু হওয়ার কথা। বর্তমানে দেশের কয়েকটি বেসরকারি সম্প্রচারমাধ্যম যৌথভাবে স্বত্ব নেওয়ার বিষয়ে আলোচনা চালাচ্ছে। যেখানে টি-স্পোর্টস ও স্টার নিউজের অংশীদারিত্বের একটি উদ্যোগের কথা শোনা যাচ্ছে। পাশাপাশি দুবাইভিত্তিক একটি প্রতিষ্ঠানের সম্পৃক্ততার বিষয়েও আলোচনা চলছে।

 

সরকারের পক্ষ থেকে রাষ্ট্রীয় মাধ্যমে বিনা মূল্যে বিশ্বকাপ দেখানোর প্রস্তাব দেওয়া হলেও ফিফা তাতে সায় দেয়নি।

বিশ্বকাপ দেখানোর সুখবর পেল ভারত, আলোচনায় বাংলাদেশ

ব্রাজিল জাতীয় দলের আসন্ন প্রীতি ম্যাচগুলো থেকে ছিটকে গেছেন তারকা ফরোয়ার্ড নেইমার। একই সঙ্গে বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচেও তার খেলা অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। ব্রাজিল ফুটবল কনফেডারেশনের (সিবিএফ) চিকিৎসক রদ্রিগো লাসমার বৃহস্পতিবার (২৮ মে) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

 

 

তিনি জানান, এমআরআই স্ক্যানে নেইমারের ডান পায়ের কাফে গ্রেড-টু ইনজুরি ধরা পড়েছে। এতে তাকে আরো দুই থেকে তিন সপ্তাহ মাঠের বাইরে থাকতে হবে।

 

লাসমার বলেন, নেইমার গতকাল গ্রানজা কোমারিতে দলের সঙ্গে যোগ দেয়।

 

এরপর তার সব ধরনের মেডিক্যাল পরীক্ষা করা হয়। এমআরআই স্ক্যানে শুধু ফোলা নয়, বরং গ্রেড-টু ক্যাফ ইনজুরি ধরা পড়েছে। তাকে সুস্থ হতে আরো দুই থেকে তিন সপ্তাহ সময় লাগবে। তবে এই ইনজুরির কারণে নেইমারকে চূড়ান্ত স্কোয়াড থেকে বাদ দেওয়া হবে কি না, সে বিষয়ে কিছু জানাননি তিনি।

 

এর আগে মঙ্গলবার জাতীয় দলে যোগ দিলেও বুধবারের প্রথম অনুশীলনে অংশ নেননি নেইমার। ডান পায়ের কাফে ফোলাভাবের অভিযোগ করায় তাকে তেরেসোপোলিসের একটি বেসরকারি ক্লিনিকে স্ক্যানের জন্য পাঠানো হয়।

 

ব্রাজিল দল ঘোষণার আগে নেইমারের ক্লাব সান্তোসের চিকিৎসক রদ্রিগো জোগাইব জানিয়েছিলেন, তার সমস্যাটি কেবল সামান্য ফোলাভাব এবং তিনি অনুশীলনে যোগ দেওয়ার মতো ফিট আছেন। কিন্তু জাতীয় দলের মেডিক্যাল পরীক্ষায় ভিন্ন চিত্র সামনে আসে।

 

এই ইনজুরির কারণে রবিবার মারাকানায় পানামার বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচে খেলতে পারবেন না নেইমার। এ ছাড়া ক্লিভল্যান্ডে মিশরের বিপক্ষের ম্যাচেও তার খেলা হচ্ছে না।

 

সবশেষ পরিস্থিতিতে আগামী ১৩ জুন নিউ জার্সিতে আফ্রিকান চ্যাম্পিয়ন মরক্কোর বিপক্ষে ব্রাজিলের বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচেও তার খেলার সম্ভাবনা খুবই ক্ষীণ। বিশ্বকাপে ব্রাজিল রয়েছে গ্রুপ ‘সি’-তে। একই গ্রুপে আছে হাইতি ও স্কটল্যান্ড।

 

ব্রাজিল কোচ কার্লো আনচেলত্তি ইতোমধ্যেই রবিবারের ম্যাচে পাচ্ছেন না ডিফেন্ডার গ্যাব্রিয়েল মাগালহায়েস, মার্কিনিওস এবং ফরোয়ার্ড গ্যাব্রিয়েল মার্টিনেল্লিকে।

 

চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ফাইনালে আর্সেনাল ও পিএসজির হয়ে ব্যস্ত থাকায় তারা আপাতত জাতীয় দলের বাইরে রয়েছেন।

 

গত সপ্তাহে নেইমারের দলে ফেরা ঘিরে সমর্থকদের মধ্যে ব্যাপক উচ্ছ্বাস তৈরি হয়েছিল। কার্লো আনচেলত্তির দায়িত্ব নেওয়ার পর পুরো এক বছর তার পরিকল্পনায় ছিলেন না ব্রাজিলের সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতা এই ফরোয়ার্ড।

 

১২৮ ম্যাচে ৭৯ গোল করা নেইমার গত কয়েক বছর ধরেই চোটের সমস্যায় ভুগছেন। ক্লাব সান্তোসে ফেরার পরও প্রত্যাশামতো পারফরম্যান্স দেখাতে পারেননি তিনি।

 

এর আগে রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে আনচেলত্তি বলেছিলেন, নেইমারকে কোনো বিশেষ সুবিধা দেওয়া হবে না। জাতীয় দলে তার জায়গা নির্ধারণ হবে শুধুই ফিটনেস ও পারফরম্যান্সের ভিত্তিতে। ফলে আপাতত নেইমারকে ছাড়াই পরিকল্পনা সাজাতে হচ্ছে ব্রাজিলকে।

বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচ থেকে ছিটকে গেলেন নেইমার

বিস্তারিত....

বিনোদন

আজ ২৫শে বৈশাখ। বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬৫ তম আবির্ভাব দিবস। ১২৬৮ বঙ্গাব্দের ২৫ শে বৈশাখ, কলকাতার জোড়াসাঁকো ঠাকুরবাড়িতে জন্ম বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের উৎকর্ষের অন্যতম এই নায়কের। তিনি অনন্য সব সৃষ্টি গল্প, কবিতা, উপন্যাস, ছোটগল্প ও অসংখ্য গানের মধ্য দিয়ে বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃতিকে পৌঁছে দিয়েছেন বিশ্বের কাছে।

 

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের মা সারদাসুন্দরী দেবী এবং বাবা ব্রাহ্ম ধর্মগুরু দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর। তিনি কবিতা লেখা শুরু করেন আট বছর বয়সে। ১৮৯১ সাল থেকে বাবার আদেশে নদিয়া, পাবনা, রাজশাহী ও ওড়িশার জমিদারি তদারকি শুরু করেন। কুষ্টিয়ার শিলাইদহের কুঠিবাড়িতে তিনি দীর্ঘসময় অতিবাহিত করেন। ১৯০১ সালে সপরিবারে চলে আসেন বীরভূমের বোলপুর শহরের উপকণ্ঠে শান্তিনিকেতনে। তার জীবদ্দশায় এবং মৃত্যুর পর প্রকাশিত হয়েছে ৫২টি কাব্যগ্রন্থ, ৩৮টি নাটক, ১৩টি উপন্যাস, ৩৬টি প্রবন্ধ এবং অন্যান্য গদ্য সংকলন। নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে আজ নোবেল বিজয়ী এই সহিত্য প্রতিভাকে স্মরণ করবে তার অগণিত ভক্ত।

 

বিটিভিতে সকাল ৯টায় থাকছে বিশেষ শিশুতোষ অনুষ্ঠান। সকাল ১০টা ৫ মিনিটে প্রচারিত হবে রবীন্দ্রসংগীতের অনুষ্ঠান ‘গীতবিতান’। সন্ধ্যা ৬টায় থাকছে বিশেষ কবিতা আবৃত্তির অনুষ্ঠান। রাত ৯টায় থাকছে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গল্প অবলম্বনে নাটক ‘সম্পত্তি সমর্পণ’। রাত ১০টায় সংবাদের পর প্রচারিত হবে বিশেষ রবীন্দ্রসংগীতের অনুষ্ঠান। অনুষ্ঠানে কবির বিভিন্ন পর্যায়ের জনপ্রিয় ৯টি গান পরিবেশন করবেন একঝাঁক রবীন্দ্রসংগীতশিল্পী। রাত ১১টায় প্রচারিত হবে ‘চিত্রাঙ্গদা’।

 

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সাহিত্যজগৎ ছিল নানা বর্ণ, মানসিকতা ও চেতনায় ভরপুর। তাইতো, নিঃসঙ্গতার প্রতিচ্ছবি চারুলতা, সামাজিক বেড়াজাল ভেঙে আত্মসচেতন হয়ে ওঠা বিনোদিনী কিংবা গোরা উপন্যাসের স্বদেশপ্রেম ও জাতিসত্তার পরিচয়ে জর্জরিত পুরুষের মধ্যে আজও পাঠক খুঁজে ফেরে নিজেদের। বাংলার মাটিতে যেমন তাঁর কদর, তেমনি বিশ্ব দরবারেও সমানভাবে ছড়িয়ে আছে তার দীপ্তি। সাহিত্যে অবদানের জন্য ১৯১৩ সালে নবজাগরণের এই পুরোধাকে ভূষিত করা হয় নোবেল পুরস্কারে। দিনটি উদযাপনে দেশের বিভিন্ন স্থানে আয়োজন করা হয়েছে নানা আয়োজন।

বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬৫তম জন্মজয়ন্তী আজ

প্রতিবেদন: ওমর ফারুক

আজ ৩ মে বিশ্বজুড়ে পালিত হচ্ছে বিশ্ব গণমাধ্যম দিবস। গণমাধ্যমের স্বাধীনতা, দায়বদ্ধতা এবং সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার গুরুত্ব তুলে ধরতেই প্রতি বছর এই দিনটি পালন করা হয়।

১৯৯৩ সালে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ আনুষ্ঠানিকভাবে ৩ মে-কে বিশ্ব গণমাধ্যম স্বাধীনতা দিবস হিসেবে ঘোষণা করে। এর আগে ১৯৯১ সালে নামিবিয়ার উইন্ডহুকে গৃহীত উইন্ডহুক ঘোষণা-এর মাধ্যমে স্বাধীন ও বহুমুখী গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানানো হয়, যা পরবর্তীতে এই দিবস ঘোষণার ভিত্তি তৈরি করে।

বর্তমান সময়ে গণমাধ্যম সমাজের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে সত্য ও নিরপেক্ষ তথ্য মানুষের কাছে পৌঁছে দিচ্ছে। নানা চ্যালেঞ্জের মধ্যেও সাংবাদিকরা পেশাগত দায়িত্ব পালন করে গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে অবদান রাখছেন।

বিশ্ব গণমাধ্যম দিবস উপলক্ষে গণ টেলিভিশন-এর পক্ষ থেকে দেশের সকল সাংবাদিক, গণমাধ্যমকর্মী ও দর্শকদের জানানো হয়েছে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনের মাধ্যমে সমাজের কল্যাণে কাজ করে যাওয়ার প্রত্যয় পুনর্ব্যক্ত করেছে প্রতিষ্ঠানটি।

আজ বিশ্ব গণমাধ্যম দিবস

প্রতিবেদনঃ ওমর ফারুক

যারা বিবাহিত, তাদের তুলনায় অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্কদের ক্যানসার হওয়ার ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি। যুক্তরাষ্ট্রের মায়ামি বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন এক গবেষণায় এমন চমকপ্রদ তথ্য উঠে এসেছে।

পরিসংখ্যান অনুযায়ী, অবিবাহিত পুরুষদের ক্যানসারের ঝুঁকি বিবাহিতদের তুলনায় প্রায় ৭০ শতাংশ বেশি।

গবেষণায় দেখা গেছে, যারা কখনো বিয়ে করেননি, তাদের মধ্যে ক্যানসারে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি তুলনামূলকভাবে বেশি।

 

 

২০১৫ থেকে ২০২২ সালের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের ১২টি অঙ্গরাজ্যের ৪০ লাখের বেশি মানুষের তথ্য বিশ্লেষণ করে এই ফল পাওয়া গেছে। গবেষণায় বলা হয়েছে, প্রায় সব ধরনের প্রধান ক্যানসারের ক্ষেত্রেই অবিবাহিতদের ঝুঁকি বেশি দেখা গেছে।

 

পরিসংখ্যান অনুযায়ী, অবিবাহিত পুরুষদের ক্যানসারের ঝুঁকি বিবাহিতদের তুলনায় প্রায় ৭০ শতাংশ বেশি। নারীদের ক্ষেত্রে এই ঝুঁকি আরও বেশি, প্রায় ৮৫ শতাংশ পর্যন্ত।

 

গবেষণায় আরও দেখা গেছে, অবিবাহিত পুরুষদের মধ্যে মলদ্বারের ক্যানসারের হার বিবাহিতদের তুলনায় প্রায় পাঁচ গুণ বেশি। অন্যদিকে অবিবাহিত নারীদের ক্ষেত্রে জরায়ুমুখের ক্যানসারের হার প্রায় তিন গুণ বেশি।

গবেষকদের মতে, বিয়ে অনেক সময় মানুষের জীবনযাপনকে প্রভাবিত করে। খাদ্যাভ্যাস, স্বাস্থ্যসচেতনতা এবং নিয়মিত চিকিৎসা পরীক্ষার মতো বিষয়গুলো এতে যুক্ত থাকে। ফলে এটি পরোক্ষভাবে স্বাস্থ্যের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে।

 

তবে বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন, এর মানে এই নয় যে বিয়ে করলেই ক্যানসার থেকে সুরক্ষা পাওয়া যাবে। বরং এটি একটি সামাজিক ও আচরণগত ইঙ্গিত মাত্র।

 

গবেষকরা আরও বলেছেন, যারা অবিবাহিত, তাদের উচিত স্বাস্থ্যঝুঁকির বিষয়ে আরও সতর্ক থাকা। নিয়মিত পরীক্ষা করানো এবং স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন বজায় রাখে।

 

অবিবাহিতদের ক্যানসারের ঝুঁকি বেশি, বলছে গবেষণা

বিস্তারিত....

মতামত

ইসলামী ব্যাংক ইসলাম নয়, মির্জা ফখরুল ইসলামও ইসলাম নয়, আবার জামায়াতে ইসলামও ইসলাম নয়। সবকিছুতে এভাবে ইসলামের দোহাই দেওয়া ঠিক নয়’’ বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমদ।

 

আজ মঙ্গলবার (০৯ জুন) জাতীয় সংসদে বাজেট অধিবেশনে বিরোধীদলের সংসদ সদস্যদের সমালোচনার জবাবে এ মন্তব্য করেন তিনি।

 

ইসলামী ব্যাংকের শীর্ষ পদে সাম্প্রতিক রদবদল, গ্রাহক বিক্ষোভ এবং সাবেক এমডির পদত্যাগ নিয়ে আজ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমদের বিরুদ্ধে বক্তব্য দেন বিরোধীদলের এমপিরা।

 

পরে বিরোধীদলকে উদ্দেশ্য করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘‘চেয়ারম্যান থেকে শুরু করে বোর্ড অব ডিরেক্টরের সবাইকে ব্যাংক কোম্পানি আইন অনুযায়ী বাংলাদেশ ব্যাংক অব্যাহতি দিতে পারে। এ বিষয়ে যদি কোনো প্রশ্ন তুলতে হয়, তবে আইন পরিবর্তন করে আসতে হবে।’’

 

অভিযোগ করে সালাউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘ব্যাংকে বিশৃঙ্খলা তৈরির উদ্দেশ্যে একটি মহল পর্দার আড়ালে থেকে ‘‘গ্রাহক’’ সেজে আন্দোলন করাচ্ছে। বিরোধীদল বিরোধীদলের ভূমিকা পালন করুক, তাতে আপত্তি নেই। কিন্তু বারে বারে এভাবে পর্দার আড়ালে ও পর্দার বাইরে প্রচারণা চালিয়ে মানুষকে বিভ্রান্ত করবেন না।’

 

সংসদকে আশ্বস্ত করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘‘ইসলামী ব্যাংকের বৈধ শেয়ারহোল্ডারদের শেয়ার যথাযথভাবে হস্তান্তর করা হবে। এছাড়া, নাবিল গ্রুপসহ যারা ব্যাংক থেকে টাকা নিয়ে আর ফেরত দেয়নি, তাদের প্রত্যেকের বিরুদ্ধে সুষ্ঠু তদন্ত করা হবে। একই সঙ্গে, বিগত সময়ে নিয়ম না মেনে ব্যাংকটিতে যে ৯ হাজার কর্মীকে চাকরিচ্যুত করা হয়েছিল, সেই বিষয়টিও তদন্তের আওতায় আনা হবে বলে জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।’’

 

এর আগে জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমানও মন্তব্য করেছিলেন, ‘‘একটি নতুন ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান পদে অযোগ্য ব্যক্তিকে বসানো হয়েছে।’’

 

সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে অংশ নিয়ে বিরোধীদলের উপনেতা আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের ইসলামী ব্যাংকের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে সরকারের তীব্র সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, ‘‘বিগত সরকারের আমলে ২৬টি ভুয়া কোম্পানি গঠন করে ইসলামী ব্যাংক থেকে ১ লাখ ২৫ হাজার কোটি টাকা সরিয়ে নিয়েছিল এস আলম গ্রুপ। আর এখন বর্তমান সরকার ব্যাংকটিতে কিছু বিতর্কিত লোককে বসিয়েছে। এর মাধ্যমে জনগণের টাকা পুনরায় লুটপাট হবে, এটা অত্যন্ত পরিষ্কার।’’

 

আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের প্রশ্ন তোলেন, ‘‘কোন কারণে একজন দুর্নীতিগ্রস্ত ব্যক্তিকে চেয়ারম্যান করা হলো এবং কোন কারণে আগের এমডিকে পদত্যাগ করতে বাধ্য করা হলো? ইসলামী ব্যাংককে যদি স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় চলতে না দেয়া হয়, তবে দেশে বড় ধরনের বিশৃঙ্খলা তৈরি হবে।’’

ইসলামী ব্যাংক ইসলাম নয়, মির্জা ফখরুলও ইসলাম নয়, জামায়াতও ইসলাম নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

 

সরকারের কোষাগারের টাকায় ঢাকার দুই সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক নির্বাচনী প্রচারণা চালাচ্ছেন বলে অভিযোগ করেছেন এনসিপির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।

 

আজ মঙ্গলবার (৯ জুন) বিকেলে রাজধানীর নাখালপাড়ার হোসেন আলী উচ্চ বিদ্যালয়ে বৃক্ষ বিতরণ কর্মসূচি শেষে এ অভিযোগ করেন তিনি।

 

এনসিপির মুখপাত্র বলেন, এনসিপির পক্ষ থেকে ৫ দফা দাবি দেওয়া হয়েছে। তারা চেয়ারে বসে নির্বাচন করতে পারবেন না। তারা লাখ লাখ পোস্টার লাগিয়ে নগরকে দূষিত করছেন। আবাসিক এলাকা, এমনকি মেট্রো স্টেশনেও গরুর হাট বসানো হয়েছে। এই অব্যবস্থাপনাই প্রমাণ করে তারা মেয়র হওয়ার যোগ্য নন।

 

আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেন, বিভিন্ন জায়গায় আওয়ামী লীগের (কার্যক্রম নিষিদ্ধ দল) মিছিল হচ্ছে। যা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও মন্ত্রণালয়ের ব্যর্থতা, কারণ আওয়ামী লীগের সকল কার্যক্রম নিষিদ্ধ আছে।

 

এদিকে, স্থানীয় নির্বাচনে এনসিপি এককভাবে অংশ নেওয়ার সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নিচ্ছে উল্লেখ করে আসিফ মাহমুদ জানান, জোটগতভাবে নির্বাচনে যাবে কি না তা তফসিলের পর দলগুলোর সাথে বসে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

সরকারি টাকায় ভোটের প্রচারণা চালাচ্ছেন ঢাকার দুই সিটি প্রশাসক: আসিফ মাহমুদ

৮ লাখ ৩৯ হাজার ৫০৫ কোটি টাকার ‘ছায়া বাজেট প্রস্তাবনা’ ‍দিয়েছে বিরোধী দল বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। এই বাজেটে সামগ্রিক ঘাটতি রয়েছে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৫৭৯ কোটি টাকা।

 

মঙ্গলবার (৬ জুন) রাজধানীর মগবাজারে জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে ‘ছায়া বাজেট প্রস্তাবনা’ উপস্থাপন করেন দলের আমির ডা. শফিকুর রহমান।

 

এ সময় তিনি বলেন, নির্বাচনের ফলাফল মেনে নিয়েই সংসদে গিয়েছিলাম। দুটি ভোট একসঙ্গে অনুষ্ঠিত হয়েছিল। কিন্তু তারা একটি শপথ নিলেন, আরেকটি নিলেন না। গণভোটকে তারা অস্বীকার করলেন। রাজনৈতিক ব্যক্তিরা যদি এভাবেই জনগণকে ধোঁকা দেয় তাহলে রাজনৈতিক দলের ওপর মানুষের আস্থা থাকবে কীভাবে?

 

জামায়াতের আমির বলেন, দুই-তৃতীয়াংশের জোরে সরকার আমাদের দাবি অগ্রাহ্য করে জনগণকে অপমান করেছে। গণভোটের রায় ব্যর্থ হওয়ার দলিল কোথাও নেই। এবারই প্রথম বিপত্তি ঘটলো। আমরা যে আশঙ্কা করেছিলাম, এখন তা স্পষ্ট হয়ে উঠেছে সমাজে। আর্থিক, রাজনৈতিক, প্রাতিষ্ঠানিক, সাংবাদিক সমস্ত জায়গায় আজকে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ স্পষ্ট। সমাজের অপরাধী লোকদের গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় বসিয়ে দেয়া হচ্ছে।

 

তিনি বলেন, আমরা বাজেট কোনো দলের জন্য দিচ্ছি না, এই বাজেট ১৮ বা ২০ কোটি মানুষের। আমরা যে প্রস্তাবনা জনগণের সামনে পেশ করবো এটার শর্ত আছে। সততা, স্বচ্ছতা আর জবাবদিহিতা থাকলে এটা অর্জন করা সম্ভব। কিন্তু সততা, স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা আর একাউন্টটিবিলিটি না থাকলে যে বাজেট সরকার দেবে সেটা বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে না।

 

ডা. শফিকুর রহমান আরও বলেন, আমাদের ফ্রিস্কাল ইয়ার জুলাই টু জুন। জুন মাস সাধারণত দেশ বর্ষা-খরা-সাইক্লোনে আক্রান্ত হয়। আমরা লক্ষ্য করি এডিপির একটা বিশাল অংশ শেষের দুই মাসে তাড়াহুড়ো করা বাস্তবায়নের চেষ্টা করা হয়। এটি বাস্তবায়ন নয়, এটি হচ্ছে গণ লুটপাট। এর সুফল জনগণ পায় না। আমরা সংসদে প্রস্তাব দেব, আমাদের ফ্রিস্কাল ইয়ার ক্যালেন্ডার ইয়ারের সঙ্গে মিলিয়ে করা হোক। তাহলে বর্ষার পানিতে আমাদের টাকাগুলা ধুয়ে মুছে সাফ হয়ে যাবে না।

৮ লাখ ৩৯ হাজার ৫০৫ কোটি টাকার ‘ছায়া বাজেট প্রস্তাবনা’ ‍দিয়েছে বিরোধী দল বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী

জ্বালানি তেল ও বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর প্রতিবাদে রাজধানীতে বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।

 

আজ বৃহস্পতিবার (০৪ জুন) বিকেলে জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরীর উদ্যোগে বায়তুল মোকাররমের উত্তর গেট থেকে বিক্ষোভ মিছিলটি বের হয়। মিছিলটি পল্টন ও কাকরাইল মোড় ঘুরে শান্তিনগরে গিয়ে শেষ হয়।

 

জ্বালানি তেল ও বিদ্যুতের দাম বাড়ানো সরকারের গণবিরোধী সিদ্ধান্ত বলে আখ্যা দিয়েছেন দলটির নেতারা।

 

বিক্ষোভ সমাবেশে মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, ‘দুই বছর দাম না বাড়ানোর আশ্বাস দিলেও মাত্র তিন মাসের মাথায় মূল্যবৃদ্ধি করে সরকার জনগণের সঙ্গে করা প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করেছে।’

 

তিনি অবিলম্বে এ সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের দাবি জানান এবং তা না হলে সরকারকে জনগণের ক্ষোভের মুখে পড়তে হতে পারে বলেও হুশিয়ারি দেন।

 

বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির সিদ্ধান্তকে ‘গণবিরোধী’ আখ্যা দিয়ে জামায়াত সেক্রেটারি বলেন, ‘ গ্রাহক পর্যায়ে ছয়টি স্লটে যেভাবে দাম বাড়ানো হয়েছে, তাতে প্রান্তিক ও দরিদ্র মানুষ চরম ভোগান্তিতে পড়বে। বিদ্যুৎ সেক্টরে সিস্টেম লস ও ক্যাপাসিটি চার্জের নামে হাজার হাজার কোটি টাকা লুটপাট ও দুর্নীতি বন্ধ না করে, সাধারণ মানুষের পকেট কেটে সেই টাকা ভরাট করার চেষ্টা চলছে।’

 

তিনি বলেন, ‘আমরা আইএমএফ বা বিশ্বব্যাংকের গোলাম নই। তাদের কথায় বিদ্যুতের মূল্য বৃদ্ধি করে জনগণের দুঃখ-কষ্ট বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। সারা বিশ্ব যখন নবায়নযোগ্য জ্বালানির দিকে ঝুঁকছে, সরকার সেদিকে কোনো পদক্ষেপ না নিয়ে সাধারণ মানুষের ওপর বোঝার ওপর শাকের আঁটি চাপিয়ে দিচ্ছে।’

 

সমাবেশ শেষে বায়তুল মোকাররম থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের হয়। মিছিলটি পল্টন ও কাকরাইল মোড় ঘুরে শান্তিনগরে গিয়ে শেষ হয়।

 

প্রসঙ্গত, বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) সংবাদ সম্মেলন করে বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর ঘোষণা দেয়। পাইকারি ও খুচরা—উভয় পর্যায়েই বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হয়েছে। পাইকারি পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম গড়ে ১৯ দশমিক ৮৫ শতাংশ, সঞ্চালন চার্জ ২৩ দশমিক ৯৬ শতাংশ ও গ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম গড়ে ১৬ দশমিক ৬৮ শতাংশ বাড়ানো হয়েছে। নতুন দাম জুন থেকে কার্যকর।

জ্বালানি তেল ও বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর প্রতিবাদে জামায়াতের বিক্ষোভ

 

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সিনিয়র যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক ও নোয়াখালী-৬ (হাতিয়া) আসনের সংসদ সদস্য আব্দুল হান্নান মাসউদের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন বিএনপি নেতা রাশেদ খান।

 

বুধবার (৩ জুন) নিজের ফেসবুক পোস্টে রাশেদ খান দাবি করেন, গণঅভ্যুত্থানের পর সমন্বয়কদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়েন হান্নান মাসউদ।

তিনি অভিযোগ করেন, আওয়ামী লীগের বিভিন্ন নেতার সঙ্গে হান্নান মাসউদের একাধিক বৈঠক হয়েছে এবং এসব বৈঠকের অনেকগুলো রাজধানীর পল্টন এলাকার একটি হোটেলে অনুষ্ঠিত হতো।

 

রাশেদ খানের দাবি, এক পর্যায়ে আওয়ামী লীগের একজন সাবেক সংসদ সদস্যকে বিমানবন্দর পর্যন্ত পৌঁছে দেওয়ার বিষয়ে ৪ কোটি টাকার একটি সমঝোতার আলোচনা হয়।

 

বৈঠক শেষে হান্নান মাসউদ আব্দুল গাফফার জিসানকে বলেন, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ১ কোটি টাকা দিতে চান, তবে ৩ কোটি টাকায় চুক্তি করার চেষ্টা করতে হবে। তিনি আরও দাবি করেন, ওই নেতাদের কাছে নগদ অর্থ রয়েছে এবং অর্থের প্রয়োজন আছে বলেও হান্নান মাসউদ মন্তব্য করেছিলেন।

 

পোস্টে রাশেদ খান বলেন, হান্নান মাসউদের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের প্রত্যক্ষ সাক্ষী হাতিয়ার বাসিন্দা আব্দুল গাফফার জিসান।

 

তিনি জানান, ২৭ জুলাইয়ের পর আত্মগোপনে থাকা অবস্থায় রিফাত রশিদ, মাহিন সরকার ও আব্দুল গাফফার জিসানের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ ছিল। জিসান বিভিন্ন সময় সমন্বয়কদের ছবি ও ভিডিও ধারণের কাজও করতেন বলে উল্লেখ করেন তিনি।

 

রাশেদ খানের ভাষ্য অনুযায়ী, গণঅভ্যুত্থানের সময় থেকে জিসান হান্নান মাসউদের নিরাপত্তার দায়িত্বে ছিলেন। তবে হান্নান মাসউদের অর্থের প্রতি অতিরিক্ত আগ্রহ ও আচরণগত পরিবর্তনের কারণে পরবর্তীতে তিনি দূরে সরে যান।

 

ফেসবুক পোস্টে নোয়াখালীর হাতিয়া আসনের সাবেক আওয়ামী লীগ সংসদ সদস্য মোহাম্মদ আলীকে নিয়েও মন্তব্য করেন রাশেদ খান।

 

তার দাবি, হান্নান মাসউদ মনে করতেন মোহাম্মদ আলী তার রাজনৈতিক পথে প্রধান বাধা। এ কারণে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রভাব ব্যবহার করে তাকে গ্রেফতারে ভূমিকা রাখা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

 

রাশেদ খান আরও দাবি করেন, ব্যক্তিগত আলোচনায় হান্নান মাসউদ নাকি বলেছেন যে নোয়াখালীর আওয়ামী লীগের অন্য নেতাদের সঙ্গে তার কোনো দ্বন্দ্ব নেই, কেবল মোহাম্মদ আলীর সঙ্গেই বিরোধ রয়েছে।

 

একই সঙ্গে নোয়াখালীর রাজনীতিতে প্রভাবশালী হতে হলে মোহাম্মদ আলীর মতো অর্থবিত্তের মালিক হওয়ার প্রয়োজনীয়তার কথাও তিনি বিভিন্ন আলোচনায় তুলে ধরতেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

আ.লীগ নেতাকে বিমানবন্দরে পৌঁছে দিতে ৩ কোটি দাবি করেছিলেন হান্নান মাসউদ’

বিস্তারিত....

সারাবাংলা

ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান খুরশিদ আলমের পতত্যাগের দাবিতে আজ নীলফামারীতে অবস্থান কর্মসূচি

 

মাইদুল ইসলাম: (জেলা প্রতিনিধি নীলফামারী)

ইসলামী ব্যাংকের সদস্য নিয়োগপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মোঃ খুরশিদ আলমের অপসারণ ও গ্রাহকদের উপর পুলিশ হামলার প্রতিবাদে নীলফামারীতে অবস্থান কর্মসূচি পালিত হয়েছে। আজ মঙ্গলবার

(৯ জুন) সকাল ১১ টায় ইসলামী ব্যাংক সচেতন গ্রাহক ফোরাম নীলফামারী জেলা শাখার উদ্যোগে ঘন্টা ব্যাপী এই কর্মসূচি পালিত হয়। এসময় ইসলামী ব্যাংক সচেতন গ্রাহক ফোরাম নীলফামারী জেলা শাখার সদস্য ময়নুল ইসলামের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন সচেতন গ্রাহক ফোরামের যুগ্ন আহবায়ক নূর মোহাম্মদ সিদ্দিকী, সদস্য সচিব আরিফ আল মামুন, সদস্য মাওলানা নাজমুল হুদা, নূর মোহাম্মদ প্রমুখ। বক্তারা বলেন ইসলামী ব্যাংকের

শতশত গ্রাহক মরতে রাজি আছে, কিন্তু ব্যাংক লুটেরাদের হাতে গ্রাহকদের আমানত তুলে দিতে রাজি নয়। অবিলম্বে ইসলামী ব্যাংক থেকে ফ্যাসিবাদের দোসর খুরশিদ আলমের চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ বাতিল করতে হবে। তা না হলে ইসলামী ব্যাংকের কোটি কোটি গ্রাহক রাজপথে দুর্বার আন্দোলন গড়ে তুলবে। ইসলামী ব্যাংক নীলফামারী শাখা কার্যালয়ের সামনে অনুষ্ঠিত অবস্থান কর্মসূচিতে ইসলামী ব্যাংকের গ্রাহক ছাড়াও বিভিন্ন শ্রেণী পেশার বিপুল সংখ্যক মানুষ অংশ নেয়।

ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান খুরশিদ আলমের পতত্যাগের দাবিতে আজ নীলফামারীতে অবস্থান কর্মসূচি 

কাশিমপুরে অপহরণ মামলায় স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা আটক।

 

মোঃ সাহাজুদ্দিন সরকার, ক্রাইম রিপোর্টার গাজীপুর ।

 

গাজীপুর মহানগরীর কাশিমপুর বাগবাড়ি এলাকার আলোচিত মতিন অপহরণের ঘটনায় ৩ নং ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবকদল নেতা এস.কে রানা ওরফে সোহেল রানাকে আটক করছে থানা পুলিশ।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ২৭ মার্চ দুপুরের দিকে মহানগরীর সুরাবাড়ি এলাকা থেকে মতিন নামের এক ব্যক্তিকে অপহরণ করে একটি সাদা প্রাইভেটকার যোগে সারদাগঞ্জ এলাকায় অবস্থান করে অপহরণ চক্রটি। পরে চক্রর সদস্যরা অপহৃত মতিনকে মুক্তির বিনিময়ে তার পরিবারের কাছে ১০ লক্ষ টাকা দাবি করে মুঠোফোনে ফোন দেয়।

এসময় অপর এক মামলার আসামীকে আটকের উদ্দেশ্যে কাশিমপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোল্লা মোঃ খালিদ হোসেন একই এলাকায় গেলে নির্জন স্থানে প্রাইভেটকার ও অপহরণকারীদের দেখে সন্দেহ হলে তাদেরকে ধাওয়া দেয়। পরে অপহৃত ব্যক্তিকে উদ্ধার করে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তিনি জানান, অপহরণকারী চক্রটি ১০ লক্ষ টাকা মুক্তিপণের বিনিময়ে তাকে ছেড়ে দিবে বলে পরিবারকে দ্রুত টাকা পাঠানোর জন্য চাপ দেয়। কিন্তু থানা পুলিশের দ্রুত তৎপরতায় তাদের পরিকল্পনা ভেস্তে যায়।

এ বিষয়ে কাশিমপুর থানায় একটি অপহরণ মামলা দায়ের হলে এজাহারভুক্ত আসামী ৩ নং ওয়ার্ড বিএনপির ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক বিল্লাল দেওয়ানকে আটক করে। বর্তমানে তিনি জামিনে রয়েছেন বলেও জানা যায়।

সোমবার (৮ জুন) একই ঘটনায় ৩নং ওয়ার্ড বিএনপির সদস্য ও স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা এস.কে রানা ওরফে সোহেল রানাকে হাতীমারার বর্ষাডাঙা এলাকা থেকে আটক করা হয়।

এ বিষয়ে কাশিমপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোল্লা মোঃ খালিদ হোসেন জানান, অপহরণের ঘটনায় স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা সোহেল রানা সহ অপর দুটি মামলায় আরও দুইজন আসামীকে আটক করে আজ বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

কাশিমপুরে অপহরণ মামলায় স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা আটক

কক্সবাজারের নবগঠিত মাতামুহুরী উপজেলায় এক চাকরিজীবীর বাড়িতে জানালার গ্রিল কেটে ডাকাতির পর গৃহকর্তার স্ত্রী ও তার দশম শ্রেণির মেয়েকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের জঘন্য অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও স্থানীয় জনতার যৌথ অভিযানে জড়িত সন্দেহে ছয়জনকে আটক করেছে পুলিশ।

 

গত সোমবার (৮ জুন) রাত আড়াইটার দিকে উপজেলার পূর্ব বড়ভেওলা ইউনিয়নের সিকদারপাড়া ডলনিরঘোনা এলাকায় এই লোমহর্ষক ঘটনা ঘটে।

 

স্থানীয় বাসিন্দা ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গভীর রাতে ৮ থেকে ১০ জনের একটি সশস্ত্র ডাকাতদল জানালার গ্রিল কেটে ওই বাড়িতে প্রবেশ করে। ডাকাতরা প্রথমে নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকারসহ মূল্যবান মালামাল লুট করে। এরপর ঘরে থাকা মা ও তার স্কুলপড়ুয়া মেয়েকে আটকে রেখে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করে পালিয়ে যায়।

 

পরে স্বজনরা তাদের উদ্ধার করে প্রথমে চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে তাদের শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়।

 

ভুক্তভোগী স্কুলছাত্রীর মামা জানান— আমার বোন ও ভাগ্নিকে পাশবিক অত্যাচার করেছে ডাকাতদল। বর্তমানে ভাগ্নির অবস্থা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে চিকিৎসকরা তাকে নিবিড় পর্যবেক্ষণে (আইসিইউ) রেখে চিকিৎসা দিচ্ছেন।

 

ঘটনার পর চকরিয়া সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার অভিজিৎ দাশসহ পুলিশের একাধিক টিম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। মঙ্গলবার ভোর থেকে সকাল পর্যন্ত পুরো এলাকা ঘিরে রেখে অভিযান চালিয়ে ৬ জনকে আটক করা হয়।

 

আটকরা হলেন, মাতামুহুরী উপজেলার ডলুনিঘোনা এলাকার রেজাউল করিম (৩৬), তোফাজ্জল হোসেন ওরফে বাবু (২৩) ও তাঁর ভাই কেফায়েত হোসেন ওরফে পুইত্যা (২৭), মোহাম্মদ তানজিদ (২৪), সাহারবিল ইউনিয়নের কদ্দাছড়া এলাকার মেহেদী হাসান (২৪) এবং কোরালখালী এলাকার মোহাম্মদ তারেক (২৬)।

 

চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনির হোসেন এবং মাতামুহুরী পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের পরিদর্শক মো. মাসুদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, ঘটনার তদন্তের পাশাপাশি জড়িত অন্য আসামিদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

 

এদিকে একই রাতে ১টার দিকে উপজেলার কদ্দার ছড়া এলাকায় এক প্রবাসীর বাড়িতেও হানা দেয় ডাকাত দল। সেখান থেকে প্রায় ১০ লাখ টাকার স্বর্ণালংকার, নগদ অর্থ ও মূল্যবান সামগ্রী লুট করে নিয়ে যাওয়া হয়।

 

এর আগে ঈদুল আজহার আগের দিন অলির বাপের পাড়ায় জনৈক চিকিৎসকের বাড়িতে চুরি এবং পরে পুলিশ পরিচয়ে ডাকাতির চেষ্টার ঘটনা ঘটে।

 

এলাকাবাসীর অভিযোগ, এলাকায় একটি সংঘবদ্ধ ‘গ্রিল-কাটা’ ডাকাত চক্র তীব্রভাবে সক্রিয় হয়ে উঠেছে। একের পর এক চুরি, ডাকাতি ও সর্বশেষ পাশবিক ধর্ষণের এই ঘটনায় পুরো উপজেলার সাধারণ মানুষের মধ্যে চরম আতঙ্ক ও তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়রা অবিলম্বে এই চক্রের মূল হোতাদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

ডাকাতির পর মা-মেয়েকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ

বিস্তারিত....

Top