Gono television | বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল। - Gono television is the Bangladesh Government Approved 24/7 News Based TV Channel and Most Reliable News Source and Leading 24/7 News Based TV Channel in Bangladesh, It also the Most Popular News Media for Bangaldesh and Bengali Audience worlwide since 2016.

সংবাদ শিরোনামঃ
নীলফামারী পলাশবাড়ী ডিগ্রী কলেজের নতুন ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন   ভিডিও ধারণ করে ইন্টারনেটে ছড়ানোর অপরাধ, গোবিন্দগঞ্জে নারীসহ ৪ জন পুলিশের খাঁচায়  বিএনপির স্থায়ী কমিটির বৈঠক চলছে, আলোচনায় থাকছে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আসন্ন তেঁতুলঝোড়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ইউনিয়নবাসীর আস্থার প্রতীক যুব নেতা ইয়ার মোহাম্মদ ইয়াসিন সরকার শাওন। গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে নীলফামারীতে জামায়াতের গণ সমাবেশ এক দিনে হার্ট অ্যাটাকে না ফেরার দেশে ৩৩ বিসিএসের দুই স্বাস্থ্য ক্যাডার, মন্ত্রীর শোক কারিগরি ও প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষায় জোর দিচ্ছে সরকার: শিক্ষামন্ত্রী এক বছরে ২ লাখের বেশি ইয়াবা উদ্ধার করেছে এপিবিএন-৮ ফ্যামিলি কার্ড শুমারির আবেদনের ফরমে বিএনপি নেতার সুপারিশ দেশের শীর্ষ ব্যবসায়ী ও শিল্পোদ্যোক্তাদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর উচ্চপর্যায়ের বৈঠক

দারুননাজাতের কাণ্ডারি: এক নিরলস শিক্ষা-সাধকের জীবনগাথা

 

জাহেদুল ইসলাম আল রাইয়ান

 

★ প্রারম্ভিক জীবন: এক সম্ভ্রান্ত পরিবারের প্রদীপ

 

১৯৬৩ সালের ৩ সেপ্টেম্বর, বরিশাল বিভাগের বরগুনা জেলার বেতাগী উপজেলার শান্ত, সবুজে মোড়া গ্রাম গ্রেদলক্ষীপুরায় এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্ম নেন আ.খ.ম. আবু বকর সিদ্দীক—পূর্ণ নাম আবুল খায়ের মুহাম্মদ আবু বকর সিদ্দীক। পিতা মরহুম মাওলানা আব্দুল গনি এবং মাতা মরহুমা মরিয়ম খানমের স্নেহছায়ায় বেড়ে ওঠা এই শিশুটির চোখে হয়তো তখনো ধরা পড়েনি ভবিষ্যতের বিশাল ক্যানভাস, কিন্তু তাঁর ভেতরে নিঃশব্দে বেড়ে উঠছিল এক মহান শিক্ষা-সাধকের বীজ, যা কালক্রমে রূপ নেবে হাজার হাজার শিক্ষার্থীর জীবন বদলে দেওয়া এক মহীরুহে। ১৯৯৩ সালে তিনি বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন ফয়রা দরবারের প্রসিদ্ধ পীর আলহাজ্ব মাওলানা আব্দুল কুদ্দুসের দ্বিতীয় কন্যার সাথে এই মিলন কেবল দুটি পরিবারের বন্ধনই ছিল না, বরং তা তাঁর জীবনে যুক্ত করে দেয় এক গভীর আধ্যাত্মিক ধারাবাহিকতাও। তাঁদের দাম্পত্য জীবন আলোকিত দুই পুত্রসন্তানে তানভীর আহমদ ও তাওকীর আহমদ, যাঁরা আজ পিতারই প্রতিষ্ঠিত দারুননাজাত সিদ্দীকিয়া কামিল মাদরাসায় ইলম অর্জনে নিমগ্ন, যেন বাবার স্বপ্নের এক জীবন্ত ধারাবাহিকতা।

 

★ শিক্ষাজীবন: প্রত্যন্ত গ্রাম থেকে প্রাচ্যের অক্সফোর্ডে

 

তাঁর শিক্ষাজীবনের যাত্রা শুরু হয় নিজ গ্রামের গ্রেদলক্ষীপুরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সাধারণ বেঞ্চিতে বসে। প্রাথমিক শিক্ষা সমাপ্ত করে তিনি পা রাখেন রহমতপুর আলিম মাদরাসায়, যেখানে এক বছর অধ্যয়নের পর তিনি ভর্তি হন উত্তর তালগাছিয়া ফাযিল মাদরাসায়, সপ্তম শ্রেণিতে। সপ্তম শ্রেণি সমাপনান্তে তাঁর জীবনে আসে এক মোড়-ঘোরানো, নিয়তি-নির্ধারক অধ্যায় তিনি প্রবেশ করেন বাংলাদেশের প্রথম কামিল মাদরাসা, আল্লামা শাহ নেছারউদ্দীন আহমদ প্রতিষ্ঠিত ছারছিনা দারুসসুন্নাত কামিল মাদ্রাসায়, ইলমে দ্বীনের সেই শ্রেষ্ঠ মারকাযে। সেখানেই ধাপে ধাপে তিনি ১৯৮৩ সালে দাখিল, ১৯৮৫ সালে আলিম, ১৯৮৭ সালে ফাযিল কৃতিত্বের সাথে সমাপ্ত করেন, আর ১৯৮৯ সালে কামিল হাদীস পরীক্ষায় অর্জন করেন প্রথম বিভাগের গৌরব।

 

ইলম অর্জনের এই অক্লান্ত তৃষ্ণা তাঁকে থামতে দেয়নি সেখানেই। ১৯৮৯ থেকে ১৯৯৫ সাল পর্যন্ত তিনি অধ্যয়ন করেন প্রাচ্যের অক্সফোর্ড খ্যাত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে, যেখান থেকে ইসলামিক স্টাডিজ বিষয়ে অনার্স ও মাস্টার্সে অর্জন করেন উচ্চতর ডিগ্রি। এভাবেই ঐতিহ্যবাহী মাদরাসাশিক্ষার গভীরতা আর আধুনিক বিশ্ববিদ্যালয়িক জ্ঞানের বিস্তৃতি একত্র হয়ে গড়ে তোলে তাঁর ব্যক্তিত্বের এক বিরল, সুসমন্বিত রূপ, যা পরবর্তীতে তাঁকে সাহায্য করবে একটি প্রতিষ্ঠানকে ঐতিহ্য ও আধুনিকতার মধ্যে সুনিপুণ ভারসাম্যে গড়ে তুলতে।

 

এই দীর্ঘ শিক্ষাযাত্রায় যাঁদের হাতের স্পর্শ তাঁকে গড়ে তুলেছে, সেই তালিকা দীর্ঘ ও গৌরবোজ্জ্বল—আল্লামা নিয়ায মাখদুম খোতানী, শরীফ মুহাম্মাদ আব্দুল কাদের, মাওলানা আব্দুর রব খান, মুফতী আ.ম.ম আহমাদুল্লাহ, মুফতী মুহা: মুস্তফা হামীদি, মাওলানা মুহা: আমজাদ হোসাইন, মাওলানা মুহাম্মাদ রেদওয়ানুল করীম, ছুফি মাওলানা আব্দুর রশিদ, মাওলানা রুহুল আমিন ফরায়েজি, মাওলানা মুহাম্মাদ আব্দুল কাদের, মাওলানা ড. কাফিলুদ্দীন সরকার ছালেহী, ড. আ. র. ম. আলী হায়দার মুর্শেদী, অধ্যাপক মুহাম্মদ আব্দুল মালেক, অধ্যাপক ড. হাবিবুর রহমান, অধ্যাপক ড. মো. আনসার উদ্দীন এবং ড. আ.ন.ম. রইস উদ্দীনের মতো বরেণ্য আলেম ও শিক্ষাবিদগণ। আধ্যাত্মিক পথের সন্ধানে তিনি সম্পৃক্ত হন বাংলার হক দরবার ছারছিনার সাথে, যা তাঁর জ্ঞানসাধনায় যোগ করে দেয় হৃদয়ের গভীরতা।

 

★ কর্মজীবন: এক মক্তব থেকে বিশ্বমানের ইলমি মারকায

 

কামিল সমাপ্ত করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত অবস্থাতেই ১৯৯১ সালের ১২ জানুয়ারি তিনি যোগ দেন এক ঐতিহাসিক দায়িত্বে—ডেমরার শুকুরশী গোরস্থান সংলগ্ন আজকের ঐতিহ্যবাহী দারুননাজাত সিদ্দীকিয়া কামিল মাদরাসার প্রধান হিসেবে। সেই থেকে যে অক্লান্ত, নিরবচ্ছিন্ন পথচলা শুরু, তা আজও থামেনি।

 

প্রতিষ্ঠানটির যাত্রা ছিল নিতান্তই বিনম্র, প্রায় অদৃশ্য এক সূচনাবিন্দু থেকে। ১৯৯০ সালের জানুয়ারিতে পার্শ্ববর্তী হুসাইনিয়া জামে মসজিদের ইমাম আলহাজ্জ মৌলভী নূরুল হক সাহেবের হাতে পরিচালিত একটি ক্ষুদ্র মক্তব এখানে স্থানান্তরিত হয়ে শুরু করে একাডেমিক কার্যক্রম। ১৯৯০-৯১ সালে দুই বছর চলে কেবল ইবতেদায়ী স্তর, আর এই স্বল্প সময়েই পরিবর্তন হয় তিনজন ইবতেদায়ী প্রধান। অবশেষে ১৯৯১ সালের ১৬ ডিসেম্বর, মাত্র সাতশো টাকা বেতনে ইবতেদায়ী প্রধান হিসেবে দারুননাজাতের খেদমতে শরীক হন আ.খ.ম. আবু বকর সিদ্দীক আর সেই দিনটিই হয়ে ওঠে প্রতিষ্ঠানটির ভাগ্য চিরতরে বদলে দেওয়া এক টার্নিং পয়েন্ট।

 

আল্লাহর রহমতের ওপর অবিচল ভরসা রেখে তিনি ১৯৯২ সালে মাত্র এগারো জন শিক্ষার্থী নিয়ে শুরু করেন দাখিল স্তরের কার্যক্রম দশম শ্রেণিতে একজন, নবম শ্রেণিতে একজন, অষ্টম শ্রেণিতে তিনজন এবং সপ্তম শ্রেণিতে ছয়জন। এই ক্ষুদ্র বীজ থেকেই ধীরে ধীরে অঙ্কুরিত হয় এক বিশাল মহীরুহ। সর্বসাধারণের আস্থা ও সহযোগিতায় প্রতিষ্ঠানটি ধাপে ধাপে উন্নীত হয় ১৯৯৪ সালে আলিম, ১৯৯৬ সালে ফাযিল এবং ২০০৪ সালে কামিল পর্যায়ে, লাভ করে মাদরাসা বোর্ডের একাডেমিক অনুমতি, মঞ্জুরি এবং ফাযিল পর্যায়ের শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন-ভাতার সরকারি অংশ। এরপর একের পর এক নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হতে থাকে ২০১০ সালে আল কুরআন অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ ও আল হাদিস অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজে অনার্স কোর্স, ২০০৪ সালে কামিল হাদিস, ২০১৬ সালে ফিকহ, ২০১৭ সালে কামিল মাস্টার্স এবং সর্বশেষ ২০১৮ সালে তাফসির বিভাগ।

 

★ ফলাফলের ধারাবাহিকতা: এক যুগ নিরবচ্ছিন্ন শ্রেষ্ঠত্বের ইতিহাস

 

তবে দারুননাজাত সিদ্দীকিয়া কামিল মাদরাসার প্রকৃত পরিচয় বোধহয় সবচেয়ে স্পষ্ট হয়ে ওঠে তার একাডেমিক ফলাফলের ধারাবাহিকতায়। দীর্ঘ যুগ ধরে এই প্রতিষ্ঠান দাখিল, আলিম, ফাযিল ও কামিল পরীক্ষার ফলাফলে সমগ্র বাংলাদেশে প্রথম কিংবা দ্বিতীয় স্থান অর্জন করে আসছে অবিচলভাবে, বছরের পর বছর, এক ধরনের বিরল ধারাবাহিকতায় যা কোনো সাময়িক সাফল্য নয়, বরং প্রতিষ্ঠানের প্রতিটি স্তরে গেঁথে থাকা এক নিরলস শৃঙ্খলা ও নিষ্ঠার ফলাফল। এই ধারাবাহিক কৃতিত্বের কারণেই আজ সারা বাংলাদেশে দারুননাজাত পরিচিত ও আলোচিত এক নাম, যার ফলাফল প্রকাশের দিনে দেশের মাদরাসাশিক্ষা অঙ্গনের দৃষ্টি নিবদ্ধ থাকে এই প্রতিষ্ঠানের দিকেই।

 

এই দীর্ঘ পরিশ্রমেরই স্বীকৃতিস্বরূপ ২০২৬ সালে আরবি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে দারুননাজাত সিদ্দীকিয়া কামিল মাদরাসাকে “সেরা প্রতিষ্ঠান” হিসেবে ক্রেস্ট প্রদান করা হয়। শিক্ষামন্ত্রী এহসানুল হক স্বয়ং এই সম্মাননা তুলে দেন অধ্যক্ষ আ.খ.ম. আবু বকর সিদ্দীকের হাতে এক আবেগঘন মুহূর্ত, যা যেন প্রতিফলিত করে তিন দশকেরও বেশি সময়ের নিরলস শ্রম, ত্যাগ ও প্রতিশ্রুতির যথার্থ প্রতিদান। সেই সাতশো টাকা বেতনের ইবতেদায়ী প্রধান থেকে আজকের এই জাতীয় পর্যায়ের স্বীকৃতি পর্যন্ত এই যাত্রাপথ যেন একটি জাতির শিক্ষা-ইতিহাসেরই এক অনুপ্রেরণামূলক অধ্যায়।

 

আজ সেই দারুননাজাত সিদ্দীকিয়া কামিল মাদরাসা প্রায় বারো হাজারেরও অধিক ইলমপিপাসু শিক্ষার্থীর কোলাহলে মুখরিত, বিশ্বদরবারে প্রতিষ্ঠিত এক সম্মানিত ইলমি মারকায হিসেবে। অসংখ্য প্রশাসনিক ব্যস্ততার মাঝেও তিনি কখনো ছাড়েননি নিজ হাতে দরস দেওয়ার অভ্যাস আজও তিনি নিয়মিত পড়ান সহীহ বুখারী ও জামে তিরমিযীর দরস, যেন প্রমাণ করেন, প্রকৃত শিক্ষক কখনো কেবল প্রশাসক হয়ে ওঠেন না, তিনি থেকে যান চিরকাল একজন শিক্ষকই।

 

★ ছাত্রদের সাফল্য: শিক্ষকের প্রকৃত পরিচয়

 

একজন শিক্ষকের প্রকৃত মূল্যায়ন হয় তাঁর ছাত্রদের অর্জনে, আর এই মানদণ্ডে আ.খ.ম. আবু বকর সিদ্দীকের সাফল্য এক বিস্ময়কর ভাষ্য। তাঁর হাতে গড়া অসংখ্য শিক্ষার্থী আজ বিশ্বের নানা প্রান্তে স্কলারশিপ নিয়ে অধ্যয়ন ও গবেষণায় নিমগ্ন বিশ্বখ্যাত সব বিশ্ববিদ্যালয়ে। ইলমের কাবা খ্যাত মিশরের আল-আজহার বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাচীন করিডরে, সৌদি আরবের মদিনা বিশ্ববিদ্যালয়, কিং আব্দুল আজিজ বিশ্ববিদ্যালয় ও উম্মুল কুরা বিশ্ববিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষে, ইরাকের কারবালা বিশ্ববিদ্যালয়ে, এমনকি তুরস্ক ও মালয়েশিয়ার আন্তর্জাতিক ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণাগারেও আজ শোভা পাচ্ছেন তাঁরই সন্তানতুল্য ছাত্ররা। শুধু ইলমে দ্বীনের অঙ্গনেই সীমাবদ্ধ নয় তাঁদের পরিচয়—তাঁর ছাত্ররা আজ ছড়িয়ে আছেন দায়ী, লেখক, গবেষক, আইনজীবী, চিকিৎসক ও শিক্ষকসহ বহু মর্যাদাপূর্ণ পেশায়, প্রতিটি ক্ষেত্রেই রেখে চলেছেন নিজেদের স্বতন্ত্র, উজ্জ্বল স্বাক্ষর।

 

এই বিস্ময়কর সাফল্যের রহস্য কী, জানতে চাইলে তিনি নিজেই এক গভীর জীবনদর্শন তুলে ধরেন ছাত্র-শিক্ষকের সম্পর্ক চিরদিনের, এই বন্ধন কোনো ক্লাসরুমের চার দেয়ালে বা সময়ের সীমানায় বাঁধা নয়, বরং তা এক আজীবনের আত্মিক সংযোগ। ছাত্রদের কীভাবে সফলতার সোনালি ছোঁয়া দিতে হয়, তা তিনি কেবল কথায় নয়, নিজের প্রতিটি কর্মে বারবার প্রমাণ করে দেখিয়েছেন। আর তাই তাঁর ভাষায় ফুটে ওঠে এক গভীর শিক্ষা-উপলব্ধি ছাত্রের সফলতাই শিক্ষকের দৃষ্টির প্রকৃত ঠিকানা।

 

★ প্রকাশিত গ্রন্থাবলি: কালির আঁচড়ে ধারণ করা এক জীবনদর্শন

 

লেখনীর জগতেও তাঁর পদচারণা কম উজ্জ্বল নয়। তাঁর প্রকাশিত গ্রন্থের মধ্যে রয়েছে আল্লামা নিয়ায মাখদুম খোতানীর জীবনী এবং চার খণ্ডে বিন্যস্ত জীবনের পাথেয় সিরিজ (১-২, ৩ ও ৪) যেখানে তিনি ধারণ করেছেন নিজের চিন্তা, দীর্ঘ অভিজ্ঞতা ও আধ্যাত্মিক উপলব্ধির নির্যাস।

 

এক নিভৃত গ্রামের মক্তব থেকে শুরু হওয়া একটি যাত্রা আজ পৌঁছে গেছে বিশ্বদরবারের প্রতিটি কোণে আল-আজহারের প্রাচীন গম্বুজ থেকে মদিনার পবিত্র চত্বর পর্যন্ত, জাতীয় পর্যায়ের সম্মাননা মঞ্চ থেকে দেশের প্রতিটি জেলার আলোচিত ফলাফল-তালিকা পর্যন্ত। আর এই বিশাল যাত্রাপথের প্রতিটি ধাপে অবিচল দাঁড়িয়ে আছেন একজন মানুষ, যিনি বিশ্বাস করেন একজন শিক্ষকের জীবন সার্থক তখনই, যখন তাঁর প্রতিষ্ঠান আর তাঁর ছাত্ররা তাঁর চেয়েও দূরে, তাঁর চেয়েও উঁচুতে পৌঁছাতে পারেন। আ.খ.ম. আবু বকর সিদ্দীকের জীবন তাই কেবল একজন ব্যক্তির সাফল্যগাথা নয়, বরং তা এক জাতির শিক্ষা-ইতিহাসের অবিচ্ছেদ্য, স্থায়ী অধ্যায়।

 

 

লেখক কলামিস্ট ও শিক্ষার্থী, আল-আজহার বিশ্ববিদ্যালয়,কায়রো,মিশর

দারুননাজাতের কাণ্ডারি: এক নিরলস শিক্ষা-সাধকের জীবনগাথা

নীলফামারী পলাশবাড়ী ডিগ্রী কলেজের নতুন ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন

স্টাফ রিপোর্টার

মাইদুল ইসলাম

নীলফামারীর পলাশ বাড়ির ডিগ্রী কলেজ চারতলা ভিত বিশিষ্ট একতলা একাডেমিক ভবনের নির্মাণ কাজের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন ও মতবিনিময়ে সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার

(১ আগস্ট) বিকেলে প্রধান অতিথি হিসেবে প্রথম তলা নির্মাণ কাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন বিএনপি’র জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও সাবেক সংসদ সদস্য প্রকৌশলী শাহরিন ইসলাম চৌধুরী তুহিন। এক কোটি ২৪ লাখ টাকা ব্যয় এই ভবন নির্মাণ হচ্ছে। এরপর কলেজ প্রাঙ্গনে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে কলেজের গভর্নিং বডির সভাপতি সোহেল পারভেজের সভাপতিত্বে ও পলাশবাড়ী ইউনিয়ন বিএনপি’র সাবেক সভাপতি জগদীশচন্দ্র রায়ের সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন অ্যাডভোকেট মিজানুর রহমান চৌধুরী শামীম, মাধ্যমিক ও

উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা রংপুর অঞ্চলের পরিচালক অধ্যাপক মোঃ গোলাম মাজেদ এবং তুহিন এর সহধর্মিনি তামান্না ইয়াসমিন। প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রকৌশলী শাহরিন ইসলাম চৌধুরী তুহিন বলেন, ‘শিক্ষার মানোন্নয়ন ও শিক্ষার্থীদের আধুনিক সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করতে অবকাঠামোগত উন্নয়ন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পলাশবাড়ী ডিগ্রী কলেজের এই নতুন ভবন শিক্ষার্থীদের পাঠদানের পরিবেশ আরও উন্নত করবে। ভবিষ্যতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন ও এলাকার মানুষের কল্যাণে আমরা কাজ করে যেতে চাই।’ এ সময় জেলা জজ কোর্টের জিপি আবু মোহাম্মদ সোয়েম, সদর উপজেলা বিএনপি’র সাবেক সাধারণ সম্পাদক কাজী আখতারুজ্জামান জুয়েল, জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক শাহাদাত হোসেন চৌধুরী, জেলা আইনজীবী ফোরামের সাধারণ সম্পাদক এ্যাড. আসাদুজ্জামান খান রিনো, মহিলা দলের সহ-সভাপতি রাকু ইসলামসহ আরও অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

নীলফামারী পলাশবাড়ী ডিগ্রী কলেজের নতুন ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন  

ভিডিও ধারণ করে ইন্টারনেটে ছড়ানোর অপরাধ, গোবিন্দগঞ্জে নারীসহ ৪ জন পুলিশের খাঁচায়

 

শাহ্ পারভেজ সংগ্রাম,গাইবান্ধা প্রতিনিধি

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে মোবাইলে পর্ণো ভিডিও করে ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেয়ার অভিযোগে পুলিশ নারী সহ ৪ জনকে গ্রেফতার করেছে। এসময় এ কাজে ব্যবহৃত মোবাইল ও পর্ণো ভিডিও তোলা কাজে বিভিন্ন সরঞ্জামাদি জব্দ করেছে।

গ্রেফতাকৃতরা হলেন, পলাশবাড়ী উপজেলার মধ্য রামচন্দ্রপুর গ্রামের আশিদুল ইসলাম ওরফে রাশিদুলের কন্যা মামুনী আক্তার (২৪), গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার অভিরামপুর হাজিপাড়ার খোরশেদ আলমের ছেলে রাকিবুল হাসান রাকিব (৩০), সাদুল্লাপুর উপজেলার নিশ্চিন্তপুর সাইফুল ইসলামের স্ত্রী রেজেনা খাতুন সাথী (২৮), সুন্দরগঞ্জ উপজেলার চন্ডিপুর গ্রামের লুৎফর রহমানের পুত্র মামুন অর রশিদ(৩০)।

এ ব্যাপারে থানায় পর্নোগ্রাফি আইনে মামলা হয়েছে। মামলা সুত্রে জানা গেছে গ্রেফতারকৃতরা সহ পলাতকরা দীর্ঘ দিন ধরে গোবিন্দগঞ্জ পৌর এলাকার হীরকপাড়া এলাকায় বাসা ভাড়া নিয়ে এই ধরণের অসামাজিক ও অপরাধমূলক কর্মকান্ড চালিয়ে আসছিল।

গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ অভিযান চালিয়ে পর্ণোগ্রাফি তৈরীর বিভিন্ন মালামাল ও সামগ্রী উদ্ধার করে এবং আসামীদের গ্রেফতার করে। এ ব্যাপারে গোবিন্দগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি মুহাম্মদ মোজাম্মেল হক বলেন,গ্রেফতারকৃতদের আদালতের প্রেরন ও পলাতক থাকা অন্যান্য অন্যান আসামীদের গ্রেফতারের তৎপরতা অব্যহত রয়েছে।

ভিডিও ধারণ করে ইন্টারনেটে ছড়ানোর অপরাধ, গোবিন্দগঞ্জে নারীসহ ৪ জন পুলিশের খাঁচায় 

দেশের রাজনৈতিক সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনায় বসেছে ক্ষমতাসীন দল বিএনপির সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম জাতীয় স্থায়ী কমিটি।

 

শনিবার (১ আগস্ট) রাত ৮টায় প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সভাপতিত্বে গুলশানে দলের চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে বৈঠকটি শুরু হয়েছে।

 

এই বৈঠকের আনুষ্ঠানিক এজেন্ডা সম্পর্কে বিএনপি প্রকাশ্যে কিছু না জানালেও দলটির একাধিক সূত্র ও বিভিন্ন নেতা গণমাধ্যমকে ইতোমধ্যে জানিয়েছে, রাষ্ট্রপ্রধানের পদ থেকে মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগ করায় ৯০ দিনের মধ্যে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের বাধ্যবাধকতা আছে। আগামী সেপ্টেম্বরে বসতে যাওয়া সংসদ অধিবেশনে দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার কথা। তার আগে আজকের এই বৈঠকে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন প্রসঙ্গ খুব স্বাভাবিকভাবেই আলোচনার টেবিলে আসতে যাচ্ছে। দলটি থেকে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে কাকে মনোনয়ন দেওয়া হবে, তা নিয়ে বৈঠকে আলোচনার সম্ভাবনার কথা বলেছেন বিএনপি নেতারা।

 

এছাড়া, দেশের চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি পর্যালোচনা, দলীয় সাংগঠনিক কার্যক্রমের গতি বৃদ্ধি এবং গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে বিএনপির নীতিগত অবস্থান নির্ধারণ নিয়েও আলোচনা হতে পারে।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির বৈঠক চলছে, আলোচনায় থাকছে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন

আসন্ন তেঁতুলঝোড়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ইউনিয়নবাসীর আস্থার প্রতীক যুব নেতা ইয়ার মোহাম্মদ ইয়াসিন সরকার শাওন।

 

রাকিবুল ইসলাম রঞ্জু:

আসন্ন তেঁতুলঝোড়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে স্থানীয় রাজনীতি ও সর্বস্তরের ভোটারদের মাঝে উদ্দীপনা ও আলোচনা বৃদ্ধি পাচ্ছে। এই নির্বাচনে জনগণের আস্থা ও প্রত্যাশার প্রতিনিধি হিসেবে জোরালোভাবে আলোচনায় উঠে এসেছেন ঢাকা জেলা যুবদল নেতা ইয়ার মোহাম্মদ ইয়াসিন সরকার শাওন।

 

স্থানীয়দের সূত্রে জানা যায়, এলাকার সামাজিক কল্যাণমূলক কাজ ও যুবসমাজকে সংগঠিত করার ক্ষেত্রে তাঁর সক্রিয় উপস্থিতি দেখা গেছে। আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে তিনি তেঁতুলঝোড়া ইউনিয়নের বিভিন্ন ওয়ার্ডে সাধারণ মানুষের সাথে মতবিনিময় ও গণসংযোগ অব্যাহত রেখেছেন। এলাকার সার্বিক উন্নয়ন, শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং তরুণদের কল্যাণে কাজ করার প্রত্যয় প্রকাশ করছেন এই যুব নেতা।

 

তেঁতুলঝোড়া ইউনিয়নের সাধারণ ভোটারদের অভিমত, এলাকার টেকসই উন্নয়ন ও নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করতে যোগ্য ও জনবান্ধব নেতৃত্ব নির্বাচন করা জরুরি। এ প্রেক্ষাপটে যুব নেতা ইয়ার মোহাম্মদ ইয়াসিন সরকার শাওনের রাজনৈতিক ও সামাজিক তৎপরতা স্থানীয়দের মনোযোগ আকর্ষণ করছে।

আসন্ন তেঁতুলঝোড়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ইউনিয়নবাসীর আস্থার প্রতীক যুব নেতা ইয়ার মোহাম্মদ ইয়াসিন সরকার শাওন।

গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে নীলফামারীতে জামায়াতের গণ সমাবেশ

 

স্টাফ রিপোর্টার

মাইদুল ইসলাম

০১/ আগস্ট/২৬ইংঃ জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে নীলফামারীতে গন সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ শনিবার

(০১ আগস্ট) বিকেলে নীলফামারী ডিসি মোড়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নীলফামারী জেলা শাখার উদ্যোগে এই কর্মসূচি পালিত হয়। জেলা জামায়াতের আমীর ও নীলফামারী-১ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুস সাত্তারের সভাপতিত্বে ও জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মাওলানা আন্তাজুল ইসলামের সঞ্চালনায় সমাবেশে বক্তব্য রাখেন নীলফামারী-২ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট

আলফারুক আব্দুল লতিফ, নীলফামারী-৪ আসনের সংসদ সদস্য হাফেজ আব্দুল মুনতাকিম, জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি অধ্যাপক আনোয়ারুল ইসলাম, জেলা জামায়াতের

কর্মপরিষদ সদস্য ও নীলফামারী পৌরসভার মেয়র প্রার্থী মুক্তিযোদ্ধা মনিরুজ্জামান মন্টু, জলঢাকা উপজেলা জামায়াতের আমির মোখলেছুর রহমান, জেলা শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি প্রভাষক মনিরুজ্জামান জুয়েল প্রমুখ। সভাপতির বক্তব্যে নীলফামারী-১ আসনের সংসদ সদস্য আব্দুস সাত্তার বলেন, যতক্ষণ পর্যন্ত গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন হবে না, জুলাই সনদের সংস্কার হবে না ততক্ষণ পর্যন্ত বাংলাদেশে সর্বপ্রকার রাজনীতি থেকে জনগণকে বিরত রাখা যাবে না। ইতিমধ্যে যে কর্মকাণ্ড বর্তমান সরকার শুরু করেছে, বাংলাদেশের জনগণ এখনো প্রস্তুত আছে আবারো রক্ত দিতে। প্রস্তুত আছে নতুন এই ফ্যাসিবাদের কবল থেকে দেশকে আবারো মুক্ত করতে। তিনি বলেন বর্তমান সরকার আবারও নতুন ফ্যাসিবাদের দের জন্মের দিকে হাটছে। সম্প্রতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে বিরোধী দলের নির্বাচিত সংসদ সদস্যদেরকে উপেক্ষা করে, তাদেরকে বাদ দিয়ে সরকার রাষ্ট্রীয় কাঠামো উন্নয়নের কথা ভাবছেন। বাংলাদেশের জনগণ এটি কখনও মেনে নিবে না। নির্বাচিত সংসদ সদস্যের মাধ্যমেই দেশের উন্নয়ন করতে হবে। গণ সমাবেশ শেষে সেখান থেকে একটি বিশাল বিক্ষোভ মিছিল বের হয়ে শহরের প্রধান প্রধান

সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে বাজার ট্রাফিক মোড়ে এসে শেষ হয়।

গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে নীলফামারীতে জামায়াতের গণ সমাবেশ

মাত্র ১২ ঘণ্টার ব্যবধানে ৩৩তম বিসিএস স্বাস্থ্য ক্যাডারের দুই কর্মকর্তা মারা গেছেন। শুক্রবার (৩১ জুলাই) দিবাগত রাত ও শনিবার দুপুরে তাদের মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় শোক জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুল।

 

মৃতরা হলেন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের প্যাথলজি বিভাগের কিউরেটর ডা. আবু ঈসা মো. আরাফাত ইমাম এবং নেত্রকোণার মোহনগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মোমেনুল ইসলাম।

 

জানা গেছে, ডা. আবু ঈসা মো. আরাফাত ইমাম শুক্রবার আনুমানিক রাত ২টায় ঢাকার ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশনে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। এ সময় তার বয়স হয়েছিল আনুমানিক ৪২ বছর। তিনি ঢাকা মেডিকেল কলেজের প্রাক্তন শিক্ষার্থী ছিলেন। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, এক ছেলে ও এক মেয়ে রেখে গেছেন।

 

অপরদিকে দুপুর ২টায় হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেছেন ইউএইচএফপিও ডা. মোমেনুল ইসলাম। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল আনুমানিক ৪৫ বছর। ডা. মোমেনুল ইসলাম ইসলাম রাজশাহী মেডিকেল কলেজের প্রাক্তন শিক্ষার্থী ছিলেন। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, এক পুত্র ও এক কন্যা রেখে গেছেন।

 

বিকেলে পাঠানো এক শোক বার্তায় স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন উভয় চিকিৎসকদের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করে তাদের শোকসন্তপ্ত পরিবার, সহকর্মী ও স্বজনদের প্রতি গভীর সমবেদনা ও সহমর্মিতা জ্ঞাপন করেছেন।

 

 

এক দিনে হার্ট অ্যাটাকে না ফেরার দেশে ৩৩ বিসিএসের দুই স্বাস্থ্য ক্যাডার, মন্ত্রীর শোক

দেশের বিপুল মানবসম্পদকে দক্ষ জনশক্তিতে রূপান্তর করতে কারিগরি ও প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষার ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেন, ভবিষ্যতের শ্রমবাজারের চাহিদা পূরণে প্রচলিত শিক্ষার পাশাপাশি কারিগরি শিক্ষার কোনো বিকল্প নেই।

 

শনিবার (১ আগস্ট) সকালে ঢাকা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

 

শিক্ষামন্ত্রী জানান, তরুণদের দক্ষ মানবসম্পদ হিসেবে গড়ে তুলতে সরকার শিক্ষাব্যবস্থায় প্রয়োজনীয় সংস্কার কার্যক্রম হাতে নিয়েছে। এর অংশ হিসেবে কারিগরি শিক্ষার সম্প্রসারণ ও আধুনিকায়নে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

 

তিনি বলেন, শুধুমাত্র প্রচলিত শিক্ষাব্যবস্থার ওপর নির্ভর করে দেশের বিশাল জনশক্তিকে উৎপাদনশীল সম্পদে পরিণত করা সম্ভব নয়। তাই কারিগরি শিক্ষার সুযোগ বাড়াতে দেশে নতুন করে চারটি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

 

আ ন ম এহছানুল হক মিলন আরও জানান, কারিগরি শিক্ষার মানোন্নয়নে আন্তর্জাতিক সহযোগিতাও জোরদার করা হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রীর সাম্প্রতিক চীন সফরের সময় বাংলাদেশের কারিগরি শিক্ষা ও দক্ষতা উন্নয়ন খাতে চীনের সঙ্গে একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই হয়েছে, যা এ খাতের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

 

অনুষ্ঠানে তিনি জুলাইয়ের আন্দোলনে আত্মত্যাগকারীদের স্মরণ করে বলেন, দেশের জন্য যাঁরা জীবন উৎসর্গ করেছেন, তাঁদের অবদান ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে তুলে ধরা এবং সংরক্ষণ করা সবার দায়িত্ব।

 

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, দক্ষ মানবসম্পদই দেশের টেকসই উন্নয়নের অন্যতম ভিত্তি। তাই শিক্ষাব্যবস্থাকে আরও কর্মমুখী, প্রযুক্তিনির্ভর এবং দেশীয় ও আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারের চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করে গড়ে তুলতে হবে।

কারিগরি ও প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষায় জোর দিচ্ছে সরকার: শিক্ষামন্ত্রী

 

বিগত ১ বছরে দুই লাখের বেশি ইয়াবা উদ্ধার করেছে ৮-আমর্ড পুলিশ ব্যাটালিয়ন। পাশাপাশি ১৬৬ জন বিভিন্ন মামলার আসামিকে গ্রেপ্তার, বিপুল সাব মেশিন গান (এসএমজি), ওয়ান শুটারগান, রিভলভার ও গুলি উদ্ধার করেছে।

 

শনিবার ( ১ আগস্ট ) ৮ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন, উখিয়া, কক্সবাজারের অধিনায়ক (ভারপ্রাপ্ত) রিয়াজ উদ্দিন আহমেদ পিপিএম এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছেন।

 

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ২০২৫ সালের মে মাস থেকে ২৬ সালের জুলাই মাস পর্যন্ত বিভিন্ন অভিযানে হারানো মোবাইলসহ অপহৃত ১৩ জন ভিকটিমকে উদ্ধার করা হয়েছে।

 

পুলিশের মহা পুলিশ পরিদর্শক (আইজিপি), আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন) এর অতিরিক্ত আইজিপি, ডিআইজি এফডিএমএন কক্সবাজারসহ সিনিয়র অফিসারদের নির্দেশনায় ৮ এপিবিএন এর ইন্টেলিজেন্স টিম একের পর এক সফল অভিযান পরিচালনা করে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ২০২৫ সালের ১৪ মে ৮ এপিবিএন এর অধিনায়ক (ভারপ্রাপ্ত) হিসাবে যোগদানের পর থেকে ২০২৬ সালের জুলাই মাস পর্যন্ত চৌদ্দ মাসে বিভিন্ন অভিযানে ৭১ টি মামলায় ১৬৬ জন অপরাধীকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার মধ্যে হত্যা মামলায় ২২ জন, অস্ত্র মামলায় ০৮ জন, অপহরণ মামলায় ১২ জন, মাদক মামলায় ৪৩ জন, ধর্ষণ মামলায় ০২ জন, চুরি মামলায় ০৫ জনসহ অন্যান্য মামলা ও ওয়ারেন্টভুক্ত আসামিসহ ১৬৬ জন আসামি গ্রেপ্তার করা হয়।

 

বিভিন্ন বয়সের অপহৃত ১৩ জন নারী, পুরুষ ও শিশুকে নিরাপদে উদ্ধারে এপিবিএন সফলতা অর্জন করে। অপহরণের ঘটনায় ভিকটিমের জীবননাশের ঝুঁকি থাকে। কিন্তু ৮ এপিবিএন এর কৌশলের কাছে বার বার অপহরণকারীরা পরাজিত হয়েছে এবং নিরাপদে ভিকটিমকে উদ্ধার করা হয়েছে।

 

এই ১৪ মাসে ৮ এপিবিএন উখিয়া, কক্সবাজারের অভিযানে ২ লাখ ৪ হাজার ৩১ পিস ইয়াবা, একটি সাব মেশিন গান (SMG), একটি পিস্তল, একটি রিভলভার, সাতটি ওয়ান শুটারগান, দুটি একনলা বন্দুক, ৩০ রাউন্ড গুলি ও ২৩ রাউন্ড গুলির খোসা, ০৩ রাউন্ড কার্তুজ, বিভিন্ন ধরনের দেশি অস্ত্র, ২ কেজি গাঁজা, ২৪০ গ্রাম ইয়াবার গুড়া, দেশি মদ ১৩ লিটার, একটি ওয়াকি-টকি সেট, বিকাশ প্রতারণার ৩০ হাজার টাকা, মাদক বিক্রি ও অন্যান্য মিলে ১৪ লাখ ৩৪ হাজার ৫০০ টাকা, ৩৭ টি হারানো বা চুরি হওয়া মোবাইল উদ্ধার করা হয়।

 

রিয়াজ উদ্দিন বলেন, রোহিঙ্গা ক্যাম্পে গ্রুপ ভিত্তিক মারামারি ও সহিংসতা নিয়ন্ত্রণ, অস্ত্রের মহড়া প্রতিরোধ, বাল্য বিবাহ প্রতিরোধ, সরাসরি ও অনলাইন জুয়া বন্ধ এবং পারিবারিক নির্যাতন নিয়ন্ত্রণে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে।

এক বছরে ২ লাখের বেশি ইয়াবা উদ্ধার করেছে এপিবিএন-৮

ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুর উপজেলায় ফ্যামিলি কার্ড শুমারির জনবল নিয়োগ প্রক্রিয়ায় নিয়ম বহির্ভূতভাবে বিএনপি দলীয় নেতার সুপারিশ নিয়ে এলাকায় তীব্র মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের নিয়ন্ত্রণে গণনাকারী ও সমন্বয়কারী পদের আবেদন ফরমে বিধি অমান্য করে হরিপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি সাবেক উপধ্যক্ষ জামাল উদ্দীন সরাসরি তার দলীয় পরিচয়ের সিল স্বাক্ষর ব্যবহার করে সুপারিশ প্রদান করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। সরকারি একটি প্রশাসনিক নিয়োগ প্রক্রিয়ায় দলীয় পদের এমন প্রভাব বিস্তার নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন সাধারণ আবেদনকারীরা।

 

হরিপুরে ফ্যামিলি কার্ড শুমারি কার্যক্রম পরিচালনার জন্য সম্প্রতি জনবল নিয়োগের উদ্দেশ্যে আবেদনপত্র আহবান করা হয়। সরকারি বিধিমালা অনুযায়ী এ ধরনের নিয়োগ সম্পূর্ণ উন্মুক্ত, মেধাভিত্তিক এবং প্রশাসনিক নীতি অনুসরণ করে সম্পন্ন হওয়ার কথা। শুমারির পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে আগামী ৪ঠা আগষ্ট হরিপুর উপজেলা পরিষদ হলরুমে।

 

এদিকে জমা পড়া আবেদনপত্রের একাংশে দেখা যায়, উপজেলা বিএনপির সভাপতি সাবেক উপধ্যক্ষ জামাল উদ্দীন স্বাক্ষরিত সুপারিশ যুক্ত করা হয়েছে। তিনি তার স্বাক্ষর ও সিলের উপরে লিখেছেন ‘‘জোড় সুপারিশ করা হলো”।সরকারি কোনো ফরম বা নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে রাজনৈতিক পরিচয়ে সুপারিশ গ্রহণের কোনো সুযোগ না থাকা সত্ত্বেও, এমন সুপারিশে নিয়োগের নিরপেক্ষতা নিয়ে জনমনে সংশয় সৃষ্টি হয়েছে। তিনি প্রায় একাধিক আবেদন ফরমে এমন সুপারিশ করেছেন।

 

ঘটনাটি প্রকাশ হওয়ার পর থেকে হরিপুর উপজেলার সাধারণ মানুষ ও আবেদনকারীদের মধ্যে নানা মুখী আলোচনা ও প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। একটি স্পর্শকাতর সরকারি তথ্য সংগ্রহ ও শুমারি কার্যক্রমে প্রথম থেকেই রাজনৈতিক প্রভাব থাকলে কাজের প্রকৃত উদ্দেশ্য ব্যাহত হতে পারে বলে মনে করছেন সচেতনমহল।

 

সাধারণ মেধাভিত্তিক আবেদনকারীরা আশঙ্কা প্রকাশ করছেন যে, দলীয় সুপারিশের কারণে যোগ্য প্রার্থীরা তালিকা থেকে বাদ পড়তে পারেন এবং দলীয় প্রভাবে স্বজনপ্রীতির সুযোগ তৈরি হতে পারে। তাই আবেদনকারীসহ সচেতনমহল দাবী করেছেন স্বচ্ছতার ভিত্তিতে আইন অনুসরণ করে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করার।

 

এ বিষয়ে উপজেলা বিএনপির সভাপতি সাবেক উপধ্যক্ষ জামাল উদ্দীন গতকাল শনিবার মুঠোফোনে জানালেন, দলীয় চাপে এগুলো সুপারিশ দিতে হয়েছে। সরকারী আবেদন ফরমে এ ধরনের সুপারিশ করতে পারবেন কিনা প্রশ্নে বলেন? আসলে দলীয় চাপে সুপারিশ করতে হয়েছে। উপজেলা প্রশাসন তাদের নিয়ম মেনেই নিয়োগ পক্রিয়া সম্পর্ণ করবেন বলে তিনি জানান।

 

হরিপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা(ইউএনও) চন্দন কর জানালেন, এ ধরনের সুপারিশ গ্রহণযোগ্য নই। মেধার ভিত্তিতে নিয়োগ হবে। সরকারী ফরমে রাজনৈতিক সুপারিশ যে ফরমে হলো সেগুলো এখন কি হবে প্রশ্নে তিনি বিষয়টি এড়িয়ে যান। জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রফিকুল হক গতকাল শনিবার মুঠোফোনে বলেছেন, কোন সুপারিশ দিয়ে নিয়োগ হবে না। এটি সরাসরি প্রধানমন্ত্রীর প্রকল্প, স্বচ্ছতার ভিত্তিতেই নিয়োগ হবে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

 

 

ফ্যামিলি কার্ড শুমারির আবেদনের ফরমে বিএনপি নেতার সুপারিশ

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের শীর্ষ ব্যবসায়ী ও শিল্পোদ্যোক্তাদের সঙ্গে এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠক করেছেন। বৈঠকটি প্রায় সাড়ে তিন ঘণ্টা ধরে অনুষ্ঠিত হয়।

 

শনিবার (১ আগস্ট) তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

 

বৈঠকে মূলত বিনিয়োগ পরিবেশ উন্নয়ন, শিল্পখাতের বিদ্যমান সমস্যা, জ্বালানি সংকট, করনীতি, রপ্তানি বৃদ্ধি এবং বিদেশি বিনিয়োগ (এফডিআই) আকর্ষণের বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা হয়।

 

বৈঠকে ব্যবসায়ীরা বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সরবরাহ, করব্যবস্থা, নিয়ন্ত্রক জটিলতা, লজিস্টিকস, দক্ষ জনশক্তি এবং বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করার বিষয়ে তাদের মতামত তুলে ধরেন।

প্রধানমন্ত্রী বেসরকারি খাতের সঙ্গে নিয়মিত সংলাপ অব্যাহত রাখার এবং ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ তৈরিতে সরকারের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।

 

এছাড়া এ বৈঠকে, দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ বৃদ্ধি, ব্যবসা সহজীকরণ, করনীতি ও শুল্কসংক্রান্ত বিষয়, জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সরবরাহ, রপ্তানি সম্প্রসারণ ও নতুন বাজার সৃষ্টি, কর্মসংস্থান বৃদ্ধি, অবকাঠামো উন্নয়ন ব্যাংকিং ও অর্থায়ন-সংক্রান্ত চ্যালেঞ্জ, বেসরকারি খাতের উন্নয়নে সরকারের নীতিগত সহায়তাসহ নানা বিষয়ে আলোচনা হয়।

 

 

দেশের শীর্ষ ব্যবসায়ী ও শিল্পোদ্যোক্তাদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর উচ্চপর্যায়ের বৈঠক

র‌্যাবের চৌকস অভিযানে জীপসহ প্রায় ১১ হাজার ইয়াবার চালান আটক

জামালপুর হামলা পাল্টা হামলার মধ্য দিয়ে জেলার সানন্দবাড়ী তে থমথমে অবস্থা বিরাজমান।

পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়ের ও আদালতে মিথ্যা হলফনামা দেয়ার অভিযোগে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের কেবিন ক্রু খাদিজা সুলতানা শিমুর বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

 

বুধবার (১৫ জুলাই) ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-২-এর বিচারক মো. জাকির হোসাইন এ আদেশ দেন। আদালতের আদেশে বলা হয়েছে, শিমুর বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১২-এর ১৩ ধারা এবং দণ্ডবিধির ১৮১, ১৮২ ও ১৯৩ ধারায় মামলা করা হবে। আদালত নিজেই এ মামলার বাদী হয়েছেন।

 

আদালতের নথি অনুযায়ী, খাদিজা সুলতানা শিমু মামলার বাদী হয়ে বেসরকারি একটি এয়ারলাইন্সের কর্মকর্তা মো. ওমর ফারুক চৌধুরীর বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনের বিভিন্ন ধারায় উত্তরা পশ্চিম থানায় মামলা করেন।

 

তদন্ত শেষে উত্তরা পশ্চিম থানার তদন্ত কর্মকর্তা আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করে জানান, অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়নি। প্রতিবেদনে বলা হয়, মামলার এজাহারে উল্লেখ করা ফেসবুক লিংক, ডিজিটাল আলামত ও অন্যান্য তথ্য যাচাই করে ওমর ফারুকের বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি প্রচারের কোনো প্রমাণ মেলেনি। ফলে ওই কর্মকর্তাকে মামলা থেকে অব্যাহতির সুপারিশ করা হয়।

একই সঙ্গে তদন্ত কর্মকর্তা প্রতিবেদনে উল্লেখ করেন, ওমর ফারুক আগে শিমুর বিরুদ্ধে বিয়ের প্রলোভন দিয়ে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে আদালতে মামলা করেছিলেন। সেই মামলার দায় এড়াতেই শিমু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত বিভিন্ন লিংক উল্লেখ করে তার বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি ছড়ানোর অভিযোগ এনে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত, হয়রানিমূলক ও মিথ্যা মামলা করেছেন বলে প্রাথমিক তদন্তে প্রতীয়মান হয়েছে। এ কারণে শিমুর বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১২-এর ১৩ ধারায় আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার আবেদনও করেন তদন্ত কর্মকর্তা।

 

পরে গত ৯ জুলাই আদালত তদন্ত প্রতিবেদন গ্রহণ করে ওমর ফারুককে মামলা থেকে অব্যাহতি দেন। আদালতের আদেশে বলা হয়, শিমু ক্ষতিসাধনের উদ্দেশ্যে আদালতে মিথ্যা মামলা দায়ের করেছেন এবং হলফ করে মিথ্যা সাক্ষ্য দিয়েছেন। মামলার নথিতে তার দেয়া হলফনামাও সংযুক্ত রয়েছে। এসব বিবেচনায় আদালত নিজেই বাদী হয়ে তার বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন ও দণ্ডবিধির সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়েরের নির্দেশ দেন।

 

তদন্তে যা উঠে এসেছে পুলিশের চূড়ান্ত প্রতিবেদনে বলা হয়, তদন্তকালে রেকর্ড, ডিজিটাল আলামত, ফেসবুক লিংক ও ফরেনসিক তথ্য যাচাই করে ওমর ফারুকের বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি প্রচারের কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

 

তদন্তে আরও উঠে আসে, শিমু বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের কেবিন ক্রু এবং ওমর ফারুক একটি বেসরকারি এয়ারলাইন্সের এয়ারক্রাফট মেইনটেন্যান্স কর্মকর্তা। ফেসবুকে পরিচয়ের পর তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে।

 

প্রতিবেদনে বলা হয়, বিয়ের আশ্বাস দিয়ে বিভিন্ন সময়ে ওমর ফারুকের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ ও মূল্যবান সামগ্রী নেয়ার অভিযোগে ওমর ফারুক আদালতে পৃথক মামলা করেন। এরপর সেই মামলার দায় থেকে নিজেকে রক্ষা করতেই শিমু পর্নোগ্রাফি আইনে অভিযোগ দায়ের করেন বলে তদন্তে প্রতীয়মান হয়েছে।

 

ওমর ফারুকের আগের মামলা গত ২০ জুলাই ওমর ফারুক চৌধুরী শিমুর বিরুদ্ধে বিয়ের প্রলোভন, ‘হানি ট্র্যাপ’ ও ব্ল্যাকমেইলের মাধ্যমে প্রায় ২২ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ঢাকার আদালতে মামলা করেন। আদালত অভিযোগটি আমলে নিয়ে উত্তরা পশ্চিম থানাকে তদন্তের নির্দেশ দেন। পরে তিনি বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স কর্তৃপক্ষের কাছেও লিখিত অভিযোগ করেন।

 

সেই মামলায় অভিযোগ করা হয়, ২০২৪ সালে ফেসবুকে পরিচয়ের পর শিমু তাকে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে বিভিন্ন সময়ে টাকা নেন। জন্মদিনে দেড় লাখ টাকা মূল্যের একটি হীরার আংটিসহ বিয়ের খরচের জন্য মোট ২১ লাখ ৭৪ হাজার ৫১১ টাকা নেয়ার পরও বিয়ে না করে প্রতারণার মাধ্যমে অর্থ আত্মসাৎ করা হয়েছে বলে মামলায় দাবি করা হয়।

পর্নোগ্রাফি আইনে কেবিন ক্রু শিমুর বিরুদ্ধে মামলার নির্দেশ আদালতের

খেলাধুলা

দীর্ঘ দেড় দশকেরও বেশি সময় ধরে ব্রাজিলের আক্রমণভাগের অন্যতম ভরসা ছিলেন নেইমার জুনিয়র। জাতীয় দলের হয়ে অসংখ্য স্মরণীয় মুহূর্ত উপহার দেওয়া এই তারকা এবার আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় জানানোর ঘোষণা দিয়েছেন। কোপা সুদামেরিকানায় সান্তোসের জয়ের পর নিজের ভবিষ্যৎ নিয়ে কথা বলতে গিয়ে তিনি জানান, ব্রাজিলের জার্সিতে আর মাঠে নামার ইচ্ছা নেই।

 

ভেনেজুয়েলার ইউনিভার্সিদাদ সেন্ট্রালের বিপক্ষে ৪-২ গোলের জয়ের পর সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে নেইমার বলেন, জাতীয় দলের হয়ে তার পথচলা শেষ হয়েছে। দেশের জার্সির জন্য নিজের সর্বোচ্চটুকু দিয়েছেন বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

 

নেইমারের ভাষায়, ব্রাজিলের প্রতিনিধিত্ব করা ছিল তার জীবনের সবচেয়ে বড় সম্মানগুলোর একটি। তবে এখন তিনি মনে করছেন, আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে সরে দাঁড়ানোর সময় এসেছে।

 

২০২৬ বিশ্বকাপে শিরোপার স্বপ্ন নিয়ে মাঠে নেমেছিল ব্রাজিল। কিন্তু শেষ ষোলোতে নরওয়ের কাছে হেরে বিদায় নিতে হয় দলকে। সেই ম্যাচে শেষদিকে পেনাল্টি থেকে গোল করলেও হার এড়ানো সম্ভব হয়নি। ম্যাচ শেষে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েছিলেন নেইমার। পরে জানা যায়, সেটিই ছিল তার আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের শেষ ম্যাচ।

মাত্র ১৮ বছর বয়সে ২০১০ সালে ব্রাজিল জাতীয় দলে অভিষেক হয় নেইমারের। এরপর ১৩০টি আন্তর্জাতিক ম্যাচে অংশ নিয়ে তিনি করেছেন ৮০টি গোল এবং সতীর্থদের দিয়ে করিয়েছেন আরও ৫৯টি গোল। দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোলদাতা হিসেবে নিজের নাম প্রতিষ্ঠা করলেও বিশ্বকাপ কিংবা কোপা আমেরিকার শিরোপা জয়ের স্বপ্ন অপূর্ণই থেকে গেল তার।

 

জাতীয় দলকে বিদায় জানালেও ক্লাব ফুটবলে নিজের যাত্রা চালিয়ে যেতে চান নেইমার। ইউনিভার্সিদাদ সেন্ট্রালের বিপক্ষে বদলি হিসেবে নেমে সান্তোসের জয়ে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন তিনি। এই জয়ের ফলে কোপা সুদামেরিকানার শেষ ষোলো নিশ্চিত করেছে ব্রাজিলের ক্লাবটি। পরবর্তী পর্বে তাদের প্রতিপক্ষ হবে ইকুয়েডরের মাকারা।

 

এদিকে সম্প্রতি সান্তোস ড্রেসিংরুমে সতীর্থদের সঙ্গে নেইমারের আচরণ নিয়ে যে বিতর্ক তৈরি হয়েছিল, সেটিও নাকচ করেছেন এই ফরোয়ার্ড। সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছিল, চ্যাপেকোয়েন্সের বিপক্ষে ম্যাচ শেষে তিনি তরুণ দুই ফুটবলার গ্যাব্রিয়েল বন্তেম্পো ও জোয়াও আনানিয়াসের সমালোচনা করেন এবং তাদের নিয়ে বিদ্রূপাত্মক মন্তব্য করেন।

 

তবে এসব অভিযোগকে ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছেন নেইমার। তার দাবি, ম্যাচের পর তিনি শুধু দলের পারফরম্যান্স নিয়ে কথা বলেছেন এবং সহজে পয়েন্ট হারানো নিয়ে হতাশা প্রকাশ করেছেন। অধিনায়ক হিসেবে দলের ভুলগুলো তুলে ধরা নিজের দায়িত্ব বলেও মন্তব্য করেন তিনি। একই ধরনের বক্তব্য অন্য জ্যেষ্ঠ খেলোয়াড়রাও দিয়েছিলেন বলে জানান ব্রাজিলিয়ান এই তারকা।

ব্রাজিল অধ্যায়ের ইতি টানলেন নেইমার!

আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের অধিনায়ক লিওনেল মেসির ড্রেসিংরুম থেকে মাঠে যাওয়ার পথে দেয়া অনুপ্রেরণামূলক ভাষণের একটি ভিডিও প্রকাশের পর ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। ফাইনালে স্পেনের কাছে পরাজয়ের পর ভিডিওটির একটি অংশ ঘিরে নানা জল্পনা-কল্পনা তৈরি হয়েছিল। বিশেষ করে মেসির বলা ‘সবকিছু ভুলে যাও’ বাক্যটির গোপন অর্থ খুঁজতে শুরু করেছিলেন অনেকে। তবে সম্প্রতি পুরো ভিডিও প্রকাশিত হওয়ার পর সেই বক্তব্যকে ঘিরে নতুন ব্যাখ্যাও সামনে এসেছে।

 

মাঠে নামার আগে সতীর্থদের উদ্দেশে মেসি বলেন, ‘চলো সবাই, শান্ত থাকো। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, আমরা যেন শান্ত থাকি। শুধু খেলায় মনোযোগ দাও। সবকিছু ভুলে যাও। শুধু খেলো, খেলায় মনোযোগ দাও। চলো।’

 

তার এই বক্তব্যের মূল উদ্দেশ্য ছিল চাপমুক্ত থেকে নিজেদের স্বাভাবিক খেলাটি খেলা।

 

মাঠে প্রবেশের সময় আর্জেন্টিনার খেলোয়াড়দের মধ্যে কৌশলগত কিছু কথোপকথনও শোনা যায়। গোলরক্ষক এমিলিয়ানো ‘দিবু’ মার্টিনেজকে উদ্দেশ করে ক্রিস্তিয়ান ‘কুতি’ রোমেরো বলেন, প্রতিপক্ষের আক্রমণে কীভাবে চাপ সৃষ্টি করতে হবে এবং লামিন ইয়ামালকে সামলানোর পরিকল্পনা নিয়ে।

 

লিসান্দ্রো ‘লিচা’ মার্টিনেজ দিবুকে সতর্ক করে বলেন, প্রতিপক্ষ ভেতরে ঢুকে শট নেয়ার চেষ্টা করবে, তাই সে বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে। পরে লিচা নিকোলাস তাগলিয়াফিকোকে বলেন, ‘পুরো ম্যাচ জুড়ে তাকে আটকে রাখবে।’ দিবুকে উদ্দেশ করে তিনি আরও বলেন, ‘প্রতিটি বল নিশ্চিতভাবে ধরবে, মানসিকভাবে শক্ত থাকো।’

 

এ সময় মেসি আবারও ডিফেন্ডারদের বলেন, প্রতিপক্ষ আক্রমণে এলে লিয়ান্দ্রো পারেদেস ও এনজো ফার্নান্দেজ যেন অপ্রয়োজনীয়ভাবে সামনে উঠে না যান। সবশেষে কুতি রোমেরো দিবুকে বলেন, ‘আজ তোমার দিন।’ জবাবে দিবুর আত্মবিশ্বাসী উত্তর ছিল, ‘আজ আমার দিন। আজ ইতিহাসে লেখা থাকবে।’

 

এরপর দুই দল মাঠে প্রবেশ করে এবং প্রতিপক্ষের খেলোয়াড়দের সঙ্গে সৌহার্দ্যপূর্ণভাবে শুভেচ্ছা বিনিময় করে। তবে ম্যাচ শুরু হওয়ার পর উত্তেজনা বাড়তে থাকে। খেলার বিভিন্ন মুহূর্তে তীব্র লড়াই ও বাকবিনিময় দেখা যায়। শেষ পর্যন্ত পরাজয়ের হতাশা নিয়েই মাঠ ছাড়তে হয় আর্জেন্টিনাকে।

 

ভিডিওটি নিয়ে তৈরি হওয়া বিতর্ক সম্পর্কে জানতে চাইলে আর্জেন্টিনা কোচ লিওনেল স্কালোনি বলেন, ‘আমি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম দেখি না। এসব বিষয়ে কিছুই জানি না। আপনারা কী নিয়ে বলছেন, সে সম্পর্কেও আমার কোনো ধারণা নেই।’

ফাইনালের আগমুহূর্তে আর্জেন্টিনার ড্রেসিংরুমে কী হচ্ছিল? স্পষ্ট করলো দেশটির গণমাধ্যম

২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপের শ্বাসরুদ্ধকর ফাইনালে আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো শিরোপা জিতেছে স্পেন। তবে মাঠের লড়াই ছাপিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এখন আলোচনার তুঙ্গে স্প্যানিশ ডিফেন্ডার মার্ক কুকুরেলার একটি ভিডিও। যেখানে দেখা যায়, এই চেলসি তারকা একটি সাধারণ সাদা প্লাস্টিকের ব্যাগে করে বিশ্বকাপ ট্রফির মতো দেখতে একটি বস্তু নিয়ে স্টেডিয়াম ছাড়ছেন। অত্যন্ত মূল্যবান এই ট্রফিটি এভাবে ‘ময়লা ফেলার ব্যাগে’ বহনের দৃশ্য দেখে ফুটবল বিশ্বে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

 

নির্ধারিত ৯০ মিনিট গোলশূন্য থাকার পর অতিরিক্ত সময়ের ১০৬ মিনিটে ফেরান তোরেসের গোলে আর্জেন্টিনাকে ১-০ ব্যবধানে পরাজিত করে লুইস দে লা ফুয়েন্তের দল। উদযাপনের আনুষ্ঠানিকতা শেষে খেলোয়াড়েরা যখন ড্রেসিংরুমের দিকে ফিরছিলেন, তখন ক্যামেরায় ধরা পড়ে কুকুরেলার এই অদ্ভুত দৃশ্য। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মুহূর্তেই ছড়িয়ে পড়া ভিডিওটিতে দেখা যায়, একটি শপিং ব্যাগের ভেতর সোনালী রঙের ট্রফিটি নিয়ে হেঁটে যাচ্ছেন তিনি।

 

বিশ্বের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ ট্রফিটি এমন সাদামাটাভাবে বহন করতে দেখে নেটিজেন ও সাংবাদিকেরা বিষ্ময় প্রকাশ করেন। তবে এই রহস্যের সমাধান হয়েছে খুব দ্রুতই। জানা গেছে, কুকুরেলার ব্যাগে থাকা বস্তুটি আসল ফিফা বিশ্বকাপ ট্রফি ছিল না; বরং সেটি ছিল লেগো (LEGO) দিয়ে তৈরি ট্রফির একটি হুবহু প্রতিচ্ছবি বা খেলনা। শখের বশে তৈরি করা এই লেগো ট্রফিটিই তিনি প্লাস্টিকের ব্যাগে করে নিয়ে যাচ্ছিলেন।

কুকুরেয়ার প্লাস্টিকের ব্যাগে ‘বিশ্বকাপ ট্রফি’! আসল রহস্য কী?

চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার গোয়ালপাড়া গ্রামের স্কুলছাত্রী মরিয়মকে (১০) ধর্ষণ ও হত্যার দায়ে অভিযুক্ত একমাত্র আসামি আবুল হোসেন ওরফে ফটিককে মৃত্যুদণ্ড এবং ২ লাখ টাকা জরিমানা করেছেন আদালত।

 

সোমবার (২০ জুলাই) শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনাল চুয়াডাঙ্গার বিচারক (জেলা ও দায়রা জজ) মো. মোক্তাগীর আলম আসামির উপস্থিতিতে এই রায় ঘোষণা করেন।

 

আসামি আবুল হোসেনের বাড়ি পার্শ্ববর্তী গয়েশপুর গ্রামে। আদালতে তিনি ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। আদালত ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০২৩ সালের ২১ ডিসেম্বর গোয়ালপাড়া গ্রামের মরিয়ম খাতুন কয়েকজন শিশুকে সাথে নিয়ে মাঠে শাক তুলতে যায়। এ সময় শাক তুলে দেওয়ার কথা বলে আসামী মরিয়মকে একটি ভুট্টাখেতের ভেতর নিয়ে যায় এবং ধর্ষণ শেষে হত্যা করে।

 

এ ঘটনায় তদন্ত শেষে পুলিশ অভিযুক্ত আবুল হোসেনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

 

চুয়াডাঙ্গার নারী ও শিশু আদালতের পিপি এমএম শাহজাহান মুকুল জানান, ‘৩১জন স্বাক্ষীর স্বাক্ষ্যগ্রহণ শেষে এই রায় ঘোষণা করেন আদালত।’ আদালতের রায়ে বাদী ও রাষ্ট্রপক্ষ সন্তষ্টি প্রকাশ করেন। এমন বিচার অব্যাহত থাকলে দেশে ধর্ষণ হত্যা নিয়ন্ত্রণে আসবে বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা।

স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ ও হত্যা মামলার আসামির মৃত্যুদণ্ড

ইউরো জয়ের দুই বছর পর এবার বিশ্বকাপও জিতে ফুটবলের নতুন পরাশক্তি হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠা আরও শক্ত করলো স্পেন। শুধু পুরুষদেরই নয়, নারী ও বয়সভিত্তিক সব পর্যায় মিলিয়ে গত পাঁচ বছরে ১৬টি আন্তর্জাতিক শিরোপা জিতেছে লা রোজারা। ফুটবল বিশ্লেষকদের মতে, পরিকল্পিত উন্নয়ন আর শক্তিশালী একাডেমি কাঠামোই স্পেনকে এনে দিয়েছে এই অবিশ্বাস্য সাফল্য।

 

২০২৬ বিশ্বকাপ ফাইনালে আর্জেন্টিনাকে ১-০ গোলে হারিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হয়েছে স্পেন। এর আগে ২০২৪ সালে ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপ জিতেছিল লুইস দে লা ফুয়েন্তের দল। ২০১০ সালেও ইউরোর পর বিশ্বকাপ জয়ের একই কীর্তি গড়েছিল স্পেন।

পুরুষ ও নারী— উভয় ফুটবলে একই সময়ে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হওয়ার প্রথম দেশ এখন স্পেন। ২০২৩ সালে নারী বিশ্বকাপ জয়ের পর এবার পুরুষ দলের বিশ্বকাপ শিরোপা সেই ইতিহাসকে আরও সমৃদ্ধ করেছে।

 

শুধু সিনিয়র পর্যায় নয়, বয়সভিত্তিক দলগুলোর সাফল্যও চোখে পড়ার মতো। ২০২২ থেকে ২০২৬ সালের মধ্যে নারী ও পুরুষ মিলিয়ে স্পেন জিতেছে মোট ১৬টি ইউরোপীয় ও বিশ্ব শিরোপা।

 

নারী ফুটবলে এই সময়ে স্পেন জিতেছে— ২০২৩ নারী বিশ্বকাপ, ২০২৪ ও ২০২৫ নেশনস লিগ, অনূর্ধ্ব-২০ বিশ্বকাপ ২০২২, অনূর্ধ্ব-১৯ ইউরো টানা পাঁচবার (২০২২-২০২৬), অনূর্ধ্ব-১৭ বিশ্বকাপ (২০২২) ও ইউরো (২০২৪)।

 

অন্যদিকে পুরুষ ফুটবলে জিতেছে— ২০২৬ বিশ্বকাপ, ২০২৪ ইউরো, ২০২৩ নেশনস লিগ, ২০২৪ অলিম্পিক স্বর্ণ এবং ২০২৬ এর অনূর্ধ্ব-১৯ ইউরো।

 

স্প্যানিশ ফুটবল বিশেষজ্ঞ গিলেম বালাগের ভাষায়, এটি শুধু একটি ভালো দলের সাফল্য নয়, বরং পুরো দেশের ফুটবল দর্শন ও পরিকল্পনার প্রতিফলন। তার মতে, স্পেনে সবাই একই ফুটবল দর্শনে বিশ্বাস করে। এ কারণেই সাফল্যের ধারাবাহিকতা তৈরি হয়েছে।

 

দেশটির নারী ফুটবলেও গত এক দশকে এসেছে আমূল পরিবর্তন। বার্সেলোনার সাবেক খেলোয়াড় মারিয়া গারিদো জানান, কয়েক বছর আগেও মেয়েদের জন্য পর্যাপ্ত একাডেমি, সুযোগ-সুবিধা কিংবা আর্থিক সহায়তা ছিল না। এখন উন্নত অবকাঠামো, বয়সভিত্তিক প্রতিযোগিতা এবং পেশাদার পরিবেশ নারী ফুটবলকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে গেছে।

 

এই অর্জনগুলো দিয়ে শক্তিশালী ভবিষ্যতের বার্তা দিয়েছে স্পেন। দলটির হয়ে মাত্র ১৯ বছর বয়সেই বিশ্বকাপজয়ী হয়েছেন লামিনে ইয়ামাল ও পাউ কুবারসি। এই দুই তরুণকে ঘিরে স্পেনের ভবিষ্যৎ আরও উজ্জ্বল বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

 

সাবেক ইংল্যান্ড গোলরক্ষক জো হার্ট বলেন, স্পেন এমন একটি ফুটবল দর্শন তৈরি করেছে, যার ধারেকাছেও এখন অন্য কোনো দল যেতে পারছে না।

 

আর ফ্রান্সের বিশ্বকাপজয়ী কিংবদন্তি থিয়েরি অঁরি মনে করেন, স্পেনের এই আধিপত্য কাকতালীয় নয়। তার ভাষায়, তারা এমন একটি কাঠামো গড়ে তুলেছে, যার ফল এখন প্রতিটি পর্যায়ে দেখা যাচ্ছে। স্পেনের সাম্প্রতিক সাফল্য বলছে, বিশ্ব ফুটবলের নতুন মানদণ্ড এখন লা রোজাই।

পাঁচ বছরে নারী-পুরুষ মিলিয়ে ১৬ শিরোপা, বিশ্ব ফুটবলে স্পেনের একচ্ছত্র আধিপত্য

বিশ্বকাপে হারের পর দেশে ফেরার প্রস্তুতি নিয়েছে আর্জেন্টিনা। তবে একই বিমানে ফিরছেন না লিওনেল স্কালোনির দলের সবাই। কয়েকজন ফুটবলার যুক্তরাষ্ট্র থেকেই নিজ নিজ গন্তব্যে চলে যাবেন। খেলোয়াড়, কোচিং স্টাফ ও কর্মকর্তাদের নিয়ে প্রতিনিধিদলের একটি অংশ সোমবার স্থানীয় সময় বিকেল ৫টার দিকে বুয়েনস এইরেসে পৌঁছাবে।

 

বাংলাদেশ সময় তখন মঙ্গলবার রাত ২টা। সোমবার ভোরে নিউইয়র্ক থেকে ভাড়া করা বিমানে আর্জেন্টিনার উদ্দেশে যাত্রা শুরু করার কথা প্রতিনিধিদলটির।

 

এক বিবৃতিতে ফেরার সময়সূচি জানিয়েছে আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন। সংস্থাটি জানিয়েছে, দলের কয়েকজন ফুটবলার যুক্তরাষ্ট্র থেকেই নিজ নিজ ক্লাবে যোগ দিতে অথবা ছুটি কাটাতে আলাদা গন্তব্যের উদ্দেশে রওনা হবেন। বাকি খেলোয়াড়দের সঙ্গে কোচিং স্টাফ ও দলের অন্য সদস্যরা দেশে ফিরবেন।

 

তবে কারা বুয়েনস এইরেসগামী বিমানে থাকবেন, সেই তালিকা প্রকাশ করেনি এএফএ। যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস এবং সেখানকার ক্লাবে খেলার কারণে লিওনেল মেসি ও রদ্রিগো দে পলের দেশে না ফেরার সম্ভাবনাই বেশি। যদিও তাদের বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি।

 

পুরো দল একসঙ্গে দেশে না ফেরায় আপাতত কোনো শোভাযাত্রা বা আনুষ্ঠানিক সংবর্ধনার পরিকল্পনাও নেই। রানার্সআপ দলটি উদ্‌যাপনের সিদ্ধান্ত নিলে সেই দিন জাতীয় ছুটি ঘোষণা করা হবে বলে এর আগে জানিয়েছিলেন আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট হাভিয়ের মিলেই।

 

সমর্থকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে এএফএ বলেছে, বিশ্বকাপজুড়ে প্রতিটি শহর ও স্টেডিয়ামে আর্জেন্টাইনদের সমর্থন দলের শক্তি হিসেবে কাজ করেছে। টানা দ্বিতীয়বার বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্ন পূরণ না হলেও জাতীয় দল ও দেশের মানুষের সম্পর্ক যেকোনো ফলাফলের চেয়ে বড় বলেও উল্লেখ করেছে সংস্থাটি।

 

এএফএর বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, পতাকা, বার্তা, শোভাযাত্রা ও নিঃশর্ত ভালোবাসার মাধ্যমে সমর্থকেরা আবারও প্রমাণ করেছেন যে জাতীয় দল আর্জেন্টিনার মানুষের অমূল্য সম্পদ। আনন্দের সময়ের মতো কঠিন মুহূর্তেও পাশে থাকার জন্য তাদের ধন্যবাদ জানিয়েছে দেশটির ফুটবল কর্তৃপক্ষ।

 

রোববার নিউ জার্সিতে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপ ফাইনালে স্পেনের কাছে ১-০ গোলে হারে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা। নির্ধারিত সময়ে কোনো দল গোল করতে পারেনি। অতিরিক্ত সময়ের ১০৬তম মিনিটে ফেরান তোরেসের গোলে শিরোপা জেতে স্পেন।

ভিন্ন পথে আর্জেন্টিনার ফুটবলাররা, জানা গেল দেশে ফেরার সময়

বিস্তারিত....

বিনোদন

২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের ফাইনালের আগে আবেগঘন বার্তা দিয়েছেন আর্জেন্টিনা অধিনায়ক লিওনেল মেসি। স্পেনের বিপক্ষে শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচের আগের রাতে সতীর্থ, কোচিং স্টাফ এবং দলের নেপথ্যে কাজ করা সদস্যদের সঙ্গে তোলা একটি দলীয় ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করে তিনি বলেন, এই দল এমন এক ইতিহাস গড়েছে, যা কখনো মুছে ফেলা যাবে না।

 

নিউ জার্সিতে ফাইনালের আগে তোলা ছবিতে ২৬ সদস্যের খেলোয়াড়দলের পাশাপাশি কোচিং স্টাফ, চিকিৎসক, সরঞ্জামকর্মী, রাঁধুনি, কর্মকর্তাসহ আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ক্লদিও তাপিয়াও উপস্থিত ছিলেন। ফাইনালের আগে এটিই ছিল পুরো দলের শেষ আনুষ্ঠানিক দলীয় ছবি।

 

ছবির ক্যাপশনে মেসি লেখেন, গত কয়েক বছরের সবচেয়ে মূল্যবান অর্জন শুধু শিরোপা নয়, বরং সতীর্থদের সঙ্গে কাটানো প্রতিটি মুহূর্ত, একসঙ্গে লড়াই করা, কঠিন সময় পেরিয়ে ঘুরে দাঁড়ানো এবং প্রতিটি যাত্রাকে উপভোগ করা।

 

তিনি দলের খেলোয়াড়, কোচিং স্টাফ এবং জাতীয় দলের সঙ্গে যুক্ত সব সদস্যকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, ‘আগামীকাল যা-ই ঘটুক না কেন, এই দল এমন এক ইতিহাস লিখেছে, যা আমরা কখনো ভুলব না এবং কেউ মুছতেও পারবে না।’ একই সঙ্গে তিনি সমর্থকদেরও আর্জেন্টিনার পাশে থাকার আহ্বান জানান।

 

স্পেনের বিপক্ষে ম্যাচটি হবে মেসির ক্যারিয়ারের তৃতীয় বিশ্বকাপ ফাইনাল। ২০১৪ সালে জার্মানির কাছে পরাজয়ের পর ২০২২ সালে ফ্রান্সকে হারিয়ে বিশ্বকাপ জয়ের স্বাদ পান তিনি। এবার ৩৯ বছর বয়সে সম্ভাব্য শেষ বিশ্বকাপ ম্যাচে টানা দ্বিতীয়বারের মতো আর্জেন্টিনাকে শিরোপা এনে দেওয়ার সুযোগ রয়েছে তার সামনে।

 

চলতি বিশ্বকাপেও আর্জেন্টিনার ফাইনালে ওঠার পথে বড় ভূমিকা রেখেছেন মেসি। এখন পর্যন্ত তিনি করেছেন ৮ গোল এবং সতীর্থদের দিয়ে করিয়েছেন আরও ৪টি গোল। সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে গোল না পেলেও আর্জেন্টিনার দুই গোলেই ছিল তার গুরুত্বপূর্ণ অবদান।

 

বাংলাদেশ সময় রোববার রাত ১টায় নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে ফাইনালে মুখোমুখি হবে আর্জেন্টিনা ও স্পেন। বর্তমান চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনার লক্ষ্য চতুর্থ বিশ্বকাপ শিরোপা এবং ১৯৬২ সালের ব্রাজিলের পর প্রথম দল হিসেবে টানা দুইবার বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হওয়ার কীর্তি গড়া। অন্যদিকে, স্পেন চাইছে ২০১০ সালের পর দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের ট্রফি জিততে।

ফাইনালের আগে মেসির আবেগঘন বার্তা

প্রেমের টানে পাকিস্তান থেকে শরীয়তপুরের জাজিরায় এসেছেন মো. মোজাম্মেল হোসাইন নামে এক যুবক। গত শনিবার (১১ জুলাই) পাকিস্তানের লাহোর থেকে জাজিরা উপজেলার বিলাসপুর ইউনিয়নের স্টাপল্টন শিকদার কান্দি এলাকায় তার প্রেমিকা তানজিলা আক্তারের বাড়িতে আসেন। পরে স্থানীয় ইমামের মাধ্যমে শরিয়াহ অনুযায়ী তাদের বিবাহ সম্পন্ন হয়।

 

ভিনদেশি যুবকের এমন প্রেমকাহিনি ঘিরে এলাকায় সৃষ্টি হয়েছে ব্যাপক কৌতূহল ও চাঞ্চল্য। তবে ভালোবাসার এই গল্পের পাশাপাশি স্থানীয়দের একাংশের মনে দেখা দিয়েছে উদ্বেগও। তানজিলাকে পাকিস্তানে নিয়ে যাওয়ার আগে পুরো বিষয়টি যথাযথভাবে যাচাই করার দাবি জানিয়েছেন তারা।

 

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, প্রায় চার বছর আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে তানজিলার সঙ্গে পরিচয় হয় পাকিস্তানের লাহোরের বাসিন্দা উর্দুভাষী মোজাম্মেল হোসাইনের। তানজিলা মজিবর শিকদারের একমাত্র মেয়ে। পরিচয়ের পর নিয়মিত চ্যাটিং ও ভিডিও কলের মাধ্যমে ধীরে ধীরে তাদের মধ্যে গভীর প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে।

 

দীর্ঘ চার বছরের সেই সম্পর্ককে পরিণতি দিতে গত ১১ জুলাই শনিবার লাহোর থেকে জাজিরার বিলাসপুর ইউনিয়নের রহিম উদ্দিন মালাই মৃধাকান্দি গ্রামের স্টাপল্টন শিকদার কান্দি এলাকায় তানজিলার বাড়িতে এসে হাজির হন মোজাম্মেল। পরে জাজিরায় তাদের বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়।

 

তানজিলার মা আসমা আক্তার এ বিয়ে নিয়ে আশাবাদী। তিনি বলেন, ছেলের পরিবারের সঙ্গে তাদের নিয়মিত যোগাযোগ হচ্ছে। এত দূরে মেয়েকে বিয়ে দিতে কিছুটা খারাপ লাগলেও তাদের মনে কোনো ভয় বা শঙ্কা নেই।

 

তবে পরিবারের এই স্বস্তির বিপরীতে প্রতিবেশী ও স্বজনদের একাংশের মধ্যে রয়েছে উদ্বেগ। তানজিলার ফুফু রাত্রি আক্তার ও চাচা তোফাজ্জল শিকদার বলেন, ইদানীং প্রেমের ফাঁদে ফেলে মেয়েদের বিদেশে পাচারের নানা খবর পাওয়া যাচ্ছে। ছেলের পরিবারের কোনো অভিভাবক উপস্থিত না থাকায় এভাবে একটি মেয়েকে পাকিস্তানে পাঠানো ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে।

 

এ কারণে পুরো বিষয়টি যাচাই করে প্রশাসনের নজরদারি নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

 

স্থানীয় কয়েকজন বলেন, প্রেমের টানে পাকিস্তান থেকে যুবকের জাজিরায় ছুটে আসার ঘটনা এখন স্থানীয়দের আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। চার বছরের প্রেম শেষ পর্যন্ত দুই দেশের দুই তরুণ-তরুণীকে এক ছাদের নিচে এনেছে। তবে নববধূকে নিয়ে পাকিস্তানে যাত্রার আগে সব ধরনের আইনি প্রক্রিয়া ও নিরাপত্তার বিষয়টি নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় সচেতন মহল।

 

জাজিরা থানার ওসি সালেহ্ আহম্মদ বলেন, বিষয়টি সম্পর্কে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে অবগত নয়। দ্রুত খোঁজখবর নিয়ে তাদের পাসপোর্ট, ভিসাসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র যাচাই-বাছাই করা হবে। তদন্তে কোনো অসঙ্গতি পাওয়া গেলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

প্রেমের টানে শরীয়তপুরে পাকিস্তানি যুবক

আজ ২৫শে বৈশাখ। বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬৫ তম আবির্ভাব দিবস। ১২৬৮ বঙ্গাব্দের ২৫ শে বৈশাখ, কলকাতার জোড়াসাঁকো ঠাকুরবাড়িতে জন্ম বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের উৎকর্ষের অন্যতম এই নায়কের। তিনি অনন্য সব সৃষ্টি গল্প, কবিতা, উপন্যাস, ছোটগল্প ও অসংখ্য গানের মধ্য দিয়ে বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃতিকে পৌঁছে দিয়েছেন বিশ্বের কাছে।

 

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের মা সারদাসুন্দরী দেবী এবং বাবা ব্রাহ্ম ধর্মগুরু দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর। তিনি কবিতা লেখা শুরু করেন আট বছর বয়সে। ১৮৯১ সাল থেকে বাবার আদেশে নদিয়া, পাবনা, রাজশাহী ও ওড়িশার জমিদারি তদারকি শুরু করেন। কুষ্টিয়ার শিলাইদহের কুঠিবাড়িতে তিনি দীর্ঘসময় অতিবাহিত করেন। ১৯০১ সালে সপরিবারে চলে আসেন বীরভূমের বোলপুর শহরের উপকণ্ঠে শান্তিনিকেতনে। তার জীবদ্দশায় এবং মৃত্যুর পর প্রকাশিত হয়েছে ৫২টি কাব্যগ্রন্থ, ৩৮টি নাটক, ১৩টি উপন্যাস, ৩৬টি প্রবন্ধ এবং অন্যান্য গদ্য সংকলন। নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে আজ নোবেল বিজয়ী এই সহিত্য প্রতিভাকে স্মরণ করবে তার অগণিত ভক্ত।

 

বিটিভিতে সকাল ৯টায় থাকছে বিশেষ শিশুতোষ অনুষ্ঠান। সকাল ১০টা ৫ মিনিটে প্রচারিত হবে রবীন্দ্রসংগীতের অনুষ্ঠান ‘গীতবিতান’। সন্ধ্যা ৬টায় থাকছে বিশেষ কবিতা আবৃত্তির অনুষ্ঠান। রাত ৯টায় থাকছে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গল্প অবলম্বনে নাটক ‘সম্পত্তি সমর্পণ’। রাত ১০টায় সংবাদের পর প্রচারিত হবে বিশেষ রবীন্দ্রসংগীতের অনুষ্ঠান। অনুষ্ঠানে কবির বিভিন্ন পর্যায়ের জনপ্রিয় ৯টি গান পরিবেশন করবেন একঝাঁক রবীন্দ্রসংগীতশিল্পী। রাত ১১টায় প্রচারিত হবে ‘চিত্রাঙ্গদা’।

 

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সাহিত্যজগৎ ছিল নানা বর্ণ, মানসিকতা ও চেতনায় ভরপুর। তাইতো, নিঃসঙ্গতার প্রতিচ্ছবি চারুলতা, সামাজিক বেড়াজাল ভেঙে আত্মসচেতন হয়ে ওঠা বিনোদিনী কিংবা গোরা উপন্যাসের স্বদেশপ্রেম ও জাতিসত্তার পরিচয়ে জর্জরিত পুরুষের মধ্যে আজও পাঠক খুঁজে ফেরে নিজেদের। বাংলার মাটিতে যেমন তাঁর কদর, তেমনি বিশ্ব দরবারেও সমানভাবে ছড়িয়ে আছে তার দীপ্তি। সাহিত্যে অবদানের জন্য ১৯১৩ সালে নবজাগরণের এই পুরোধাকে ভূষিত করা হয় নোবেল পুরস্কারে। দিনটি উদযাপনে দেশের বিভিন্ন স্থানে আয়োজন করা হয়েছে নানা আয়োজন।

বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬৫তম জন্মজয়ন্তী আজ

প্রতিবেদন: ওমর ফারুক

আজ ৩ মে বিশ্বজুড়ে পালিত হচ্ছে বিশ্ব গণমাধ্যম দিবস। গণমাধ্যমের স্বাধীনতা, দায়বদ্ধতা এবং সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার গুরুত্ব তুলে ধরতেই প্রতি বছর এই দিনটি পালন করা হয়।

১৯৯৩ সালে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ আনুষ্ঠানিকভাবে ৩ মে-কে বিশ্ব গণমাধ্যম স্বাধীনতা দিবস হিসেবে ঘোষণা করে। এর আগে ১৯৯১ সালে নামিবিয়ার উইন্ডহুকে গৃহীত উইন্ডহুক ঘোষণা-এর মাধ্যমে স্বাধীন ও বহুমুখী গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানানো হয়, যা পরবর্তীতে এই দিবস ঘোষণার ভিত্তি তৈরি করে।

বর্তমান সময়ে গণমাধ্যম সমাজের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে সত্য ও নিরপেক্ষ তথ্য মানুষের কাছে পৌঁছে দিচ্ছে। নানা চ্যালেঞ্জের মধ্যেও সাংবাদিকরা পেশাগত দায়িত্ব পালন করে গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে অবদান রাখছেন।

বিশ্ব গণমাধ্যম দিবস উপলক্ষে গণ টেলিভিশন-এর পক্ষ থেকে দেশের সকল সাংবাদিক, গণমাধ্যমকর্মী ও দর্শকদের জানানো হয়েছে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনের মাধ্যমে সমাজের কল্যাণে কাজ করে যাওয়ার প্রত্যয় পুনর্ব্যক্ত করেছে প্রতিষ্ঠানটি।

আজ বিশ্ব গণমাধ্যম দিবস

প্রতিবেদনঃ ওমর ফারুক

যারা বিবাহিত, তাদের তুলনায় অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্কদের ক্যানসার হওয়ার ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি। যুক্তরাষ্ট্রের মায়ামি বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন এক গবেষণায় এমন চমকপ্রদ তথ্য উঠে এসেছে।

পরিসংখ্যান অনুযায়ী, অবিবাহিত পুরুষদের ক্যানসারের ঝুঁকি বিবাহিতদের তুলনায় প্রায় ৭০ শতাংশ বেশি।

গবেষণায় দেখা গেছে, যারা কখনো বিয়ে করেননি, তাদের মধ্যে ক্যানসারে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি তুলনামূলকভাবে বেশি।

 

 

২০১৫ থেকে ২০২২ সালের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের ১২টি অঙ্গরাজ্যের ৪০ লাখের বেশি মানুষের তথ্য বিশ্লেষণ করে এই ফল পাওয়া গেছে। গবেষণায় বলা হয়েছে, প্রায় সব ধরনের প্রধান ক্যানসারের ক্ষেত্রেই অবিবাহিতদের ঝুঁকি বেশি দেখা গেছে।

 

পরিসংখ্যান অনুযায়ী, অবিবাহিত পুরুষদের ক্যানসারের ঝুঁকি বিবাহিতদের তুলনায় প্রায় ৭০ শতাংশ বেশি। নারীদের ক্ষেত্রে এই ঝুঁকি আরও বেশি, প্রায় ৮৫ শতাংশ পর্যন্ত।

 

গবেষণায় আরও দেখা গেছে, অবিবাহিত পুরুষদের মধ্যে মলদ্বারের ক্যানসারের হার বিবাহিতদের তুলনায় প্রায় পাঁচ গুণ বেশি। অন্যদিকে অবিবাহিত নারীদের ক্ষেত্রে জরায়ুমুখের ক্যানসারের হার প্রায় তিন গুণ বেশি।

গবেষকদের মতে, বিয়ে অনেক সময় মানুষের জীবনযাপনকে প্রভাবিত করে। খাদ্যাভ্যাস, স্বাস্থ্যসচেতনতা এবং নিয়মিত চিকিৎসা পরীক্ষার মতো বিষয়গুলো এতে যুক্ত থাকে। ফলে এটি পরোক্ষভাবে স্বাস্থ্যের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে।

 

তবে বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন, এর মানে এই নয় যে বিয়ে করলেই ক্যানসার থেকে সুরক্ষা পাওয়া যাবে। বরং এটি একটি সামাজিক ও আচরণগত ইঙ্গিত মাত্র।

 

গবেষকরা আরও বলেছেন, যারা অবিবাহিত, তাদের উচিত স্বাস্থ্যঝুঁকির বিষয়ে আরও সতর্ক থাকা। নিয়মিত পরীক্ষা করানো এবং স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন বজায় রাখে।

 

অবিবাহিতদের ক্যানসারের ঝুঁকি বেশি, বলছে গবেষণা

বিস্তারিত....

মতামত

আসন্ন সাভার পৌর নির্বাচনে ৯ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর পদপ্রার্থী হিসেবে জনপ্রিয়তার শীর্ষে পরিচ্ছন্ন রাজনীতিবিদ লায়ন মনজুরুল ইসলাম (মঞ্জু)

 

রাকিবুল ইসলাম রঞ্জু:

আসন্ন সাভার পৌরসভা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ৯নং ওয়ার্ডে বইছে নির্বাচনী হাওয়া। সম্ভাব্য প্রার্থীদের মধ্যে প্রচার-প্রচারণা ও গণসংযোগে ব্যাপকভাবে এগিয়ে রয়েছেন বিশিষ্ট সমাজসেবক, শিক্ষানুরাগী পরিচ্ছন্ন রাজনীতিবিদ সাভার পৌর যুবদলের সাবেক সহ-সভাপতি , সাভার পৌর ৯ নং ওয়ার্ড বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক,লায়ন মোহাম্মদ মনজুরুল ইসলাম (মঞ্জু)। ওয়ার্ডের সর্বস্তরের মানুষের মাঝে তার সততা, নিষ্ঠা ও দীর্ঘদিনের সমাজসেবামূলক কর্মকাণ্ডের কারণে তিনি বর্তমানে জনপ্রিয়তার শীর্ষে রয়েছেন।

 

স্থানীয় ভোটার ও সাধারণ জনগণের সাথে কথা বলে জানা গেছে, লায়ন মনজুরুল ইসলাম মঞ্জু দীর্ঘদিন ধরে ৯নং ওয়ার্ডের অবহেলিত মানুষের পাশে থেকে সুখ-দুঃখে কাজ করে যাচ্ছেন। যেকোনো দুর্যোগে তিনি অসহায় মানুষের মাঝে খাদ্য ও আর্থিক সহায়তা নিয়ে সবার আগে এগিয়ে এসেছেন।

 

এলাকাবাসীর মতে, সাভার পৌরসভার ৯নং ওয়ার্ডকে একটি আধুনিক, মাদকমুক্ত ও আদর্শ ওয়ার্ড হিসেবে গড়ে তুলতে লায়ন মনজুরুল ইসলাম মঞ্জুর কোনো বিকল্প নেই। রাস্তাঘাটের উন্নয়ন, ড্রেনেজ ব্যবস্থার সংস্কার এবং তরুণ সমাজকে মাদকের হাত থেকে রক্ষা করতে তিনি দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছেন। তার এই পরিচ্ছন্ন রাজনৈতিক ভাবমূর্তি ও পরোপকারী মানসিকতার কারণে ওয়ার্ডের তরুণ প্রজন্ম থেকে শুরু করে প্রবীণদের মধ্যেও তাকে নিয়ে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা যাচ্ছে।

 

নিজের প্রার্থিতা ও জনপ্রিয়তার বিষয়ে লায়ন মোহাম্মদ মনজুরুল ইসলাম (মঞ্জু) বলেন, “আমি পদের লোভে নয়, বরং ৯নং ওয়ার্ডের সাধারণ মানুষের সেবা করতেই কাউন্সিলর পদপ্রার্থী হিসেবে মাঠে নেমেছি। দীর্ঘদিন ধরে এই ওয়ার্ডের মানুষের সুখে-দুঃখে পাশে থাকার চেষ্টা করেছি। আগামী দিনে যদি জনগণ আমাকে সুযোগ দেয়, তবে ৯নং ওয়ার্ডকে সাভার পৌরসভার মধ্যে একটি রোল মডেল ও আধুনিক ওয়ার্ড হিসেবে গড়ে তুলবো।”

 

নির্বাচনের দিন যত ঘনিয়ে আসছে, ওয়ার্ডের মোড়ে মোড়ে, চায়ের দোকানে ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে লায়ন মনজুরুল ইসলাম মঞ্জুর পক্ষে সমর্থন ও জোয়ার ততই বাড়ছে। স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছেন, একটি পরিচ্ছন্ন ও সুশাসিত ওয়ার্ড গঠনে সাধারণ মানুষ এবার ব্যালটের মাধ্যমে সঠিক নেতাকেই বেছে নেবেন, অত্র ওয়ার্ডের সাধারণ জনগণ।

আসন্ন সাভার পৌর নির্বাচনে ৯ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর পদপ্রার্থী হিসেবে জনপ্রিয়তার শীর্ষে পরিচ্ছন্ন রাজনীতিবিদ লায়ন মনজুরুল ইসলাম (মঞ্জু)

বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, জাতীয় সংসদের সাবেক স্পিকার ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকারকে গভীর শ্রদ্ধায় স্মরণ করছি। তিনি পেশাগত জীবনে এবং রাজনীতিবিদ হিসেবে সফল এবং কালারফুল। ব্যক্তি এবং দল হিসেবে আমি এবং আমরা তার ক্লায়েন্ট ছিলাম।

 

রোববার (১২ জুলাই) জাতীয় সংসদে সাবেক স্পিকার ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকারকে স্মরণ করে তিনি এসব কথা বলেন।

 

বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, বিশেষ করে আমাদের কষ্টের দিনগুলোতে, সেই ওয়ান-ইলেভেন আমলে আইনের যাঁতাকলে যখন আমরা পিষ্ট, তখন প্রায়ই আমরা তার কাছে যেতাম, দ্বারস্থ হতাম। তিনি গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ দিয়েই শুধু আমাদের কাজ সারেননি, বরং আমাদের মজলুম নেতৃবৃন্দের পক্ষে তিনি আদালতে বারবার দাঁড়িয়েছেন।

 

তিনি আরও বলেন, এরকম তো আরও অনেকেই দাঁড়িয়েছেন, কিন্তু তিনি একদিক দিয়ে ভীষণ ব্যতিক্রম ছিলেন। প্রথমবার থেকেই আমরা চেষ্টা করেছি, কৃতজ্ঞতাস্বরূপ তাকে কিছু ফি দেওয়ার। শেষ পর্যন্ত আমরা এই কাজে সফল হইনি।

 

বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, তার এই অবদান স্মরণ করে আমার চোখে পানি আসছে। আমরা তার ঋণ পরিশোধ করতে পারবো না। তিনি স্পিকার হিসেবে পার্লামেন্টকে প্রাণবন্ত করে রাখতেন, আর আইনের অঙ্গনে তিনি অনেকের গুরু। তার চলন-বলন, সবকিছুই ছিল শিক্ষণীয়।

ব্যক্তি-দল হিসেবে জমির উদ্দিন সরকারের ক্লায়েন্ট ছিলাম: বিরোধীদলীয় নেতা

আগামীকাল থেকে শুরু হচ্ছে এইচএসসি পরীক্ষা: পরীক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানিয়েছেন সাভার থানা বিএনপি সভাপতি সাইফুদ্দিন সাইফুল।

 

রাকিবুল ইসলাম রঞ্জু:

আগামীকাল থেকে শুরু হতে যাওয়া উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমানের পরীক্ষার সকল পরীক্ষার্থীদের আন্তরিক অভিনন্দন, শুভেচ্ছা ও শুভকামনা জানিয়েছেন সাভার থানা বিএনপির সভাপতি ও বিশিষ্ট সমাজসেবক সাইফুদ্দিন সাইফুল।

 

আজ এক শুভেচ্ছা বার্তায় তিনি পরীক্ষার্থীদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ ও সাফল্য কামনা করেন।

 

শুভেচ্ছা বার্তায় সাইফুদ্দিন সাইফুল বলেন, “এইচএসসি পরীক্ষা প্রতিটি শিক্ষার্থীর জীবনের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। এটি তাদের ভবিষ্যৎ উচ্চশিক্ষা ও ক্যারিয়ার গড়ার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করে। আমি আশা করি, আমাদের সাভারসহ সারা দেশের শিক্ষার্থীরা অত্যন্ত ধৈর্য, মেধা ও মনোযোগের সাথে পরীক্ষায় অংশ নিয়ে নিজেদের মেধার সর্বোচ্চ স্বাক্ষর রাখবে।”

 

তিনি আরও বলেন, “শিক্ষার্থীরাই আমাদের আগামী দিনের দেশ গড়ার কারিগর। তাদের এই পথচলায় শিক্ষক ও অভিভাবকদের অবদান অনস্বীকার্য। আমি সকল পরীক্ষার্থীর সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু ও পরীক্ষায় আশানুরূপ সাফল্য কামনা করছি। আল্লাহ যেন তাদের মনের আশা পূরণ করেন এবং তারা যেন দেশ ও জাতির কল্যাণে নিয়োজিত হতে পারে।”

 

একই সাথে তিনি পরীক্ষা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা, শিক্ষক ও অভিভাবকদের প্রতি পরীক্ষার্থীরা যাতে সুষ্ঠু, সুন্দর ও নকলমুক্ত পরিবেশে পরীক্ষা দিতে পারে, তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।

এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানিয়েছেন সাভার থানা বিএনপি সভাপতি সাইফুদ্দিন সাইফুল

নাগরিক সমস্যার সমাধানে শুধু সরকারের ওপর নির্ভর না করে সবাইকে দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।

 

বুধবার (১ জুলাই) রাজধানীর শেওরাপাড়ায় ডেঙ্গু প্রতিরোধ, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও নাগরিক সমস্যা সমাধান অভিযান শেষে তিনি এ কথা বলেন।

 

জামায়াত আমির বলেন, পানি, গ্যাস ও জলাবদ্ধতার মতো অনেক সমস্যার পেছনে নাগরিকদের অসচেতনতাও দায়ী। নিজের গার্বেজটা ড্রেনে নিয়ে আমরা ফেলে দিই। সরকার তো প্রতিদিন ড্রেন পরিষ্কার করবে না। সরকার পরিষ্কার করে দেবে, নাগরিকদের সেটা রক্ষা করতে হবে।

 

এসময় বর্জ্য ড্রেনে ফেলে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি করা থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান তিনি।

 

বিদ্যুৎ সংকট নিরসনে সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করছে উল্লেখ করে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, সরকার, বিরোধী দল ও সাধারণ মানুষের সম্মিলিত উদ্যোগেই এসব সমস্যার দ্রুত সমাধান সম্ভব। একই সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নয়নে পুলিশকে সহযোগিতা এবং পরিবার থেকেই সন্তানদের চলাফেরা ও সঙ্গী সম্পর্কে সচেতন থাকার পরামর্শ দেন তিনি। এসময় স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেন, ইতোপূর্বে উনার (ডা. শফিকুর রহমান) মতো দূরদর্শী নেতা সংসদে ছিল কি না, আমার জানা নেই। নিজ এলাকার দায়িত্বও তিনি প্রধানমন্ত্রীর হাতে তুলে দিয়েছেন।

শুধু সরকারের ওপর নির্ভর করবেন না: জামায়াত আমির

ইসলামী ব্যাংক ইসলাম নয়, মির্জা ফখরুল ইসলামও ইসলাম নয়, আবার জামায়াতে ইসলামও ইসলাম নয়। সবকিছুতে এভাবে ইসলামের দোহাই দেওয়া ঠিক নয়’’ বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমদ।

 

আজ মঙ্গলবার (০৯ জুন) জাতীয় সংসদে বাজেট অধিবেশনে বিরোধীদলের সংসদ সদস্যদের সমালোচনার জবাবে এ মন্তব্য করেন তিনি।

 

ইসলামী ব্যাংকের শীর্ষ পদে সাম্প্রতিক রদবদল, গ্রাহক বিক্ষোভ এবং সাবেক এমডির পদত্যাগ নিয়ে আজ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমদের বিরুদ্ধে বক্তব্য দেন বিরোধীদলের এমপিরা।

 

পরে বিরোধীদলকে উদ্দেশ্য করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘‘চেয়ারম্যান থেকে শুরু করে বোর্ড অব ডিরেক্টরের সবাইকে ব্যাংক কোম্পানি আইন অনুযায়ী বাংলাদেশ ব্যাংক অব্যাহতি দিতে পারে। এ বিষয়ে যদি কোনো প্রশ্ন তুলতে হয়, তবে আইন পরিবর্তন করে আসতে হবে।’’

 

অভিযোগ করে সালাউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘ব্যাংকে বিশৃঙ্খলা তৈরির উদ্দেশ্যে একটি মহল পর্দার আড়ালে থেকে ‘‘গ্রাহক’’ সেজে আন্দোলন করাচ্ছে। বিরোধীদল বিরোধীদলের ভূমিকা পালন করুক, তাতে আপত্তি নেই। কিন্তু বারে বারে এভাবে পর্দার আড়ালে ও পর্দার বাইরে প্রচারণা চালিয়ে মানুষকে বিভ্রান্ত করবেন না।’

 

সংসদকে আশ্বস্ত করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘‘ইসলামী ব্যাংকের বৈধ শেয়ারহোল্ডারদের শেয়ার যথাযথভাবে হস্তান্তর করা হবে। এছাড়া, নাবিল গ্রুপসহ যারা ব্যাংক থেকে টাকা নিয়ে আর ফেরত দেয়নি, তাদের প্রত্যেকের বিরুদ্ধে সুষ্ঠু তদন্ত করা হবে। একই সঙ্গে, বিগত সময়ে নিয়ম না মেনে ব্যাংকটিতে যে ৯ হাজার কর্মীকে চাকরিচ্যুত করা হয়েছিল, সেই বিষয়টিও তদন্তের আওতায় আনা হবে বলে জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।’’

 

এর আগে জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমানও মন্তব্য করেছিলেন, ‘‘একটি নতুন ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান পদে অযোগ্য ব্যক্তিকে বসানো হয়েছে।’’

 

সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে অংশ নিয়ে বিরোধীদলের উপনেতা আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের ইসলামী ব্যাংকের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে সরকারের তীব্র সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, ‘‘বিগত সরকারের আমলে ২৬টি ভুয়া কোম্পানি গঠন করে ইসলামী ব্যাংক থেকে ১ লাখ ২৫ হাজার কোটি টাকা সরিয়ে নিয়েছিল এস আলম গ্রুপ। আর এখন বর্তমান সরকার ব্যাংকটিতে কিছু বিতর্কিত লোককে বসিয়েছে। এর মাধ্যমে জনগণের টাকা পুনরায় লুটপাট হবে, এটা অত্যন্ত পরিষ্কার।’’

 

আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের প্রশ্ন তোলেন, ‘‘কোন কারণে একজন দুর্নীতিগ্রস্ত ব্যক্তিকে চেয়ারম্যান করা হলো এবং কোন কারণে আগের এমডিকে পদত্যাগ করতে বাধ্য করা হলো? ইসলামী ব্যাংককে যদি স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় চলতে না দেয়া হয়, তবে দেশে বড় ধরনের বিশৃঙ্খলা তৈরি হবে।’’

ইসলামী ব্যাংক ইসলাম নয়, মির্জা ফখরুলও ইসলাম নয়, জামায়াতও ইসলাম নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

বিস্তারিত....

সারাবাংলা

নীলফামারী পলাশবাড়ী ডিগ্রী কলেজের নতুন ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন

স্টাফ রিপোর্টার

মাইদুল ইসলাম

নীলফামারীর পলাশ বাড়ির ডিগ্রী কলেজ চারতলা ভিত বিশিষ্ট একতলা একাডেমিক ভবনের নির্মাণ কাজের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন ও মতবিনিময়ে সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার

(১ আগস্ট) বিকেলে প্রধান অতিথি হিসেবে প্রথম তলা নির্মাণ কাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন বিএনপি’র জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও সাবেক সংসদ সদস্য প্রকৌশলী শাহরিন ইসলাম চৌধুরী তুহিন। এক কোটি ২৪ লাখ টাকা ব্যয় এই ভবন নির্মাণ হচ্ছে। এরপর কলেজ প্রাঙ্গনে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে কলেজের গভর্নিং বডির সভাপতি সোহেল পারভেজের সভাপতিত্বে ও পলাশবাড়ী ইউনিয়ন বিএনপি’র সাবেক সভাপতি জগদীশচন্দ্র রায়ের সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন অ্যাডভোকেট মিজানুর রহমান চৌধুরী শামীম, মাধ্যমিক ও

উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা রংপুর অঞ্চলের পরিচালক অধ্যাপক মোঃ গোলাম মাজেদ এবং তুহিন এর সহধর্মিনি তামান্না ইয়াসমিন। প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রকৌশলী শাহরিন ইসলাম চৌধুরী তুহিন বলেন, ‘শিক্ষার মানোন্নয়ন ও শিক্ষার্থীদের আধুনিক সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করতে অবকাঠামোগত উন্নয়ন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পলাশবাড়ী ডিগ্রী কলেজের এই নতুন ভবন শিক্ষার্থীদের পাঠদানের পরিবেশ আরও উন্নত করবে। ভবিষ্যতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন ও এলাকার মানুষের কল্যাণে আমরা কাজ করে যেতে চাই।’ এ সময় জেলা জজ কোর্টের জিপি আবু মোহাম্মদ সোয়েম, সদর উপজেলা বিএনপি’র সাবেক সাধারণ সম্পাদক কাজী আখতারুজ্জামান জুয়েল, জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক শাহাদাত হোসেন চৌধুরী, জেলা আইনজীবী ফোরামের সাধারণ সম্পাদক এ্যাড. আসাদুজ্জামান খান রিনো, মহিলা দলের সহ-সভাপতি রাকু ইসলামসহ আরও অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

নীলফামারী পলাশবাড়ী ডিগ্রী কলেজের নতুন ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন  

আসন্ন তেঁতুলঝোড়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ইউনিয়নবাসীর আস্থার প্রতীক যুব নেতা ইয়ার মোহাম্মদ ইয়াসিন সরকার শাওন।

 

রাকিবুল ইসলাম রঞ্জু:

আসন্ন তেঁতুলঝোড়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে স্থানীয় রাজনীতি ও সর্বস্তরের ভোটারদের মাঝে উদ্দীপনা ও আলোচনা বৃদ্ধি পাচ্ছে। এই নির্বাচনে জনগণের আস্থা ও প্রত্যাশার প্রতিনিধি হিসেবে জোরালোভাবে আলোচনায় উঠে এসেছেন ঢাকা জেলা যুবদল নেতা ইয়ার মোহাম্মদ ইয়াসিন সরকার শাওন।

 

স্থানীয়দের সূত্রে জানা যায়, এলাকার সামাজিক কল্যাণমূলক কাজ ও যুবসমাজকে সংগঠিত করার ক্ষেত্রে তাঁর সক্রিয় উপস্থিতি দেখা গেছে। আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে তিনি তেঁতুলঝোড়া ইউনিয়নের বিভিন্ন ওয়ার্ডে সাধারণ মানুষের সাথে মতবিনিময় ও গণসংযোগ অব্যাহত রেখেছেন। এলাকার সার্বিক উন্নয়ন, শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং তরুণদের কল্যাণে কাজ করার প্রত্যয় প্রকাশ করছেন এই যুব নেতা।

 

তেঁতুলঝোড়া ইউনিয়নের সাধারণ ভোটারদের অভিমত, এলাকার টেকসই উন্নয়ন ও নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করতে যোগ্য ও জনবান্ধব নেতৃত্ব নির্বাচন করা জরুরি। এ প্রেক্ষাপটে যুব নেতা ইয়ার মোহাম্মদ ইয়াসিন সরকার শাওনের রাজনৈতিক ও সামাজিক তৎপরতা স্থানীয়দের মনোযোগ আকর্ষণ করছে।

আসন্ন তেঁতুলঝোড়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ইউনিয়নবাসীর আস্থার প্রতীক যুব নেতা ইয়ার মোহাম্মদ ইয়াসিন সরকার শাওন।

গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে নীলফামারীতে জামায়াতের গণ সমাবেশ

 

স্টাফ রিপোর্টার

মাইদুল ইসলাম

০১/ আগস্ট/২৬ইংঃ জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে নীলফামারীতে গন সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ শনিবার

(০১ আগস্ট) বিকেলে নীলফামারী ডিসি মোড়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নীলফামারী জেলা শাখার উদ্যোগে এই কর্মসূচি পালিত হয়। জেলা জামায়াতের আমীর ও নীলফামারী-১ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুস সাত্তারের সভাপতিত্বে ও জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মাওলানা আন্তাজুল ইসলামের সঞ্চালনায় সমাবেশে বক্তব্য রাখেন নীলফামারী-২ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট

আলফারুক আব্দুল লতিফ, নীলফামারী-৪ আসনের সংসদ সদস্য হাফেজ আব্দুল মুনতাকিম, জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি অধ্যাপক আনোয়ারুল ইসলাম, জেলা জামায়াতের

কর্মপরিষদ সদস্য ও নীলফামারী পৌরসভার মেয়র প্রার্থী মুক্তিযোদ্ধা মনিরুজ্জামান মন্টু, জলঢাকা উপজেলা জামায়াতের আমির মোখলেছুর রহমান, জেলা শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি প্রভাষক মনিরুজ্জামান জুয়েল প্রমুখ। সভাপতির বক্তব্যে নীলফামারী-১ আসনের সংসদ সদস্য আব্দুস সাত্তার বলেন, যতক্ষণ পর্যন্ত গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন হবে না, জুলাই সনদের সংস্কার হবে না ততক্ষণ পর্যন্ত বাংলাদেশে সর্বপ্রকার রাজনীতি থেকে জনগণকে বিরত রাখা যাবে না। ইতিমধ্যে যে কর্মকাণ্ড বর্তমান সরকার শুরু করেছে, বাংলাদেশের জনগণ এখনো প্রস্তুত আছে আবারো রক্ত দিতে। প্রস্তুত আছে নতুন এই ফ্যাসিবাদের কবল থেকে দেশকে আবারো মুক্ত করতে। তিনি বলেন বর্তমান সরকার আবারও নতুন ফ্যাসিবাদের দের জন্মের দিকে হাটছে। সম্প্রতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে বিরোধী দলের নির্বাচিত সংসদ সদস্যদেরকে উপেক্ষা করে, তাদেরকে বাদ দিয়ে সরকার রাষ্ট্রীয় কাঠামো উন্নয়নের কথা ভাবছেন। বাংলাদেশের জনগণ এটি কখনও মেনে নিবে না। নির্বাচিত সংসদ সদস্যের মাধ্যমেই দেশের উন্নয়ন করতে হবে। গণ সমাবেশ শেষে সেখান থেকে একটি বিশাল বিক্ষোভ মিছিল বের হয়ে শহরের প্রধান প্রধান

সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে বাজার ট্রাফিক মোড়ে এসে শেষ হয়।

গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে নীলফামারীতে জামায়াতের গণ সমাবেশ

বিস্তারিত....

Top